মুরগী ব্যবসার অন্তরালে সংগঠনের প্রচার

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

জঙ্গি প্রশিক্ষণের স্থান নির্ধারণ করতো কাইয়ুম হাওলাদার ওরফে মিঠু অন্যদিকে মুরগী ব্যবসার অন্তরালে ছদ্মবেশে সংগঠনের প্রচার কাজ করকো সেলিম। র‌্যাবের হাতে আটকের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমনই তথ্য দিয়েছে সারোয়ার-তামিম গ্রুপের গ্রেফতার হওয়া এই দুই সদস্য। গত মঙ্গলবার রাতে রূপগঞ্জের রূপসী থেকে র‌্যাব-১১ এর একটি দল এই দুই জঙ্গি সদস্যকে গ্রেফতার করে। র‌্যাব-১১ সিনিয়র সহকারী পরিচালক শাকিল আহমেদ জানান, আটক এই দুই জঙ্গি সদস্যদের কাছ থেকে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।  তিনি জানান,  কাইয়ুম হাওলাদার ওরফে মিঠু (৩২) ৫ বছর ধরে ঢাকায় বসবাস করছে। সে ২০১২ সালে পিরোজপুর থাকাকালীন জনৈক মামুন এর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে ঢাকায় চলে আসে। এরপর সে ২০১৬ সালের শুরুতে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপে যোগ দেয়। মিঠু ঢাকা, লালমনিরহাট, পিরোজপুর, বাগেরহাট, গাইবান্দা ও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলায় সংগঠনের দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করত। সে লালমনিরহাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এবং নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন চরে গিয়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণের জন্য স্থান নির্ধারণের কাজও করত। অন্যদিকে সেলিম (৩২) বিগত ১৫ বৎসর ধরে ঢাকায় বসবাস করে এবং মুফতি মোঃ জসিম উদ্দিন রাহমানির কাছে যাতায়াত শুরু করে এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জঙ্গিবাদে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে সে বিগত ২০১৬ সালের শুরুতে জনৈক মোনতাছির এর মাধ্যমে সারোয়ার-তামিম গ্রুপে যোগ দিয়ে সক্রিয় সদস্য হিসেবে দাওয়াতি কার্যক্রম শুরু করে। সে তার মুরগী ব্যবসার অন্তরালে গ্রুপের অন্যান্য সদস্যের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করত। বিভিন্ন জঙ্গিবাদী ভিডিও চিত্র সংগ্রহ করে সমমনাদের ভিতর প্রচার করে আসছিল। সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে জেএমবির প্রচার কার্য চালিয়ে আসছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *