কোন্দলে আওয়ামীলীগ-বিশৃঙ্খলায় বিএনপি!

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
মহানগর কেন্দ্রীক রাজনীতিতে দেশের শীর্ষ দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপি। নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের মধ্যে বিরোধ থাকলেও তারা সংগঠিত। অন্যদিকে চরম দৈনদশায় রয়েছে মহানগর বিএনপির রাজনীতি। তিনটি থানা এলাকাকে সংগঠিত করে বন্দরের ৫টি ইউনিয়নেও কাজ শুরু করেছে মহানগর আওয়ামীলীগ। অন্যদিকে দুটি থানা এলাকা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলায় হিমশিম খাচ্ছেন নেতারা। মহানগর আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির বর্ধিত সভায় সকল নেতারাই এক টেবিলে বসেন। কিন্তু মহানগর বিএনপির আংশিক কমিটির নেতারাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। জানা গেছে, ২০১১ সালে শহর আওয়ামীলীগের তৎকালীন সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও অ্যাডভোকেট খোকন সাহাকে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি ঘোষণা দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে ক বছর পর ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পর মহানগর আওয়ামীলীগের মধ্যে কোন প্যারালাল কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়নি। এমনকি মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্যে বিরোধীতা করতেও দেখা যায়নি। অন্যদিকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি করা হয় সাবেক এমপি আবুল কালাম ও সেক্রেটারি করা হয় এটিএম কামালকে। আংশিক কমিটিতে কয়েকমাস নেতারা একসঙ্গে কাজ করলেও এখন নিয়মিত পৃথক দুটি ব্যানারে কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। প্রকাশ্যে মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেখা গেছে। মহানগর বিএনপির সভাপতি সেক্রেটারি একদিকে অন্যদিকে মহানগর বিএনপির ব্যানার নিয়ে দৌড়াচ্ছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান। এছাড়াও সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। এদিকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী যুব মহিলা লীগের কমিটি পাল্টা কমিটি গঠন নিয়ে স্থানীয় এমপি শামীম ওসমানের সঙ্গে মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের দূরত্ব বাড়লেও মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি নেই। কিন্তু মহানগর বিএনপির সভাপতি সেক্রেটারির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন খান। মহানগর আওয়ামীলীগ তাদের ২৭টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম চালিয়ে বন্দরের ৫টি ইউনিয়নেও কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু মহানগর বিএনপির বন্দর শহর এলাকা নিয়ন্ত্রনে হিমশিম খাচ্ছেন। তবে দল দুটির কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে নতুন কর্মী সংগ্রহ অভিযানে এগিয়ে রয়েছে মহানগর বিএনপি। মহানগর আওয়ামীলীগ এখনও তাদের এ অভিযান শুরু করতে পারেনি। এরি মধ্যে জেলা আওয়ামীলীগের সঙ্গে বন্দরের ৫টি ইউনিয়ন এলাকা নিয়ন্ত্রন নিয়ে বিরোধে রয়েছে মহানগর আওয়ামীলীগ। কিন্তু মহানগর বিএনপির পৃথক দুটি ব্যানারে নিয়মিত বিভিন্ন এলাকায় নতুন কর্মী সংগ্রহ কর্মসূচি পালন করছেন। এ দিকে মহানগর বিএনপির চেয়ে পিছিয়ে আছে মহানগর আওয়ামীলীগ। এ কর্মসূচি পালন নিয়ে যদিও বিএনপিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। কারন দুটি ব্যানারে মহানগর বিএনপির কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *