তুর পাহাড়: আল্লাহর সঙ্গে মুসা আ.-এর কথা বলার স্থান

প্রাচীনকাল থেকেই মিসর সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে স্বীকৃত। যুগে যুগে দর্শনার্থীদের বিচরণভূমি হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে পর্যটন খাত মিসরের অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মিসরের যেসব স্থান পর্যটকদের আকর্ষণ করে এর অন্যতম হলো- তুরে সাইনা বা তুর পাহাড়। কায়রো থেকে তুরে সাইনা যাওয়ার দু’টি পথ। এর একটি সোজা অন্যটি বেশ ঘুরে। সোজা রাস্তার দূরত্ব কায়রো থেকে ৪৩০ কিলোমিটার। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে রাস্তাটি বন্ধ। অন্য রাস্তাটি হলো- কায়রো থেকে শারমুশ শাইখ হয়ে তুরে সাইনা যাওয়া। এ পথের দূরত্ব ৭৪০ কিলোমিটার।

কোরআনে কারিমে হজরত মুসা (আ.) সম্পর্কে অনেক আলোচনা রয়েছে। প্রচুর উপমা ও বিভিন্ন আঙ্গিকে তার ঘটনা বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে মানুষ এসব থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

যেমন কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘মুসা যখন মেয়াদ পূর্ণ করল এবং নিজ স্ত্রীকে নিয়ে রওয়ানা হয়ে গেল, তখন সে তুর পাহাড়ের দিকে এক আগুন দেখতে পেল। সে নিজ পরিবারবর্গকে বলল, তোমরা অপেক্ষা কর। আমি এক আগুন দেখেছি, হয়ত আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে আনতে পারব কোনো সংবাদ অথবা আগুনের একটা জ্বলন্ত কাঠ, যাতে তোমরা উত্তাপ গ্রহণ করতে পার। সুতরাং সে যখন আগুনের কাছে পৌঁছল, তখন ডান উপত্যকার কিনারায় অবস্থিত বরকতপূর্ণ ভূমির একটি বৃক্ষ থেকে ডাকা হলো- হে মুসা! আমিই আল্লাহ, জগৎসমূহের প্রতিপালক।’ -সূরা কাসাস: ২৯-৩০
তুর পাহাড়: আল্লাহর সঙ্গে মুসা আ.-এর কথা বলার স্থান (ছবি: সংগৃহীত)
তুর পাহাড়ে হজরত মুসা (আ.) আসমানি কিতাব তাওরাত লাভ করেছিলেন। আল্লাহতায়ালা সূরা আরাফে তা উল্লেখ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি মুসার জন্য ত্রিশ রাতের মেয়াদ স্থির করেছিলাম (এ রাতসমূহে তুর পাহাড়ে এসে ইতিকাফ করবে)। তারপর আরও দশ রাত বৃদ্ধি করে তা পূর্ণ করি। এভাবে তার প্রতিপালকের নির্ধারিত মেয়াদ চল্লিশ দিন হয়ে গেল এবং মুসা তার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *