আজ : মঙ্গলবার: ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইং | ২ জমাদিউস-সানি ১৪৩৯ হিজরী | ভোর ৫:৫২
fevro
শিরোনাম
8

যেভাবে ছাত্র তুহিন হত্যাকারীরা শনাক্ত হলো

Badal-nj | ৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ | ১২:৫৩ অপরাহ্ণ

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
আড়াইহাজারের বগাদী কান্দাপাড়া এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র তুহিনকে হত্যার পর অপহরণের নাটক করতে গিয়ে নিহতের পরিবারের সন্দেহে আসেন মামলার প্রধান আসামি মাহফুজ। মাহফুজ তার চাচাতো ভাই তুহিনকে আম কুড়াঁনোর কথা বলে তার ঘরে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করে একটি ড্রামের ভিতরে গুম করে রাখেন। নাসির উদ্দিন জানান, তার ছেলে তুহিনকে ২০১৫ সালের ৯ মে বিকালে আম কুঁড়ানোর কথা বলে তার বড় ভাইয়ের ছেলে মাহফুজ তার ঘরে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করে একটি নীল রংয়ের প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে গুম করে রাখেন। পরে তার অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়। এক পর্যায়ে মাহফুজ নিজেই একটি মোবাইল থেকে তার কাছে ১০ মে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেন। এতে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েন। পরের দিন একই নাম্বার থেকে তাকে বলা হয় মুক্তি পণ্যের টাকা না পেলে তার ভাতীজা মাহফুজকে অপহরণ করা হবে। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। নাসির উদ্দিন আরো জানান, এ ঘটনার পরের দিন তুহিন নিখোঁজের খবর একালায় মাইকিং করেই মাহফুজ তরিগড়ি করে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায়। পরে তার প্রতি আমার সন্দেহ হয়। মোবাইল ফোনের সূত্রধরে পুলিশ মাদ্রসার ছাত্র মাহফুজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তুহিনকে গলা টিপে হত্যার দায় স্বীকার করেন। তবে এ মামলার পুলিশের তদন্তের গাফিলতি ছিল বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী নাসির উদ্দিন। প্রসঙ্গত, নিহত তুহিনের আপন চাচা বিল্লাল হোসেন (৫৫) তার ছেলে মাহফুজুর রহমান (২৫) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মরদেহ গুমের চেষ্টার অপরাধে প্রত্যেককে তিন বছর করে সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাস করে কারাদন্ড দেয়া হয়। এছাড়া শিশুটিকে অপহরণের অভিযোগে আসামিদের সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার নারায়ণগঞ্জ প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন এ রায় প্রদান করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *