আজ : মঙ্গলবার: ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইং | ২ জমাদিউস-সানি ১৪৩৯ হিজরী | ভোর ৫:৫৩
fevro
শিরোনাম
22

হত্যা করেও তারা প্রকাশ্যে

Badal-nj | ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ | ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে যুকবকে পিটিয়ে হত্যার পর হত্যাকারীদের প্রকাশ্যে দেখে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করতে। তারা বলছে, একজন যুবককে হত্যা করেও হত্যাকারীরা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী এক নেতা ও স্থানীয় এক শিল্পপতি মিলে পুলিশের সঙ্গে আতাঁত করে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ যদি অপরাধ করে তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার শাস্তি দিলে আদালত। তাই বলে তাকে হত্যা করা হবে এটা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। তাহলে হত্যাকারীরা আগামীতে আরো বড় ধরণের অপরাধ করবে। তাই হত্যাকারীতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানিয়েছে স্থানীয়রা। জানাগেছে, গত ২১ জানুয়ারী ফতুল্লা থানাধীন কাশীপুরের ভোলাই এর মরাখাল পাড় এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে রাসেল (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরা বিষয়টিকে গণ পিটুনীতে নিহত হয়েছে বলে চালিয়ে দিয়েছে। হত্যার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের নামে মামলা করে। অথচ স্থানীয়রা জানিয়েছে মাটরসাইকেলের মালিক মিজানের দুই ভাগ্নে ইমরান ও তানভীর পিটিয়ে রাসেলকে হত্যা করে। আর উল্টো নিহত রাসেলের নামে মাটরসাইকেল চুরির অভিযোগে মিজান ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা করে। ওইদিনের ঘটনায় চোর সন্দেহে রাসেলকে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্যে ছিল দুই ভাই ইমরান-তানভী, স্থানীয়দের সূত্রে এমনটাই জানাগেছে। ইমরান ও তানভীর এলাকার জৈনেক আলতাফ মিয়ার ছেলে। এলাকায় তাদের উশৃঙ্খল চলাফেরার খবর স্থানীয়দের মুখে মুখে শোনা যায়। তাদের দুই ভাইয়ের “ডেম কেয়ার” কর্মকান্ডে অতিষ্ট এলাকাবাসী। এলাকাবাসী জানায়, ওইদিনের ঘটনায় পালসার মোটরসাইকেলটি (ঢাকা মেট্রো ল-১৩-৩৩৮৭) চুরি করতে গেলে এলাকাবাসীর হাতে ধরা পরে রাসেল। এসময় তাকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশে সোপর্দ করতে চাইলে দুই সহোদর ইমরান-তানভীর স্থানীয়দের উপড় চটে যান। এসময় তারা রাসেলকে ধরে তাদের বাড়ীতে নিয়ে যায় এবং সেখানে রাসেলকে বেধম প্রহার করে। পরবর্তীতে রাসেলের নিথর দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ওই দুই সহোদর স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। হত্যার পরই আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা ও এক শিল্পপতি বিপুল অর্থের মিনিময়ে ইমরান-তানভীরকে মামলা থেকে বাঁচিয়েছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। শুনা গেছে, ইমরান-তানভীরকে বাঁচাতে নাকি চার লক্ষ টাকা লেনদেন করা হয়েছে। টাকার গরমেই পুলিশ ইমরান-তানভীরের নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতদের আসামী করে পুলিশ বাদি হয়ে মামলাটি করেছে।
এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শাহ জালাল জানিয়েছিলেন, এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। তদন্ত করে আমরা হত্যাকারীদের গ্রেফতার করবো। এব্যাপারে মাটরসাইকেলের মালিক মিজানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেছিলেন, পুলিশের কাছে জিজ্ঞাস করেন তারাই বলবে। আমি কি বলবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *