আজ : মঙ্গলবার: ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ইং | ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী | সকাল ৯:১৩
BADAL
শিরোনাম
ডিএনডি’র জলাবদ্ধতায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান পানির নিচে-❋-আওয়ামীলীগে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের কেন্দ্রীয় হুশিয়ারি...-❋-হকার ইস্যুতে আবারও অশান্ত হওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জ !-❋-ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের বেহাল দশা রোদে ধুলা-বৃষ্টিতে কাদায় জনভোগান্তি-❋-লন্ডনের কার্টেজ হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার শফিকুলের সাথে আলোচনা-❋-সকল মানুষেরই প্রাণের মায়া আছে :লিপি ওসমান-❋-নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনীতে ডিসি : ফাস্টফুড আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর-❋-সাড়ে চার কোটি টাকার মাদক ধ্বংস !-❋-মাঠে নামার প্রস্তুতিতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি-❋-ওয়াসার দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহারের অযোগ্য ॥ সীমাহীন ভোগান্তিতে নারায়ণগঞ্জবাসী

হায়রে বিএনপি- পাঁচ মিনিট চায় !

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

মহানগর বিএনপি নেতাদেরকে সদর মডেল থানা পুলিশ বলছে ‘পাঁচ মিনিট না এক মিনিট সময় দেয়া হলো, এর বেশি না’ এর উত্তরে দলটির নেতারা পুলিশকে মিনতি করে বলেন, ‘না ভাই, পাঁচমিনিট সময় দেন, কথা দিলাম কোনো টু শব্দও হবে না।’এরপরই খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের পিছনে বিকেল সোয়া তিনটার দিকে ঘটে এ ঘটনা। এরপর পুলিশ তাঁদের নির্ধারিত এক মিনিট সময় বেঁধে দিলে কেবল ফটোশেসনের জন্য ব্যানার নিয়ে দাঁড়ায় দলটির সভাপতি সাবেক সাংসদ আবুল কালামসহ অন্যরা। তবে এখানে কে কার আগে দাঁড়াবে এ নিয়ে কিছুটা চলে দস্তাদস্তি। এরপরই দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্চালনা করতে গেলে তাঁকে দ্রুত থামিয়ে দ্যান আবুল কালাম। এবং তিনি বক্তব্য শুরু করেন। আবুল কালাম তাঁর ত্রিশ সেকেন্ডের বক্তব্যে সরকার, আইন ও প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘সবাইকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দিতে পারলাম, দুঃখিত। আজকে সমাবেশ এখানেই শেষ।’ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান, অ্যাড. জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, সংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, ফতুল¬া থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাড. আনোয়ার প্রধান প্রমূখ।

 

লাঙ্গলবন্দে মেগা প্রকল্প কাজের তদারকিতে সেলিম ওসমান…

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থিত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থস্থান লাঙ্গলবন্দে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রৌকশলীদের সাথে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের এলজিআরডি ও গণপূর্ত অধিদপ্তরে গিয়ে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।  এ সময় স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রৌকশলী স্বপন কান্তি পাল এবং প্রকল্প জিপি চৌধুরী এমপি সেলিম ওসমানের কাছে প্রকল্পের ডিজিটাল নকশা এবং একটি থ্রিডি অ্যানিমেশন প্রদর্শন করে বিস্তারিত তুলে ধরেন। অপরদিকে গণপূর্ত অধিপ্তরের নির্বাহী প্রৌকশলী মাহবুবুর রহমানও সংসদ সদস্যের কাছে তাদের করা প্রকল্পের নকশা তুলে ধরেন। এ ব্যাপারে এমপি সেলিম ওসমান, লাঙ্গলবন্দে যে মেগা প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে সেটি ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারীতে শুরু হয়ে ২০১৯ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে সরকার থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পটি এলজিআরডি, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সড়ক ও জনপথের মাধ্যমে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে বিশাল পরিমানে জমি অধিগ্রহন করা হবে। আমার কাছে মনে হচ্ছে এই তিনটি দপ্তরের মাঝে কোথাও সমন্বয়হীনতার ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে জমি অধিগ্রহন বিলম্বিত হওয়ায় প্রকল্পের কাজে ধীর গতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। খুব দ্রুত ৩টি দপ্তরের নির্বাহী প্রৌকশলীদের নিয়ে একত্রে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা গুলো সমাধান করা হবে। যাতে করে প্রকল্পের উন্নয়নের কাজ তরানি¦ত হয়। ইতোমধ্যে লাঙ্গলবন্দে ৫টি নতুন ঘাট নির্মানের অর্থ বরাদ্দ চলে এসেছে। লাঙ্গলবন্দের পূণ্যার্থীদের দুভোর্গের কথা চিন্তা করে এ বছর ¯œানোৎসব শেষে ৫টি ঘাটের নির্মান কাজ শুরু করা হবে। পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদিত লাঙ্গলবন্দের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে লাঙ্গলবন্দকে একটি আর্ন্তজাতিক পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে। এছাড়াও বন্দরে বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং সংস্কার কাজের ব্যাপারে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বন্দর উপজেলার সব গুলো ইউনিয়নে যাতায়াতের উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে এমন সকল রাস্তার উন্নয়ন কাজের প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে উপজেলার সকল রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সম্পন্ন হবে। তবে এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ গুলোর চেয়ারম্যান, মেম্বার সহ স্থানীয় জনগনের সব থেকে বেশি সহযোগীতা থাকতে হবে। সকলের সহযোগীতা থাকলে আশা করছি আগামী ৬ মাসের মধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। যার মধ্যে রয়েছে মুছাপুর আর এইচডি পাকা রাস্তা হতে মুছাপুর আতাউল্লাহ মিয়ার বাড়ী, ভায়া মুছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, মালিবাগ হাইস্কুল-বালীগাঁও ১ দশমিক ১৭ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, জাঙ্গাল-কান্দাপাড়া হাজরাদি দশমিক ৬৫ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, এশিয়ান হাইওয়ে রোড হইতে মালিভিটা মাদ্রাসা জাতীয় মহাসড়ক পর্যন্ত দশমিক ৫৫ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, কুড়িপাড়া বটতলা-আমৈর বটতলা পর্যন্ত দশমিক ৫০ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন,  বন্দর শাহী মসজিদ-কলাবাগ ১ দশমিক ২০ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, আইসতলা কলাবাগ ব্রীজ-উত্তর সাবদী মেইন রোড পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, লাওসাররোড-কাইনালী ভিটা ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, চুনাভুড়া-বুরুন্দী ভায়া কবরস্থান দশমিক ৭০ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, আলীনগর-পুনাই নগর সড়ক দশমিক ৬০ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন, চাঁনপুর বিজ্ঞান পরিষদ-কলাবাগ সড়কে ৩০ মিটার রাস্তা উন্নয়ন। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল ও শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু।

সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে ৫টি ট্রলার ফ্রি করলেন সেলিম ওসমান

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে অনিয়ম ও নৌকার মাঝিদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সংবাদ প্রকাশের পর গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে উপস্থিত হয়ে সাধারণ যাত্রীদের পারাপারে সুবিধার্থে ৫টি ট্রলার সম্পূর্ন ভাবে ফ্রি করে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। যিনি এর আগে ২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বন্দর খেয়াঘাটি দিয়ে যাত্রী পারাপার সম্পূর্ন টোল ফ্রি করে দিয়েছেন। এমপির ঘোষণার পর পরই ৫টি ট্রলার দিয়ে ফ্রি যাত্রী পারাপার শুরু করা হয়। যার ফলে ঘাটে থাকা ১০টি ট্রলারের মধ্যে এখন থেকে ৫টি ট্রলার দিয়ে ২ টাকা ভাড়া এবং অপরদিকে ৫টি ট্রলার দিয়ে সম্পূর্ন ফ্রি যাত্রী পারাপার করা হবে। অপরদিকে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা নৌকার ভাড়া কোন অবস্থায় ৩ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না বলেও কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বন্দর খেয়াঘাটে উপস্থিত হয়ে নৌকার মাঝিদের সাথে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন তিনি। এ সময় মাঝিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জনগনের সুবিধার্থে বন্দর খেয়াঘাটটি টোল ফ্রি করে দিয়েছি। কিন্তু সরকারকে নিয়মিত ইজারার টাকার পরিশোধ করছি। আগে আপনারা ইজারাদারকে নৌকা প্রতি প্রতিদিন ৩০টাকা করে টোল দিতেন। সেটাও আপনাদের মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। কথা ছিল আপনারা ২ টাকার বেশি যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নিবেন না। কিন্তু আপনারা সেই কথা রাখেন নাই। আপনারা সাধারণ মানুষের উপর মানুষের উপর জুলুম করছেন। নেতা হওয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নৌকা নামাবেন, জুয়ার বোর্ড চালাবেন, এটা হতে পারে না। এই টাকা কে নেয়, নাম বলেন। সে যেই হোক না কেন, তাকে ছাড় দেয়া হবে না। মানুষকে সেবা দিতে নৌকা চালাবেন জুলুম করার জন্য নয়। আর যদি নৌকার মাঝিরা সাধারণ মানুষের উপর জুলুম করেন তাহলে প্রয়োজনে ১০টি ট্রলারই ফ্রি চলাচল করবে। সেলিম ওসমানের এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মাঝিরা বলেন, আপনি যে সিন্ধান্ত দিবেন আমরা সেই সিন্ধান্ত মেনে নিব। তবে, আমরা আপনার সাথে কথা বলতে চাই। তাদের এ দাবির প্রেক্ষিতে সেলিম ওসমান আগামীকাল (বুধবার) আবার সেন্ট্রাল ঘাটে আসবেন বলে ঘোষণা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবু জাহের, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা ওসি কামরুল ইসলাম, বন্দর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  শাহীন মন্ডল, নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেওয়াজ সহ অন্যান্যরা।

 

 

দলের দূর্দিনে আত্মগোপনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জের বিএনপির শীর্ষ নেতারা মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাপ দিতে থাকলেও বর্তমানে বিএনরি দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে নেই তারা। নিজেদের গাঁ বাচাঁতে নামে মাত্র ফটো সেশনের রাজনীতি করে যাচ্ছেন অথচ নারায়ণগঞ্জের মহাসড়ক দিয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কোথাও যাত্রাকালে কিংবা কেন্দ্রীয় কোন সমাবেশে ব্যাপক শোডাউন করে নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করলেও খোদ এই নেত্রীর দুর্দিনে দুর্বার আন্দোলন গড়ার লক্ষ্যে এখন মাঠে নেই আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের সম্ভাব্য এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। এদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন নেত্রীর কারামুক্তির দাবীতে দলীয় কর্মসূচী পালনে রাজপথে নিয়মিত সক্রিয় থাকলেও বেশীরভাগই রয়েছেন নিরুদ্দেশ- এমনটাই অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা। যার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করে জানতে চেয়েছেন, “নির্বাচনে ৩০০ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ৯০০ থাকলেও নেত্রীর মুক্তির দাবীতে এখন তারা কোথায়? এখনতো ৫০ জনকেও মাঠে দেখা যাচ্ছে না।”দলীয় সূত্রে জানাগেছে, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বঅচনে নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সংসদীয় ৫টি আসন থেকে ‘ধানের শীষ’ প্রত্যাশায় মাঠে নেমে পড়েছেন সম্ভাব্য প্রায় ১৬ জন প্রার্থী। যার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে রয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার, জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান ও কেন্দ্রীয় যুবদলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু। নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বদরুজ্জামান খসরু, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, আড়াইহাজার থানা বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান আঙ্গুর ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ব্যারিষ্টার পারভেজ। নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম মান্নান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে সাবেক এমপি আলহাজ¦ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি শাহ আলম ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। জানাগেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ৫ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে কারাবন্দি রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। আর তার মুক্তির দাবীতে সেইদিন থেকে অদ্যবধি কেন্দ্র নানা কর্মসূচির ডাক দিলেও নারায়ণগঞ্জে সেই কর্মসূচি পালনে হাতেগোনা কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যতীত বেশীরভাগদেরই নিরুদ্দেশ থাকতে দেখা যায়। তন্মধ্যে, পুলিশের মামলার আসামী হওয়া সত্ত্বেও মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ রাজপথে কর্মসূচি পালন করলেও গত সোমবার দুপুরে খোরশেদকে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। আর ইদানীং ফটোসেশনের জন্য কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েই দ্রুত সমাপ্তি ঘোষণার মাধ্যমে গড় হাজিরা দিচ্ছেন এড. আবুল কালাম। অপরদিকে, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্ব পেয়ে প্রথম পর্যায়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার, জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জমানকে রাজপথে কর্মসূচি পালনে নামতে দেখা গেলেও এখন তারাও হয়ে গেছেন নিরুদ্দেশ। কিন্তু নাশকতার মামলায় কারামুক্ত হয়ে নজরুল ইসলাম আজাদ এবং মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, মাজহারুল ইসলাম মান্নান, অধ্যাপক রেজাউল করিম, শিল্পপতি শাহ আলম আগাম জামিন নিলেও এখনো পর্যন্ত দলীয় কর্মসূচি পালনে মাঠে নামেনি তারা। আর সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন গণস্বাক্ষরের মত সস্তা কর্মসূচির মাধ্যমে ফটোসেশন করলেও অন্য কোন কর্মসূচিতে মামলার ঝামেলা এড়াতে মাঠে নামেননি বলে জানান তৃণমূল নেতৃবৃন্দরা। তবে, আতাউর রহমান আঙ্গুর বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জে এসে যোগ দিলেও অনেকটা দায়সারা ভাব নিয়েই ফটোসেশনে আসেন বলে জানান তার ঘনিষ্টজনেরা। আর মাঠের পরিবর্তে ঘরে বসেই সময় কাটাচ্ছেন তারই ভাই বদরুজ্জামান খসরু। কিন্তু শুরু থেকেই আন্দোলনে বেশ দায়িত্ব পালন করলেও সোনারগাঁ থানার একটি নাশকতার মামলায় আসামী হয়ে কারাভোগের পর মুক্তি পেলেও আড়াইহাজার ও ফতুল্লা মডেল থানার আরো তিনটি মামলায় এখন কারাগারে বন্দি রয়েছেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। তাই আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে ত্যাগী ও যোগ্যদেরই কেবল মনোনয়ন প্রদানের দাবী জানিয়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

 

বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে কাজী মনির অথর্ব নেতা !

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে কাজী মনির দিন দিন অথর্ব নেতা হিসেবে পরিচিত হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের আন্দোলন সংগ্রামের সুনাম দীর্ঘদিনের। পুলিশের গুলি ও লাঠিচার্জেও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি বিগত সকল সময়ে রাজপথে কর্মসূচী পালন করে গেলেও এবারই প্রথম নারায়ণগঞ্জ বিএনপি নিজেদের অস্তিত্বহীন হিসেবে জেলায় জানান দিচ্ছেন। দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার কারাগারে যাবার পরও প্রতিক্রিয়াই ছিলনা নারায়ণগঞ্জে। সারাদেশে দলীয় কর্মসূচী পালন হলেও নারায়ণগঞ্জে হয়নি কিছুই। জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যান। তখন থেকে এখনো তিনি রয়েছেন কারাগারেই। খালেদা জিয়া কারাগারে যাবার পর প্রতিটি জেলার নেতাকর্মীদের কথা চিন্তা করে একেবারেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী ঘোষণা করছেন দল, এসব কর্মসূচী পালিত হচ্ছে প্রতিটি জেলায়ই। নারায়ণগঞ্জেই তার ব্যতিক্রম, হয়নি পালন কোন কর্মসূচীই। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি নিজে যেমন কর্মসূচী পালিত করেননা দলের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগও করেননা। দলীয় কর্মসূচী পালনের জন্য নেতাকর্মীদের আহবান জানানো কিংবা তাদের দিক নির্দেশনা দেয়ার মত অবস্থা থাকলেও তিনি তা করেন না। কারো সাথেই যোগাযোগ করেননা।  দীর্ঘদিনের আন্দোলন সংগ্রামের ঐতিহ্য ধারণ করা এই নারায়ণগঞ্জ বিএনপিকে একেবারেই অস্তিত্বহীন করতে চাচ্ছেন জেলার বর্তমান সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান এমনটাই জানিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। তিনি যোগাযোগ না করলেও তার সাথে যোগাযোগ করতে চেয়েও তা করতে পারেননি দলের নেতাকর্মীরা। এখনো কর্মসূচীর আগে অনেকেই চেষ্টা করেন কাজী মনিরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করে কর্মসূচী পালন করতে কিন্তু তিনি কারো সাথেই যোগাযোগ করেন না। জেলা বিএনপির একজন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জানান, কমিটি পাবার পর থেকে প্রথম দুতিনদিন যোগাযোগ হলেও দলের নেতাকর্মীদের সাথে তিনি এখন আর যোগাযোগ করেন না। আমরা কর্মসূচীর ব্যাপারে কোন দিক নির্দেশনা পাইনা। কেন্দ্র থেকে জেলার সভাপতিকে কর্মসূচীর ব্যাপারে জানালেও তিনি জেলার নেতাকর্মীদের কিছুই জানান না। এভাবে একটি সংগঠন চলতে পারেনা। এদিকে কাজী মনিরুজ্জামানের এহেন কর্মকান্ডে ক্রমশই ক্ষুব্দ হয়ে উঠছে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। অতিদ্রুত এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য হয়তো জেলা বিএনপির নতুন নেতৃত্ব হয়তো সভাপতির সক্রিয়তায় কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

বিএনপিতে ফাতেমা ছাড়া বিশ^স্ত কেউ নেই : শামীম ওসমান

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমা আক্তারকে দলের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব দেয়ার প্রস্তাব করলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমান। তিনি বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করার মামলায় কারাভোগ করছে। দলের প্রধান হিসাবে কাকে দায়িত্ব দিবে ম্যাডাম বুঝে উঠতে পারছে না। দলের দায়িত্ব দেয়ার মত একটা বিশ্বস্ত লোক পাচ্ছে না। ম্যাডাম তারেক জিয়াকে দায়িত্ব দিবে কিন্তু দেশের মানুষের টাকা চুরি করে দেশের বাইরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাই ফাতেমার চেয়ে বিশ্বস্ত লোক পাবে না। কারণ খালেদা জিয়া জেল খানায়, ওনার সাথে ফাতেমাও জেল খাটছে। ফাতেমা কাজের লোক হতে পারে, সে কাজ করে খায়, চুরি করে তো আর খায় না। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার বক্তাবলীর লক্ষ্মীনগর মাদ্রাসার মাঠে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের উদ্দেগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শামীম ওসমান বলেন, সামনে অনেক কিছু হবে। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মধ্যে বড় কিছু হতে পারে। অনেকে মাঠে নেমে গেছে। তারা অনক কিছুর পরিকল্পনা করছে। বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য লাফালাফি করছে। তারা গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ মারবে তারা ক্ষমতায় আসতে চায়। যারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ১৬ জুন চাষাঢ়া আওয়ামীলীগ অফিসে বোমা হামলা করে মানুষ হত্যা করেছে তারা আবার গণতন্ত্রের কথা বলে ক্ষমতার লোভ করে। যে বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার আলবদর ও আমাদের মা বোনের উজ্জত লুটে নিয়ে সেই গোলাম আযম নিজামীদের গাড়িতে পতাকা উড়িয়ে দিয়েছে। সেই বিএনপির চেয়ারপারসন হওয়ার মত লোক খুঁজে পাচ্ছে না। সামনে সময় আসছে বিএনপির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শামীম ওসমান আরো বলেন, ‘আমরা দুধ চাই, চুন চাই না। আমার খারাপ লোকের দরকার নাই। এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করবে মাদক বিক্রি করবে এমন লোক আমার দরকার নাই। স্বচ্ছ ও ভাল লোক নিয়ে রাজনীতি করতে চাই। আমি নিজে খারাপ লোক হতে পারি দলের কর্মীরা খারাপ হতে পারে না। আগে চিন্তা করতাম দলের জন্য এখন চিন্তা করি দেশের মানুষের জন্য। দেশ কিভাব ভাল চলবে কিভাবে দেশের মানুষ ভাল থাকবে। ’শামীম ওসমান অভিযোগ করেন, ‘আমার সাবেক এমপিদের কারনে আমি বিপদে পরে গেছি। সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন ও কবরী কাজ তো করেই নাই, উল্টো মসজিদ কবরস্থানের টাকা খেয়ে ফেলেছে। আমার নেতা শওকত ভাই কে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাই একটু অসুবিদা হইতাছে।’ তিনি দাবী করে আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের এমপিদের মধ্যে আমি সবচাইতে বেশি কাজ করছি। বক্তাবলীতে এখন ফেরী চলছে। ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে শীঘ্রই বক্তবলীতে একটি টেকনিক্যাল স্কুল নির্মান করা হবে। আমি এমন কাজ করবো যা দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বক্তাবলীতে আসবে।’ শামীম ওসমান আরো বলেন, আমি আমেরিকায় প্রতিদিন ১৯ ঘণ্টা কৃষকের কাজ করেছি। তার পরও কারো কাছে হাত পাতিনি। কষ্ট কি জিনিস আমি বুঝেছি। এখন একটা জিনিসই বুঝি আল্লাহ ছাড়া সবই ভুয়া। রাজনীতি করে এমপি মন্ত্রী হওয়া যাবে কোন কিছুই লাভ হবে না। সব কিছুতেই আল্লাহকে খুশী করতে হবে। আল্লাহকে খুশি করে রাজনীতি করতে চাই। আমি এখন সভা সমাবেশে বক্তব্য দেয়ার চেয়ে ওয়াজ বেশি করি। মতবিনিময় সভায় বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আফাজ উদ্দিন ভূইয়ার সভাপতিত্বে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শওকত আলী, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ, মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল প্রমুখ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক, জেলা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া, কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর মাস্টার, ফতুল্লা থানা যুবলীগের যুগ্ম সস্পাদক আনোয়ার হোসেন, বক্তাবলী ইউপি সদস্য আতাউর রহমান, রাসেল চৌধুরী, বক্তাবলী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সদর উদ্দিন, যুবলীগ নেতা ববি বাদল, মহিউদ্দিন, আনোয়ার হাসান, রাশেদুল ইসলাম সুমন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

ই-৫ পি-১ কলাম-২ (ছবি-১৩ কলাম-২)

সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে ৫টি ট্রলার

ফ্রি করলেন সেলিম ওসমান

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে অনিয়ম ও নৌকার মাঝিদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সংবাদ প্রকাশের পর গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে উপস্থিত হয়ে সাধারণ যাত্রীদের পারাপারে সুবিধার্থে ৫টি ট্রলার সম্পূর্ন ভাবে ফ্রি করে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। যিনি এর আগে ২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বন্দর খেয়াঘাটি দিয়ে যাত্রী পারাপার সম্পূর্ন টোল ফ্রি করে দিয়েছেন। এমপির ঘোষণার পর পরই ৫টি ট্রলার দিয়ে ফ্রি যাত্রী পারাপার শুরু করা হয়। যার ফলে ঘাটে থাকা ১০টি ট্রলারের মধ্যে এখন থেকে ৫টি ট্রলার দিয়ে ২ টাকা ভাড়া এবং অপরদিকে ৫টি ট্রলার দিয়ে সম্পূর্ন ফ্রি যাত্রী পারাপার করা হবে। অপরদিকে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা নৌকার ভাড়া কোন অবস্থায় ৩ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না বলেও কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বন্দর খেয়াঘাটে উপস্থিত হয়ে নৌকার মাঝিদের সাথে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন তিনি। এ সময় মাঝিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জনগনের সুবিধার্থে বন্দর খেয়াঘাটটি টোল ফ্রি করে দিয়েছি। কিন্তু সরকারকে নিয়মিত ইজারার টাকার পরিশোধ করছি। আগে আপনারা ইজারাদারকে নৌকা প্রতি প্রতিদিন ৩০টাকা করে টোল দিতেন। সেটাও আপনাদের মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। কথা ছিল আপনারা ২ টাকার বেশি যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নিবেন না। কিন্তু আপনারা সেই কথা রাখেন নাই। আপনারা সাধারণ মানুষের উপর মানুষের উপর জুলুম করছেন। নেতা হওয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নৌকা নামাবেন, জুয়ার বোর্ড চালাবেন, এটা হতে পারে না। এই টাকা কে নেয়, নাম বলেন। সে যেই হোক না কেন, তাকে ছাড় দেয়া হবে না। মানুষকে সেবা দিতে নৌকা চালাবেন জুলুম করার জন্য নয়। আর যদি নৌকার মাঝিরা সাধারণ মানুষের উপর জুলুম করেন তাহলে প্রয়োজনে ১০টি ট্রলারই ফ্রি চলাচল করবে। সেলিম ওসমানের এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মাঝিরা বলেন, আপনি যে সিন্ধান্ত দিবেন আমরা সেই সিন্ধান্ত মেনে নিব। তবে, আমরা আপনার সাথে কথা বলতে চাই। তাদের এ দাবির প্রেক্ষিতে সেলিম ওসমান আগামীকাল (বুধবার) আবার সেন্ট্রাল ঘাটে আসবেন বলে ঘোষণা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবু জাহের, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা ওসি কামরুল ইসলাম, বন্দর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  শাহীন মন্ডল, নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেওয়াজ সহ অন্যান্যরা।

 

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি ব্যর্থ !

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে দলীয় কোন্দল এতটাই চরম আকার ধারণ করেছে যে, শেষ পর্যন্ত মহানগর বিএনপির এক শীর্ষ নেতা নিজেই স্বীকার করলেন দলের মধ্যে বিভাজনের কারণে আন্দোলন সংগ্রাম যেমন চাঙ্গা হচ্ছে না, তেমনই নারায়ণগঞ্জের রাজপথও বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা দখলে নিতে পারছেনা। গতকাল এমনটাই মন্তব্য করেছেন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। একটি অনলাইনের সাথে আলাপকালে এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, “সবাই এক হতে পারছে না এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ প্রতিটি আসন থেকেই একাধিক ব্যক্তি মনোনয়ন চাচ্ছেন। তাঁরা সকলে যদি কিছু কিছু লোক নিয়ে কর্মসূচিতে আসেন, তাহলে লোকে লোকারণ্য হয়ে যেত। এছাড়াও অনেকে পদপদবী আকড়ে ধরে আছেন, এরমধ্যে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠন থেকেও যদি কিছু কিছু লোক নিয়ে অংশগ্রহণ করে তবে, ব্যাপকভাবে কর্মসূচিগুলো পালন করা সম্ভব।” তিনি বলেন, “প্রতিটি কর্মসূচিতেই আমি থাকছি আমার অনুসারি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে। আমি আশা করবো একই ভাবে অন্যারাও আগামী কর্মসূচিগুলোতে আসবে। আমরা একটি প্লাটফর্মে দাঁড়াতে পারবো বলে বিশ্বাস করি।  বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দন্ডিত হয়ে ৪০ দিন যাবত কারাবাস করছেন। অনেকের ধারণা ছিল, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হলে দেশ ব্যাপী গণ আন্দোলন গড়ে উঠবে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে দুর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলাসহ রাজপথ দখলের হুমকি একাধিক বার দেয়ার পরও রাজপথে শীর্ষ নেতাদের দেখা যায়নি। মাঝে মধ্যে কয়েকটা ফটো শেসনের মাধ্যমে কর্মসূচি পালন করলেও বাস্তবে মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে পারেনি। উল্টো শীর্ষ নেতারা আরাম-আয়েশে ঘরে বসে দিন কাটিয়েছে আর সাধারণ নেতা-কর্মীরা হামলা-মামলার শিকার হয়েছে। রাজনৈতিক মাঠে বিএনপি মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মী সমর্থকদের টানতে পারাতো দুরের কথা আন্দোলন সংগ্রামে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ সাধারণ নেতা-কর্মীরা মাঠে নামার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকলেও পদ-পদবী দখলকারী আর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অনেকটা গাঁ বাচিয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছে। এ ব্যপারে একাধিক কর্মী-সমর্থকদের বক্তব্য পুলিশী হামলা মামলার ভয়ে যারা আত্মগোপন করে আছে তাদের রাজনীতিতে থাকার বৈধ কোন অধিকার নেই। দলীয় প্রধান কারাগারে রয়েছে ৪০ দিন পার হয়েছে অথচ নারায়ণগঞ্জে চোখে পড়ার মতো সভা সমাবেশ স্থানীয় শীর্ষ নেতারা করতে পারেনি। অথচ রাজধানী ঢাকাতে পুলিশের শত অত্যাচার নির্যাতনের পরও হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক এক হয়েছে। একই অবস্থা চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনাতেও পুলিশের বাধা অতিক্রম করে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের সমাবেশ ঘটেছে। যা নারায়ণগঞ্জের নেতারা একেবারেই করতে পারেনি। হাজার হাজার নেতা-কর্মী সমর্থকদের সমাবেশতো দুরের কথা এ পর্যন্ত যত গুলি কর্মসূচি পালিত হয়েছে এইসব কর্মসূচিতে নেতা-কর্মী মিলিয়ে শতকের কোঠা পার হয়নি। অথচ বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাপ ঠিকই আছে। নেই শুধু কর্মী-সমর্থকদের সাথে সম্পৃক্ততা। যার ফলে নারায়ণগঞ্জে এ পর্যন্ত খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর সকল কর্মসূচিই ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের দাবি, শুধু মাত্র মনোনয়ন প্রত্যাশীরা যদি তাঁদের কর্মী সমর্থক নিয়ে মাঠে নামেন তবে, প্রতিটি কর্মসূচিতেই লোকে লোকারণ্য হবে। উজ্জীবিত হয়ে ওঠবে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও। কিন্তু সে হচ্ছে না। বারবারই ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে দলটির দায়িত্বশীলরা। এরমধ্যে জেলা বিএনপির অঘোষিত তিন নিয়ন্ত্রক কাজী মনির, নজরুল ইসলাম আজাদ কখনোই দলীয় কর্মসূচিতে আসছেন না। এমনকি তাঁদের কর্মী-সমর্থকরাও না। অথচ এরাই আগামী নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন পেতে উদগ্রীব হয়ে আছে। এমনকি মনোনয়ন বাগাতে এরাই নানা কূটকৌশলে পকেট কমিটি গঠন করিয়েছেন অর্থের বিনিময়ে। মাইনাস করেছেন অনেক নেতাকর্মীকে। দলের সুদিনে যারা অর্থবিত্তের মালিক হয়েছে তারা এখন দলের দু:সময়ে নেতা-কর্মীদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে না। এক কথায় খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতারা ব্যর্থ বলে দাবি তৃনমূল পর্যায়ের নেতা-কমী সমর্থকদের।

২২ মার্চ আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবো :প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিসি…

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা রাব্বী মিয়া বলেছেন, আগামী ২২ মার্চ আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হতে যাচ্ছি। আর এই সাফ্যকে আমাদেরকে সকলের কাছে তুলে ধরতে হবে। এই সাফল্যকে ধরে রাখতে আমরা সকলে যেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের কল্যানে একসাথে কাজ করতে পারি সেই দিকে আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিন্ম আয়ের দেশ হতে নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরনের যোগ্যতা অর্জনের ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডিসি আরো বলেন, বাংলাদেশ নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হওয়ার জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষনা হওয়ার পর আগামী ৩ বছর পর্যন্ত আমাদেরকে পর্যবেক্ষনে রাখা হবে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য ট্যাক্স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিয়মিত ট্যাক্স না দিলে দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। সরকারী কর্মকর্তা আর কর্মচারীদের উপরে যত বেশী চাপ থাকবে মানুষের কল্যানে তারা তত বেশী কাজ করবে। দেশের সকল কর্মক্ষেত্রে বেতন ভাতা ষ্টান্ডার্ড মানের করেছে বর্তমান সরকার। তাই আজ বাসা বাড়িতে কাজের লোকের সংখ্যা খুবই কমে গেছে। জেলা প্রশাসক দাবী করেন, আমরা ইচ্ছা করলে এই নারায়ণগঞ্জকে আরো বেশী হাইলাইটস্ করতে পারি। বাংলাদেশের সকল জেলার চেয়ে বেশী শিল্প সমৃদ্ধির জেলা এই নারায়ণগঞ্জ। এই জেলার প্রচুর পরিমানে শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মাদকের বিষয়ে কারো সাথে কোন প্রকার আপোষ করা যাবে না। সরকার নিষিদ্ধ ব্যাটারি চালিত গাড়িগুলোর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষনা আসবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই। নদী দূষন, পরিবেশ দূষন আর পানি দূষন রোধে আমরা অনেক কাজ করছি। আমরা আমাদের নদীগুলোকে দূষনের কবল থেকে মুক্ত করতে আমরা একটা সময়ের মধ্যেই তা করতে পারবো। মুখে সুন্দর সুন্দর কথার চেয়ে বাস্তবায়ন করাই হলো আমাদের অতীব জরুরী কাজ। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি থানার ওয়ার্ড থেকেই উন্নয়ন মূলক কাজগুলোর জরিপ করছেন। কার এলাকায় কতটুকু আর কি পরিমান কাজ হয়েছে। ইতিমধ্যেই শীতলক্ষ্যা নদীর দূষন রোধ করার জন্য মেগা প্রজেক্টের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। ডিসি বলেন, স্কুল ড্রেস পরে কোন ছেলে-মেয়ে পার্কে ঘুরতে পারবে না। ওরা আমাকে যত পারে গালি দিক। তবুও ওরা পার্কে গিয়ে ঘুরাফেরা করতে পারবে না। সদর উপজেলার ফতুল্লার কাশিপুরে পথশিশু নিবাস ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাশ্রম তৈরীর প্রকল্পের কাজের প্রোফাইল তৈরী করে ইতিমধ্যেই মন্ত্রানালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের ভেতরে বন্দিদের জন্য মিনি গার্মেন্টস তৈরী করা সারা দেশের জন্য একটি মাইলক ফলক দৃষ্টান্ত বলে আমরা মনে করছি। অনুষ্ঠানে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল হামিদ মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জসিম উদ্দিন হায়দার প্রমুখ।

 

 

 

 

নারায়ণগঞ্জ দূষণের শহরে পরিণত

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

সারা দেশের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ শহরটি মার্চ মাসে সবচেয়ে রেকর্ড করা দুষণের শহরে পরিণত হয়েছে। বাতাসের মান অনুযায়ী ৫৩৮ স্কোর করে ইতোমধ্যে রেকর্ড করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইউএস এনভায়রনমেন্ট প্রোটেকশন এজন্সি) দ্বারা প্রস্তুতকৃত বায়ুর গুণমান সূচক অনুয়ায়ী গতকাল বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর হিসেবে ঢাকা শহর পুনরায় স্থান পায়। এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের শেষের দিকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর হিসেবে ৩৩৯ নম্বরে ঢাকা একটি খুবই অস্বাস্থ্যকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সূচকের তালিকা অনুযায়ী, ৩শ এর উপরে একটি বায়ু মানের দিক দিয়ে বিপদজনক অবস্থান বুঝায়, যখন ৫০ এর নীচে অবস্থান করাকে সুস্থ বাতাস বলে মনে করা হয়। তাই ০-৫০ পর্যন্ত বায়ুর গুণমান ভাল বলে বিবেচিত , ৫১-১০০ মধ্যপন্থী, ১০১-১৫০ সতর্কতা, ১৫১-২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-৫০০ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। চিকিৎস বিশেষজ্ঞদের মতে, বাতাসে ধুলো সংকেত সাধারণত শুষ্ক মৌসুমে পাঁচগুণ বৃদ্ধি পায়, এবং নির্মাণস্থাল থেকে ধুলো কণা পরিস্থিতি আরো খারাপ করে তোলে। ধুলো শ্বাসযন্ত্রের সিস্টেমকে মারাতœকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে এবং বিভিন্ন ফুসফুসের রোগগুলির পাশাপাশি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামনের কারণ হতে পারে। বিভাগের ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকায় বায়ূ দূষণের স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে আসে। নগরবাসী বলছেন, ‘নারায়ণগঞ্জ শহরে অসংখ্যক মিল-ফ্যাক্টরী রয়েছে। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ধরনের শিল্প কারখানা গড়ে উঠার কারণে এই শহর দূষণের রেকর্ড গড়েছে। এতে করে শহরের মানুষ ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়বে। তাই দূষণের দিক বিবেচনা করে কোন শহরে কতটুকু শিল্প নগরী গড়ে তোলা প্রয়োজন তা আগে থেকে পরিকল্পনা করা দরকার। আর এই হিসেবে এই জেলাতে যতটুকু বেশি শিল্প নগরী গড়ে উঠেছে তা অন্যত্র পুনর্বাসন করা দরকার। আর দূষণের মাত্রা হিসেবে সারা দেশেরই শিল্প নগরীগুলোকে পুনর্বাসন করা দরকার। নতুবা এই দেশের দূষণের মাত্রা বেড়েই চলবে।’

জেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা যুবদল। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের গলিতে এ কর্মসূচী পালন করে অঙ্গ সংগঠনটি। এতে জেলা যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুকুল, আড়াইহাজার থানা যুবদলের আহবায়ক জুয়েল আহম্মেদ, ফতুল্লার থানা যুবদলের সহ-সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, রূপগঞ্জ থানা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন, এনায়েতনগর ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি মনির হোসেন, জুম্মনসহ শতাধিক নেতাকর্মী। এটিএম কামাল বক্তব্যে বলেন, মৃত্যু উপাত্যকা ও কারাগারের দেশে আমরা বাস করছি। এখন কাউকে ধরতে, মামলা দিতে কোন কারণ প্রয়োজন হয়না পুলিশের। স্বাধীন দেশেও এদেশের নাগরিকরা আজ পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ। মোশারফ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়াকে বন্দি রেখে সরকার যদি মনে করে থাকে বিএনপি নিঃশেষ হয়ে গেছে এবং দেশে আবারো একতরফা নির্বাচন করে ফেলবে তাহলে সরকার বোকার স্বর্গে বাস করছে। বাংলাদেশের মাটিতে বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া আর কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবেনা।