আজ : মঙ্গলবার: ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ইং | ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী | সকাল ৯:১০
BADAL
শিরোনাম
ডিএনডি’র জলাবদ্ধতায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান পানির নিচে-❋-আওয়ামীলীগে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের কেন্দ্রীয় হুশিয়ারি...-❋-হকার ইস্যুতে আবারও অশান্ত হওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জ !-❋-ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের বেহাল দশা রোদে ধুলা-বৃষ্টিতে কাদায় জনভোগান্তি-❋-লন্ডনের কার্টেজ হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার শফিকুলের সাথে আলোচনা-❋-সকল মানুষেরই প্রাণের মায়া আছে :লিপি ওসমান-❋-নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনীতে ডিসি : ফাস্টফুড আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর-❋-সাড়ে চার কোটি টাকার মাদক ধ্বংস !-❋-মাঠে নামার প্রস্তুতিতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি-❋-ওয়াসার দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহারের অযোগ্য ॥ সীমাহীন ভোগান্তিতে নারায়ণগঞ্জবাসী

বিরোধে জড়িয়ে পড়ছে তিন এমপি…

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বিরোধে জড়িয়ে পড়ছেন আওয়ামীলীগের তিন এমপি। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের স্থানীয় আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন আওয়ামীলীগের অপর দুই সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবু। রূপগঞ্জে আওয়ামীলীগের দুটি বলয়ের মধ্যে শাহজাহান ভূইয়া ও রফিকুল ইসলামের পক্ষ নিয়েছেন শামীম ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবু। জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগের এমপি শামীম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের আওয়ামীলীগের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু। আওয়ামীলীগের এ দুই নেতার মধ্যে মামা ভাগনে সম্পর্ক। ইতোপূর্বে এ দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তেমন একটা সুখখর দেখা যায়নি। কিন্তু আগামী জাতীয় নির্বাচন যখন কাছে চলে আসছে তখন মামা ভাগনে একসাথে মিলিত হয়েছেন। রূপগঞ্জ আসন থেকে গাজী গোলাম দস্তগীর টানা দুবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। গাজী এমপি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় আওয়ামীলীগের একটি বিশাল অংশের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন গাজী এমপি। এমপি গাজীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান ভূইয়া। এ শাহজাহান ভূইয়া মুলত জেলার প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানের বলয়ে রাজনীতি করছেন। একাধিকবার এমপি গাজী ও শাহজাহান ভূইয়া গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ইতিমধ্যে এ আসনে দুটি হত্যাকান্ডের ঘটনাও ঘটেছে। মুড়াপাড়ায় যুবলীগ কর্মী জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় আসামি  হয়েছিলেন শাহজাহান ভূইয়া সহ তার অনুগত নেতাকর্মীরা। ৮ ফেব্রুয়ারি সংঘর্ষে নিহত সুমন হত্যা মামলায় শাহজাহান ভূইয়া অনুগামী রফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান সহ তাদের অনুগত ১৭ নেতাকর্মী আসামি হয়েছেন। এদিকে আওয়ামীলীগের এমপি গাজী গোলাম দস্তগীর ও আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম সমর্থকদের সংঘর্ষে সৃষ্ট হত্যাকান্ডের মামলায় আদালত থেকে শাহজাহান ভূইয়া সমর্থক ১৩ নেতাকর্মী জামিন পেয়েছেন। এ ঘটনার পর বুধবার রাতেই রূপগঞ্জে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় উপস্থিত হন শামীম  ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবু। এতে শাহজাহান ভূইয়া ও রফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যানও উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুমন হত্যা মামলায় আওয়ামীলীগের ১৩ নেতাকর্মী জামিন পান। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম এর আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করলে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এখানে উল্লেখ্য গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির নাশকতা ঠেকাতে গিয়ে আধিপত্য বিস্তার ও একই স্থানে অবস্থান নেয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে এমপি গাজী সমর্থক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুমন মিয়া গুলিবিদ্ধ হলে হাসপাতালে নেয়া হলে তিনি মারা যার। নিহত সুমন মিয়া উপজেলার গন্ধবপুর এলাকার মনু মিয়ার ছেলে। সুমন হত্যার ঘটনার একদিন পর রূপগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। একটি মামলার বাদি হয় থানা পুলিশ ও অপর মামলার বাদি নিহত সুমন মিয়ার শাশুড়ি কাজল রেখা। পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।  সুমন মিয়ার শাশুড়ি কাজল রেখা বাদি হয়ে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সহ তার অনুসারি ১৭ জনের নাম উল্ল্যেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় বায়জেদ কারাগারে রয়েছেন। এ মামলায় আসামি ছিলেন শাহজাহান ভূইয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সালাউদ্দীন মেম্বার, শফিক মিয়া, আবদুল আউয়াল, মাসুম চৌধুরী অপু, আলেক মিয়া, জাকির, রাসেল, মহসীন, নবী, মাসুম, বায়েজীদ, আলম, হানিফা, সোলমান, রনি ও দুলাল মিয়া। এদের মধ্যে বায়েজীদ কারাগারে এবং চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, শফিক মিয়া ও মাসুম চৌধুরী অপু আত্মসমর্পন করেননি। বাকি আসামিরা জামিন পান।

অবশেষে চাচীর কোলে ঠাঁই হলো সেই শিশুটির

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ফতুল্লায় গৃহবধূ রিমা আক্তার (২২) হত্যার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি। নিহত রিমার বাবা-মায়ের পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় পুলিশ কোনো মামলা রেকর্ড করতে পারেনি। এঘটনায় পলাতক স্বামী আলামিনের অবস্থানও সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে মায়ের লাশের সাথে তিনদিন ধরে তালাবদ্ধ ঘরে থাকা দেড় বছরের শিশুপুত্র নাহিদ তাঁর চাচীর আশ্রয়ে রয়েছে। মা হারা শিশুটিকে দোকান থেকে কেনা তরল দুধ খাইয়ে রাখা হচ্ছে। ময়না তদন্ত শেষে নিহত রিমার মৃতদেহ স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বারের কাছে দাফনের জন্য হস্তান্তর করেছে পুলিশ। এলাকাবাসী জানান, আল আমিনের বাবা আছিলা সর্দার ৬ বিয়ে করেছে। আল আমিন ওই ষষ্ঠ স্ত্রী জোবেদা বেগমের ছেলে। ৬ ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট আল আমিন। আছিলা সর্দারের মৃত্যুর পর আল আমিন ও তার বড় ভাই বাবু দুই শতাংশ জমিতে টিনের ছাপড়া ঘর তুলে দুই রুমে দুই জন স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করছে। তার মা জোবেদা আল আমিনের সঙ্গেই থাকেন। ঘটনার দিন কোথায় ছিল কেউ তাকে দেখেনি। ফতুল্লা মডেল থানার এসআই অটল দাস জানান, নিহত রিমার এক আত্মীয়র মোবাইল নাম্বার পেয়ে পরিচয় জানার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেই ব্যক্তি পরিচয় জানাতে পারেনি। শুক্রবার পর্যন্ত অপেক্ষা করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে। নিহতের দেড় বছরের পুত্র সন্তান নাহিদকে তার চাচী মাহিনুরের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। আর রিমার লাশ ময়না তদন্ত শেষে ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য মালেক মেম্বারের কাছে দাফনের জন্য দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, রিমা’র ঘাতক স্বামী আল আমিনকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তার মা জোবেদা বেগমও আত্মগোপন করেছে। তারও সন্ধানে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। মাহিনুর বেগম জানান, আমার স্বামী বাবুকে কয়েক মাস আগে তার ছোট ভাই আল আমিন পুলিশ দিয়ে মাদকসহ ধরিয়ে দেয়। এরপর থেকে পাশাপাশি ঘর হলেও আল আমিনের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ নেই। ছিনথিয়া (৫) নামে আমার এক কন্যা সন্তান আছে। তিন বছর পূর্বে আমার আরেক দেবর শুক্কুরের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে মারা যায়। জুনায়েদ (২) নামে তাদের এক পুত্র সন্তানকে আমি লালন পালন করছি। এখন আরেক দেবর আল আমিন তার স্ত্রীকে হত্যা করে শিশু রেখে পালিয়েছে। এখন এই সন্তানও আমি লালন পালন করবো। এজন্য শর্তসাপেক্ষে শিশু নাহিদকে থানা পুলিশের কাছ থেকে বুঝে নিয়েছি। ইউপি সদস্য মালেক মেম্বার জানান, নিহতের কোন আত্মীয় স্বজন না থাকায় জনপ্রতিনিধি হিসেবে লাশ গ্রহন করে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করেছি। এহত্যাকান্ডের ন্যায় বিচার দাবী করি। প্রসঙ্গত, ফতুল্লার কোতালেরবাগ বৌবাজার এলাকায় স্ত্রী রিমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশের পাশে দেড় বছরের শিশু সন্তান নাহিদকে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী আলআমিন। আর শিশু নাহিদ মৃত মায়ের আঙ্গুল চুষে কাটিয়ে দেয় ৩দিন। ক্ষুধার যন্ত্রনা আর পচা দূর্গন্ধ সহ্য করতে না পেরে অনবরত কান্না করতে থাকে। নাহিদের কান্নার শব্দ শুনে পাশ্ববর্তী বাড়ির এক গৃহবধূ তালাবদ্ধ ঘরের কাছে গিয়ে দূর্গন্ধ পায়। এরপর আশপাশের লোকজনদের ডেকে এনে দরজা খুলে শিশুটিকে পচা লাশের পাশ থেকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে বুধবার বিকেল ৬টায় ওই বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

 

 

আইনজীবীর জিম্মায় বিএনপির পঞ্চাশ নেতাকর্মী

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

রূপগঞ্জ থানার দুইটি নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলায় আত্মসমর্পণের পর আইনজীবীর জিম্মায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়ার জামিন বহাল রেখেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আনিসুর রহমান নিন্ম আদালতে নথিপত্র পেশ করার নির্দেশনা দিয়ে দিপু ভূঁইয়াসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর জামিন আইনজীবীর জিম্মায় বহাল রাখেন। গত বুধবার দিপু ভূঁইয়া তার আইনজীবীদের মাধ্যমে আদালতে জামিননামা দাখিল করেছিলেন। এর আগে উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিনে ছিলেন তিনি। দিপু ভূঁইয়ার আইনজীবী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের সাতটি থানায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ১৩ টি মামলা দায়ের করা হলেও একটির কোথাও নাশকতার ঘটনা ঘটেনি। অথচ, সরকারের উদ্দেশ্য প্রণোদিত এই মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে আজ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া সহ নারায়ণগঞ্জের বহু নেতাকর্মীদের আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে।’  তিনি জানান, ‘আদালত নিন্ম আদালতে আসামীদের জামিননামার নথিপত্র পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আশাবাদী নিন্ম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদনের পর সুবিচার পাবো।’ আর কখনো সংঘাতের রাজনীতি করেননি দাবী করে দিপু ভূঁইয়া বলেন, ‘এগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা। এই মামলার কোন ভিত্তি নেই। অচিরেই এই সব মিথ্যা মামলা হতে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল রাজবন্দীরা মুক্তি পাবে। আমরা একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করবো।’এসময় উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ থানা যুবদলের সভাপতি গোলাম ফারুক খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাকির হোসেন, তারাব পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সালাউদ্দিন দেওয়ান, হাফিজুর রহমান, নাহিম খান, মো: শাহ আলম, জাহিদুল ইসলাম, ভুলতা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, রূপগঞ্জ থানা জিয়া শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি মো: সেলিম ভূঁইয়া সহ রূপগঞ্জ উপজেলার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

জেলা পর্যায়ে সেইপ অবহিতকরন কর্মশালায় ডিসি : দক্ষতা অর্জনকারী চাকুরী পাবে

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রাব্বী মিয়া বলেছেন, ‘আগামী ২০২০ সালের মধ্যে দেশে পাঁচ লাখ দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যেই অর্থ মন্ত্রনালয়ের অর্থ বিভাগের অধীনে এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারী খরচে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, তন্মধ্যে ৭০ শতাংশ প্রশিক্ষনার্থীর চাকুরীর সুযোগ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে, কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।’ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পায়াকট বাংলাদেশের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন আয়োজিত অর্থ মন্ত্রনালয়ধীন অর্থ বিভাগের সামাজিক প্রচারাভিযান স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ) জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো: মোখলেছুর রহমান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো: হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়া, পায়াকট বাংলাদেশ প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো: জিয়া উদ্দিন, স্যোশাল মার্কেটিং অফিসার আরিফুল হক, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজ, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী শওকত আলী, জেলা পরিষদের সদস্য এড. পারভীন আক্তার কবিতা, নাসিক মহিলা কাউন্সিলর শারমিন হাবিব বিন্নি, শাওন অংকন, কল্যাণী সেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ডা: জিএম জব্বার চিশতি, এনজিও নেটওয়ার্কস ফোরামের নির্বাহী পরিচালক প্রদীপ কুমার দাশ প্রমুখ। সামাজিক প্রচারাভিযান স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ) অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালায় তুলে ধরা হয়েছে, দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ) বাস্তবায়ন করছে। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যে দেশে পাঁচ লক্ষ দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে। সুবিধা বঞ্চিত মানুষ যেমন- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর, চর ও হাওরসহ দুর্গম এলাকার অধিবাসী, বিলুপ্ত ছিট মহলের বাসিন্দা ও প্রতিবন্দ্বী জনগোষ্ঠীর কমপক্ষে এক লক্ষ জনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানে সহায়তা করা হবে। এছাড়াও প্রশিক্ষণ চলাকালে এই জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ ভাতার পাশাপাশি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে বলে জানান, পায়াকট বাংলাদেশ প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো: জিয়া উদ্দিন।

 

 

রাজনৈতিক উন্নয়নের জন্য আইভীকে কাছে টানতে চান শামীম ওসমান

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ক্ষমতাশীন দল আওয়ামীলীগের দুই প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি এমপি শামীম ওসমান ও মেয়র ডা: সেলিনা হায়াত আইভীর মধ্যকার সাপে-নেউলে সম্পর্ক বিশ^ব্যাপী সমাদৃত হলেও দলের স্বার্থে মান অভিমান ভুলে অনেকবারই ছোট বোন আইভীকে ভালবাসার সহিত কাছে টেনে সম্পর্কের উন্নয়ণ ঘটানোর প্রয়াস চালিয়েছিলেন শামীম ওসমান। একমাত্র পুত্রের বিয়ের আমন্ত্রণ জানাতে কার্ড নিয়ে ঘন্টা ব্যাপী বাড়ীর নীচে অবস্থান করাসহ আইভীকে নিয়ে লং ড্রাইভে যাওয়ার মনোভাবও ব্যক্ত করেছিলেন শামীম ওসমান। রাজনীতির মাঠে ভুল পথে চলা ছোট বোন আইভীকে এজন্য মন খুলে কিছু বলার লক্ষ্যে শামীম ওসমান নিজ উদ্যোগে নগরীতে সভা সমাবেশও করেছিলেন। যেখানে তিনি ছোট বোনের উপস্থিতির মাধ্যমে দ্বন্দের পরিবর্তে সুসম্পর্কের বহি:প্রকাশ প্রমাণের অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছিলেন। কিন্তু চেষ্টা প্রত্যাশা স্বত্ত্বেও গালি হজম আর অপমানিত হওয়া ছাড়া আইভীর কাছ থেকে ভাল ব্যবহার কখনোই পাননি শামীম ওসমান বলে দাবী করেছেন তার অনুসারীরা। তাদের মতে, আইভী মুখে দলের মধ্যে কোন বিভেদ নেই দাবী করে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকার কথা বললেও বাস্তবে শামীম ওসমানকে গডফাদার বলে গালি দেয়ার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারকে নিয়ে বিদ্রুপ মন্তব্য করে এবং সম্প্রতি শামীম ওসমানের পুত্র অয়ন ওসমানের বিয়ের খরচ নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে আইভী নিজেই শামীম ওসমানের সাথে শত্রুর মত আচরন করে যাচ্ছেন। এমনকি সর্বশেষ হকার ইস্যুতে সংঘর্ষের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের এমপি ও মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য শামীম ওসমানের পরীক্ষিত কর্মী নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা দায়েরের লক্ষে অভিযোগ পত্র দাখিল করে ভাই বোনের সম্পর্কন্নোয়ণের পরিবর্তে শত্রুতা জিইয়ে রাখার প্রয়াস চালিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা: সেলিনা হায়াত আইভী বলে দাবী করেছেন আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। আর তাই তৃণমূলের মতে, শামীম ওসমান ছোট বোন আইভীর ভবিষ্যৎ রাজনীতি অন্ধকার দেখতে পেয়েছেন বলেই শংকা প্রকাশ করে বলেছেন, “আওয়ামীলীগে নেতৃত্বের কোন্দল থাকতে পারে, ঝগড়া হতে পারে, তার মানে এই না যে আমি আপনার দুশমন, আপনি আমার দুশমন। এগুলো বলতে খারাপ লাগে। আমি কষ্ট পাই, দু:খ পাই, লজ্জা পাই। যারা আওয়ামীলীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়, নির্যাতন করে, আগামীতে তাদের ভবিষ্যৎ খুব একটা ভালো হবে না।” শামীম ওসমান দাবী করে এও মন্তব্য করেন, “এখন চামচিকা পাখি হতে চায়, কাউয়া ময়ূর হতে চায়, গালি দেয়। আমাকেও গালি দেয়। এগুলো এখন আর গায়ে লাগে না, অভ্যস্ত হয়ে গেছি। কিন্তু কাউকে গালি দিয়ে বড় হওয়া যায় না, বরং ভালোবেসে কাছে টানতে হয়।” যদিও শামীম ওসমান গত বুধবার রূপগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামীলীগ আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় এমন বক্তব্য প্রদানকালে কারো নাম প্রকাশ করেননি, কিন্তু তৃণমূলের দাবী তিনি দলের যেসকল নেতাদের উদ্দেশ্যেই এহেন মন্তব্য করেছেন, তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছেন নাসিক মেয়র আইভী!

 

 

প্রস্তুতি নিচ্ছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীসহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার দাবীতে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার পাশপাশি পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি পালনের দিকনির্দেশনা দিতে সারাদেশে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে আবারো কর্মী সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি। এই লক্ষ্যে আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির কর্মীসভা সাফল্য মন্ডিত করার লক্ষ্যে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক সফরে আসছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। দলীয় সূত্রে জানাগেছে, সাংগঠনিক সফরের বিষয়ে অবগত করার লক্ষ্যে গত ২০ মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির কর্মীসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত টিম প্রধান, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এড. রুহুল কবির রিজভী। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের করনীয় নিয়ে আলোচনার ও মতামত গ্রহণের জন্য দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর পর্যায়ে দলের কর্মী সভা করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির জন্য এই সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির এই সভা সাফল্য মন্ডিত করার লক্ষ্যে আপনাকে দলনেতা করে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে কর্মী সভা সাফল্য মন্ডিত করতে আপনার নেতৃত্বে গঠিত টিমকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হইলো।” চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, উক্ত কর্মী সভা গুলোতে সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন। উপস্থিত থাকবেন, নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ, দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য, বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীগণ, বিএনপির জেলা মহানগর কমিটির সকল কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ, উপজেলা, পৌর ইউনিটের সভাপতি, ১নং সহ-সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, ১নং যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপি দলীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, গঠনতন্ত্র স্বীকৃত ৬ সহযোগী সংগঠনের জেলা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদকবৃন্দ। আর রুহুল কবির রিজভী প্রেরিত চিঠি অনুযায়ী কর্মী সভার প্রস্তুতি নিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারল সম্পাদক বরাবর সদ্য অনুলিপি প্রেরণ করেছেন নারায়ণগঞ্জের সাংগঠনিক টিমের প্রধান বরকত উল্লাহ বুলু। চিঠি প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে জানান, ‘কর্মী সভার লক্ষ্যে টিম প্রধান বরকত উল্লাহ ভুলুর প্রেরিত চিঠি গত বুধবার সন্ধ্যায় তার হস্তগত হয়েছে। যেহেতু আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে কর্মী সভা সফলের নির্দেশনা রয়েছে, সেহেতু সভার দিনক্ষণ নির্ধারনের লক্ষ্যে শীঘ্রই বরকত উল্লাহ বুলুর সাথে প্রস্তুতিমূলক সভা করা হবে।’ এটিএম কামাল প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আরো বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে কেন্দ্র আহূত জনসমাবেশ অনুমতির অভাবে চার দফায় স্থগিত হওয়ার কারনে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েও নেতাকর্মীরা ঢাকায় যেতে পারেনি। তাই মহানগর বিএনপির আয়োজনে কর্মী সভা সাফল্য মন্ডিত করার লক্ষ্যে এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হবে।’ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ও আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ যেই দিকনির্দেশনা দিবেন, তা পালনের মানসিকতায় মহানগর বিএনপি সদা প্রস্তুত রয়েছে বলেও দাবী করেন তিনি।

 

 

সাংসদ সেলিম ওসমানের রোগমুক্তি কামনায় নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ে দোয়া

 

বন্দর প্রতিনিধি

বন্দরে নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক/কমিটি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এ কে এম সেলিম ওসমানের রোগ মুক্তি কামনায় মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত। বৃহস্পতিবার সকালে নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রুমে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ এম এ রশিদের সভাপতিত্বে  মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারমেন গাজী এম এ সালাম, নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি গোলাপ হোসেন, আবুল কাশেম, মো: বিল্লাল হোসেন, ইবরাহিম মেম্বার, এনামুল হোসেন আকাশ, আক্তার হোসেন ভূঁইয়া, জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, মো: বদিউল আলম, মাজেদা বেগম, আলেয়া আক্তারসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী বৃন্দ। পরিশেষে সাংসদ সেলিম ওসমানের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করে দোয়া পরিচালনা করে হাফেজ ইসরাফিল।

 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

 

 

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ওপেন হাউজ ডে ও কমিউনিটি পুলিশিং মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কার্যালয়ের সামনে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স  ইনচার্জ  আব্দুস সাত্তার মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত নজরুল ইসলাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি অপরারেশন আজিজুল হক ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ ও ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরহাজ মতিউর রহমান মতি। ওপনে হাউজ ডে ও কমিউনিটি পুলিশিং মত বিনিমিয সভায় এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি পুলিশিং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সভাপতি মোঃ শাহআলম, সাধারন সম্পাদক তাজিম বাবুসহ ১ নং থেকে ১০ নং ওযার্ডের কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক ও উপেদেষ্টা মন্ডলী। সভায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুস সাত্তার মিয়া বলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভাল, পুলিশ  সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করায় থানা এলাকায় অপরাধ প্রবনতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে জনসাধারন পুলিশকে সহায়তা করার কারণে পুলিশও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হচ্ছে। তিনি আরোা বলেন ভাল ও সৎ পুলিশের পাশাপশি  দু একজন অসৎ পুলিশ থাকতে পারে তবে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করার আশ্বাস দেন ওসি। ওসি আব্দুস সাত্তার মিয়া বলেন মাদক এর সাথে কোন আপোষ নেই. মাদক ব্যবসা যেই করুক না কেন এবং যত বড়ই শক্তিশালী  হউক না কেন তাকে পুলিশ ছাড় দেবেনা এ জন্য তিনি জনসাধারনের সহযোগিতা কামনা করেন। ওসি তদন্ত নজরুল ইসলাম আরো বলেন পুলিশ জনগনের বন্ধু পুলিশ জনগনের জন্যই কাজ করছে প্রতিদিনই মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে গ্রেফতার হচ্ছে, আমরা মাদকের মামলা নিয়ে আসামী আদালতে পাঠাচ্ছি, কিন্তু সেখান থেকে জামিনে এসে পুনরায় মাদক ব্যবসা করলে প্রাথমিক পর্যায়ে এলাকাবাসীকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে, মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পুলিশকে দিলে পুলিশ এাকশন নিতে পারে তাই জন্য জনসাধারনের সার্বিক সহযোগিতা একান্ত দরকার। গত মাসে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায়  গত দু মাস আগের চেয়ে ১০০ টি মাদক মামলা বেশী দায়ের করা হয়েছে।। অনুষ্ঠানে আরো  বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম, কাউন্সিলর রেহেনা পারভিন, কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি শাহআলম, সাধারণ সম্পাদক তাজিম বাবু, ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্বাংশের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর টিপুসহ বিভিন্ন ওযার্ড থেকে আগত কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির নেতৃবৃন্দ। সভায় নেতৃবৃন্দ থানা পুলিশের একাধিক পুলিশের বিরুদ্দে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন।

নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগে নতুন করে শামীম-আইভীর বিরোধ বাড়ছে..

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগে কোন্দল দিন দিন আবারও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে । ওসমান পরিবারের সাথে চুনকা পরিবারের দ্বন্দ্ব নিরসনে কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত গড়ানোর পরও শামীম-আইভীর কোন্দল সাময়িকভাবে বোঝা না গেলেও দুই জনের দ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্য হতে শুরু করেছে। আওয়ামীলীগের এবারের বিভাজনে নতুন মেরু করণ দেখা যাচ্ছে। এতোদিন শামীম-আইভীর বিভাজন শহর ভিত্তিক থাকলেও এখন তা সমগ্র জেলাতেই ছড়িয়ে পড়েছে। জেলার ৫টি আসনেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা শামীম অথবা আইভী বলয়ে ভীড়তে শুরু করেছে। গত বুধবার রূপগঞ্জে প্রকাশ্যেই আওয়ামীলীগের এই বিভাজন দেখা গেছে। তবে মজার ব্যাপার হলো শামীম ওসমানকে পূঁজি করে যারা দলীয় পদ পদবী গ্রহণসহ শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের অনেকেই শামীম ওসমানের বলয় ছেড়ে আইভী বলয়ে ভীড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি আইভী বলয়ের কেউ কেউ শামীম ওসমানের বলয়ে চলে গেছে। তবে শামীম ওসমানের কর্মী বাহিনী আগের মতোই তার প্রতি আস্থা রেখে চলেছে। রূপগঞ্জের সাংসদ গাজী গোলাম দস্তগীর এখন অনেকটাই প্রকাশ্যে আইভী বলয়ে যোগ দিয়েছেন। অপর দিকে বসুন্ধরার আনভীর ছোবহান ও রফিকুল ইসলাম শামীম ওসমানের বলয়ে চলে এসেছে। সেই সাথে যোগ হয়েছে নজরুল ইসলাম বাবু এমপি। আগামীতে শামীম-আইভীর বিভাজন যে বাড়বে তা নেতা-কর্মীরা স্পষ্টত: বলে বেড়াচ্ছেন। গত সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে শামীম ওসমান মেয়র আইভীর পক্ষে কাজ করলেও আইভী তা মানতে নারাজ। সর্বশেষ হকার ইস্যুকে কেন্দ্র করে আইভী পন্থি ও শামীম পন্থিদের মধ্যে গত ১৬ জানুয়ারি সংঘর্ষের পর বিভাজন অনেকটা চুড়ান্ত রূপনেয়। সাধারণ নেতা-কমীদের মতে  নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী মেয়র আইভী এবং এমপি শামীম ওসমানের বিরোধ এখন চরমে। নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে অভ্যন্তরীন কোন্দল। তৃনমূল বলছে, এখনি লাগাম টেনে ধরা না গেলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগতে চরম মুল্য দিতে হবে। তৃনমূল নেতা-কর্মীরা জানায়, আওয়ামীলীগের জন্মস্থান নারায়ণগঞ্জ। আওয়ামীলীগের অনেক বাঘা বাঘা নেতা-নেত্রীর জন্ম এখানে। তাই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের শক্ত দূর্গ হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিত। জেলার ৫টি আসনেই বিশাল ভোটব্যাংক রয়েছে দলটির। সর্বশেষ ১০ম সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৩টি আসনে আওয়ামীলীগ এবং ২টি আসনে আওয়ামীলীগের শরীক জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়। আওয়ামীলীগ প্রার্থী না দেয়ায় এবং পাশে থাকায় ৫ আসনের উপনির্বাচনেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সেই নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগ এখন বিপরীত দুটি মেরুতে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। যার একটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিটি মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী অপরটি এমপি শামীম ওসমান। রাজনৈতিক মাঠে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। রাজনৈতিকভাবে ল্যাং মারার প্রবণতাও চলছে সমানতালে। হকার ইস্যুতে আইভী-শামীম পাল্টাপাল্টি অবস্থান এবং সংঘষের্র পর দুজনের সম্পকের্র চুড়ান্ত অবনতি ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, মেয়র আইভীকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত হামলা চালানো হলে সমর্থকরা নিরাপত্তা ঢাল তৈরী করে নিজেরা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েও মেয়রের প্রাণ রক্ষা করেন। হামলার তীব্রতায় পুলিশও পিছু হটতে বাধ্য হয়। অপরদিকে শামীম ওসমান তথা ওসমান পরিবারের রাজনীতি চীরতরে নস্যাৎ করতে একের পর এক হত্যাকান্ডের অভিযোগসহ নানাভাবে অপতৎপরতা চালাচ্ছেন মেয়র আইভী ও তার সহযোগী বিএনপি-জামায়াত ও বামপন্থীরা। বর্তমানে দুজনের বিরোধ চরম পর্যায়ে পৌছেছে যার কারনে সুযোগ পেলেই একজন আরেকজনকে ঘায়েল করে বক্তৃতা দিচ্ছেন। শামীমপন্থী হলে বিপরীত পক্ষ যাচ্ছে আইভীর কাছে। গত বুধবার রুপগঞ্জে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে শামীম ওসমান যোগদেন। সঙ্গে ছিলেন আড়াইহাজার আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুও। সেখানকার বর্তমান এমপি গাজী গোলাম দস্তগীরের বিরোধীপক্ষ তথা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান ভুইয়া, রফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান। সোনারগাঁয়ে জাতীয় পার্টির এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা শামীম ওসমানের ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত। ঐ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি কায়সার হাসনাতের পক্ষে একাধিক সভা সমাবেশে উপস্থিত হয়েছিলেন মেয়র আইভী। ঐ সভায় আগামীতে লাঙ্গলকে বিতাড়িত করে নৌকার পক্ষে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র আইভী। একই অবস্থা আড়াইহাজারেও। সেখানকার এমপি নজরুল ইসলাম বাবু কিছুদিন আগেও মেয়র আইভীর ঘনিষ্ট হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এমপি বাবু বলেছেন নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবার ছাড়া আওয়ামীলীগের রাজনীতি সম্ভব নয়। অপরদিকে আড়াইহাজারে বাবুর বিরুদ্ধে প্রধাণ মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় যুবলীগের তথ্য ও গভেষনা সম্পাদক ইকবাল পারভেজ মেয়র আইভীর সমর্থন নিয়ে এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন। সদর-বন্দর আসনের এমপি সেলিম ওসমানের বিপরীতে আওয়ামীলীগের অর্ধডজন প্রার্থী রয়েছেন যারা প্রত্যেকেই মেয়র আইভীর সমর্থন প্রত্যাশা করছেন। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের সর্বত্র এখন বিভাজন বাড়ছে। যার ফলে নেতা-কর্মীরাও হতাশ হয়ে পড়ছে। আর এই সুযোগে কতিপয় বামঘড়ানার নেতা দুই জনের বিরোধ বাড়তে উস্কে দিচ্ছে বলে আওয়ামীলীগের মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ।

 

সাইনবোর্ডে অন্যের জমিতে বহুতল ভবন

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ড এলাকায় মো.আবদুল মান্নান সাহাদাতের ক্রয়কৃত জমিটি জোড়পুর্বক দখল করে সেখানে বহুতল ভবন নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে মো.সারোয়ার আলমগংদের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে জমির মালিক চাষাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত.আলহাজ্ব মো.আবুল খায়েরের ছেলে মো.আবদুল মান্নান সাহাদাত ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন। জানা যায়, ভুইগড় মৌজায়স্থিত সিএস ১২৯,দাগ নং ৬৩,এসএ ১৭৪,আরএস ৯১২ কাতে ৩১.৩৩ শতাংশ জমির মালিক। উত্ত সম্পত্তি আতœসাৎ করার জন্য ভুইগড় রুপায়ন টাউন এর বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক সরদারের ছেলে মো.সারোয়ার আলম,জিন্নাত আলীর ছেলে কাউসার আহমেদ,ঢাকা উত্তরা এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে হাসান মো.তারেক,রুপায়ন টাউন এলাকার বাসিন্দা মো.মুকুলসহ অজ্ঞাত ৮/১০ জন সন্ত্রাসী গত ২৮ ফেব্রুয়ারী আমাকে এ বলে হুমকী প্রদান করেন যদি আমার সম্পত্তির কাছে আসি তাহলে আমাকে মেরে মাটিতে পুতে রাখা হবে। এর কারন জানতে চাইলে তারা এও বলেন যে,তোর পরিবারের সদস্যদের অপহরন করা হবে কাউকেই খুজে পাবিনা। জীবনের মায়া থাকলে এ সম্পত্তির আশা ছেড়ে নারায়নগঞ্জ ছেড়ে অন্যত্র চলে যা। মো.সারোয়ার আলমগংদের অব্যাহত হুমকীর কারনে আমি আমার পরিবারের সদস্য নিরাপত্তহীনতার মাঝে দিনানিপাত করছি এবং সকলের জীবনের নিরাপত্তার জন্য ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করি। মো.সারোয়ার আলমগংদের অব্যাহত হুমকী প্রদান সর্ম্পকে জমির মালিক সাহাদাত জানান, ভুমিদস্যরা আমার জমিটি বিশেষ একটি ব্যক্তির নাম ভাঙ্গিয়ে জোড়পুর্বক দখল করে সেখানে আমার নির্মিত ভবন ও টিনশেডের রুম ভেঙ্গে দিয়ে বহুতল ভবন নির্মান করে সাধারন মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার কৌশল নিয়েছে। এ বিষয়ে আমি আদালতের সহযোগিতা নিয়েছি এবং আদালত সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিলেও ভুমিদস্যু সেই বিশেষ ক্ষমতাশালী লোকটির নাম ভাঙিয়ে সেখানে নতুন ভবন নির্মানের কাজ অব্যাহত রেখেছে। আমি আমার ক্রয়কৃত জমিতে সাইনবোর্ড লাগালেও সেটা দ্রুত সরিয়ে ফেলছে ভুমিদস্যু সারোয়ারগংরা।