আজ : মঙ্গলবার: ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ইং | ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী | সকাল ৯:১৩
BADAL
শিরোনাম
ডিএনডি’র জলাবদ্ধতায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান পানির নিচে-❋-আওয়ামীলীগে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের কেন্দ্রীয় হুশিয়ারি...-❋-হকার ইস্যুতে আবারও অশান্ত হওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জ !-❋-ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের বেহাল দশা রোদে ধুলা-বৃষ্টিতে কাদায় জনভোগান্তি-❋-লন্ডনের কার্টেজ হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার শফিকুলের সাথে আলোচনা-❋-সকল মানুষেরই প্রাণের মায়া আছে :লিপি ওসমান-❋-নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনীতে ডিসি : ফাস্টফুড আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর-❋-সাড়ে চার কোটি টাকার মাদক ধ্বংস !-❋-মাঠে নামার প্রস্তুতিতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি-❋-ওয়াসার দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহারের অযোগ্য ॥ সীমাহীন ভোগান্তিতে নারায়ণগঞ্জবাসী

শামীম-বাবুর ঐক্যে বেকায়দায় গাজী

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জের দুইজন প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবুর ঐক্যমতে রূপগঞ্জে কোনটানা হয়ে যাচ্ছেন সেখানকার বর্তমান এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী। ওই এলাকার আওয়ামী লীগের নেতারাও ক্রমশ গাজীকে ছাড়তে শুরু করেছে। আর শামীম ওসমান পরোক্ষভাবে এও সেখানে বলে এসেছেন, ভবিষ্যতে গাজীর অবস্থা খুব একটা ভালো হবে না। রূপগঞ্জের একাধিক নেতাকর্মী জানান, রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ব হঠাৎ করেই হারাতে বসেছেন গাজী। সেখানে এখন রাজত্ব করতে যাচ্ছেন কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। মূলত রফিকুলের গ্রুপের মধ্যে দৃশ্যমান ভরসা রাখার মত নেতা হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান ভূইয়া। রূপগঞ্জে শাহজাহানের মূল্যায়ন থাকলেও রফিকুল সেখানে অনেকটাই হাইব্রিড নেতা হিসেবে পরিচিত। রূপগঞ্জের আরো কয়েকজন নেতা জানান, গাজীকে ঘায়েল করতে শাহাজাহান যথেষ্ট। কারণ তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আছেন। সেখানে শাহজাহানকে সামনে রেখে শামীম ওসমান ও বাবু আগাতে পারতো। কিন্তু রফিকুল ইসলামের হঠাৎ করে আওয়ামী লীগে গজিয়ে উঠা নেতাকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে সাপোর্ট দেওয়াটাও সমুচীন না। সবশেষ: নারায়ণগঞ্জের আওয়মালীগের রাজনীতিতে একটি মেরুকরণ আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠছে প্রভাবশালী দুইজন এমপির একমঞ্চে উপস্থিতিতে। তারা দুজনই বক্তব্য রেখেছেন একই তালে। এই দুইজন এমপি হলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু। গত বুধবার বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজির হন ওই দুই এমপি। ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের আওয়ামীলীগের এমপি শামীম ওসমান ও আড়াইহাজার আসনের আওয়ামীলীগের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু। আওয়ামীলীগের এ দুই নেতার মধ্যে মামা ভাগনে সম্পর্ক। ইতোপূর্বে এ দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তেমন একটা সুখখর দেখা যায়নি। কিন্তু আগামী জাতীয় নির্বাচন যখন কাছে চলে আসছে তখন মামা ভাগনে একসাথে মিলিত হয়েছেন। রূপগঞ্জ আসন থেকে গাজী গোলাম দস্তগীর টানা দুবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। গাজী এমপি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় আওয়ামীলীগের একটি বিশাল অংশের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন গাজী এমপি। এমপি গাজীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান ভূইয়া। এ শাহজাহান ভূইয়া মুলত জেলার প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানের বলয়ে রাজনীতি করছেন। একাধিকবার এমপি গাজী ও শাহজাহান ভূইয়া গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ইতিমধ্যে এ আসনে দুটি হত্যাকান্ডের ঘটনাও ঘটেছে। মুড়াপাড়ায় যুবলীগ কর্মী জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় আসামি  হয়েছিলেন শাহজাহান ভূইয়া সহ তার অনুগত নেতাকর্মীরা। ৮ ফেব্রুয়ারি সংঘর্ষে নিহত সুমন হত্যা মামলায় শাহজাহান ভূইয়া অনুগামী রফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান সহ তাদের অনুগত ১৭ নেতাকর্মী আসামি হয়েছেন। রূপগঞ্জের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগের দুটি ধারা রয়েছে। এর মধ্যে একটির নেতৃত্বে আছেন সরকারদলীয় এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী ও অপরটি নেতৃত্বে আছেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান ভূইয়া। গত বুধবার শাহজাহান ভূইয়ার গ্রুপের উদ্যোগেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অপরদিকে গাজীকে প্রায়শই দেখা মিলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে। একই দিন নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত এমপি গাজী ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম গ্রুপের সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী নিহতের মামলায় রফিক গ্রুপের ১৩ জনকে জামিন প্রদান করেন। আদালতে তখন শাহজাহান ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন। গত ৫ ফেব্রুয়ারি শোডাউনকে কেন্দ্র কওে এমপি গাজী ও রফিক গ্রুপের সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী সুমন মিয়া নিহতের একদিন পর রূপগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। একটি মামলার বাদি হয় থানা পুলিশ ও অপর মামলার বাদি নিহত সুমন মিয়ার শাশুড়ি কাজল রেখা। পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। সুমন মিয়ার শাশুড়ি কাজল রেখা বাদি হয়ে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সহ তার অনুসারি ১৭ জনের নাম উল্ল্যেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। রূপগঞ্জের ওই আলোচনা সভায় মামলার বিষয়টি বেশ প্রাধান্য পায় নেতাদের বক্তব্যে। তাদের অনেকেই আবার এমপি গাজীকে তুমুল তুলোধুনো করে বক্তব্য রাখেন।

হাসপাতালে বিড়ালের দখলে রোগীর শয্যা

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

১শ’ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সঙ্গে থাকা পর্যবেক্ষণ রুমের শয্যায় বিড়াল শুয়ে আছে এমন ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ফেসবুকে ওই দুটি ছবি প্রকাশ পায় যেখানে বলা আছে ছবিটি সেদিন সকালে তোলা। এ নিয়ে ওই ছবির নিচে বেশ কিছু মন্তব্যও করেছেন অনেকে। কেউ কেউ বলছেন, এ ঘটনা নিত্যদিনের। শুধু শুক্রবার না প্রায়শই এ ধরনের ঘটনা চোখে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১শ’ শয্যার বিভিন্ন ওয়ার্ড অপরিস্কার ও নোংরা অবস্থায় থাকে। রুমের ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে আবর্জনা। নাকে রুমাল চেপে ভেতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার হাসপাতালে দেখা গেছে বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিড়াল আনোগোনা করছে। অনেক শয্যার মধ্যে বিড়ালকেও দেখা যায়। বাথরুমগুলোতে তো দেখাই যায় না।

 

 

 

 

ওয়াসার পানি সংকট থেকে রেহাই পাচ্ছেনা বন্দরবাসী

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বন্দরে ওয়াসার পানির সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। ধীরে ধীরে ওয়াসার পানি সংকট চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আর যেটুকু পানি মাঝে মাঝে পাওয়া যাচ্ছে তা দুর্গন্ধ ও ময়লার কারণে মুখে তোলা যাচ্ছেনা; তাই দূর দূরান্তের বিকল্প উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করতে ছুটোছুটি করতে হচ্ছে বন্দরবাসীকে। এদিকে মার্চ মাসের মধ্যে ওয়াসার পানির সকল সমস্যা সমাধানের জন্য ওয়াসার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন এমপি সেলিম ওসমান। কিন্তু এখনো ওয়াসার পানি সংকট সমাধান না হওয়ায় ক্ষুব্ধ বন্দরবাসী। গতকাল শুক্রবার সকালে বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় ওয়াসার পানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষকে ছুটোছুটি করতে দেখা গেছে। এসময় বন্দরবাসী বিভিন্ন উৎস থেকে ওয়াসার পানি সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। বন্দরের নবীগঞ্জ ও সোনাকান্দা এলাকায় অনেক আগে থেকে ওয়াসার পানি সংকট দেখা দিয়েছিল। কিন্তু এই সংকট ধীরে ধীরে আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। সোনাকান্দা এলাকার নিকটে ছালেহনগর এলাকায় গত কয়েকদিন ঘরে পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া মাঝে মধ্যে যেটুকু পানি পাওয়া যায় তা থেকে শুধু জঘন্য দুর্গন্ধ বের হয় ; যেকারণে তা খাওয়ার কাজে ব্যবহার করা যায়না। এদিকে ওয়াসার পানির এই দুর্গন্ধের কারণে পানি বাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবসাী। এদিকে ছালেহনগর এলাকার মুনিয়া নামের ছোট মেয়েটি সকাল থেকে পড়ার টেবিলে বই হাতে পড়তে বসার কথা থাকলেও পানি সংকটের কারণে অন্যের বাড়ি থেকে পানি সংগ্রহ করে মা কে সাহায্য করতে সকাল থেকে কলশি হাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তাই সকাল থেকে আর পড়তে বসা হয়নি। মুনিয়া জানায়, ‘প্রতিদিন সকালে পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। কিন্তু গত দুদিন ধরে ভীষণ পানি সংকটের কারণে অন্যের বাড়ি থেকে পানি সংগ্রহ করে আনতে হচ্ছে। আজকে পানির আনার কাজে ব্যস্ত হওয়ার কারণে আর পড়তে বসা হবে না।’ একই এলাকার মাসুম মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া বাসিদ মিয়া সকাল থেকে বালতি করে পানি আনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বাসিদ মিয়া জানান, ‘গত কয়েকদিন ধরে ওয়াসার পানি পাওয়া যাচ্ছেনা। এতে করে ভীষণ কষ্টে আছি। তাই সকাল থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ বালতি পানি সংগ্রহ করেছি। আরো কত বালতি পানি নিতে হতে তা এখনো বলতে পারছিনা। আমাদের বাড়িতে এখন একদম পানি নেই। তবে গতকাল যেটুকু পানি এসেছিল তা থেকে শুধু দুর্গন্ধ বের হয় তাই পান করা যায়না।’ এলাকাবাসী জানায়, ‘অনেকদিন ধরেই ওয়াসার পানি সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কিন্তু এ ব্যাপারে ওয়াসার কর্মকর্তাদের বললে বলে এ নিয়ে কথা চলছে। কিন্তু আসলে কোন কিছুই তাদেরকে করতে দেখা যাচ্ছেনা। এর পরও তাদেরকে চাপ দিলে বলে, জায়গা ঠিক করে দেন ওয়াসার পাম্প বসিয়ে দেই। এভাবে নানা টালবাহানা করে মানুষকে বুঝিয়ে যাচ্ছে। এদিকে ওয়াসার পানি সংকটে মানুষ অনেকটা দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে। এভাবে আর কতদিন চলা যায়।’ উল্লেখ গত ১ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক সভায় এমপি সেমিল ওসমান ওয়াসার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীর উপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হয়ে এই মার্চ মাসের মধ্যে ওয়াসার পানির সকল সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন। কিন্তু তার সেই নির্দেশনা সত্ত্বেও এখনো বন্দরবাসী কোন আশার আলো দেখেনি। উল্টো ওয়াসার পানি সংকট ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে। আর এর তীব্রতা দিন দিন বন্দবাসীর স্বস্তিকে অস্বস্তিতে পরিণত করছে।

 

 

না’গঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় অসিম কুমার উকিল : শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশ নিরাপদ থাকে

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের দাবী হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের ৫ টি আসনেই নৌকার প্রার্থী দেয়া। তারা এই দাবীতে সাম্প্রতিক সময়ে দৃঢ়ভাবে অটল রয়েছেন। জোটের অন্য কোন দলকে জেলার শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকরা কোনভাবেই ছাড় দিতে চান না। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলের কাছে ৫টি আসনে নৌকার প্রার্থী দেয়ার দাবী করেছেন স্থানীয় নেতারা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় জেলার সভাপতি আবদুল হাই ৫টি আসনেই নৌকার দাবী তুলেন। নারায়ণগঞ্জের ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি আসনে এখন জাতীয় পার্টির এমপি। ওই দুটি হলো তথা সোনারগাঁ ও শহর বন্দর এলাকা। জবাবে অসীম কুমার উকিল বলেন, আমি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নারায়গঞ্জের বন্দরে দায়িত্ব পালন করেছি। তখন অনেকেই দাবী করে বলেছিলেন, তারা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে চাই। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আওয়ামীলীগকে আরো সুসংগঠিত করা। আওয়ামীলীগকে আবারও ক্ষমতায় আনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ক্ষমতা থাকলে দেশ নিরাপদ থাকবে। আমরা তার নেতৃত্বে আগামী দিনে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চাই। আগামী নির্বাচন হবে সকল দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।  এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা খবির উদ্দিন, মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাসনাত মোঃ শহিদ বাদল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু, দপ্তর সম্পাদক এম এ রাসেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মরিয়ম কল্পনা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল হুদা, শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌসী আলম নিলা, কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের মানব কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাওসার আহমেদ পলাশ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব, সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সামসুল ইসলাম ভূইয়া ও নারায়ণগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

 

 

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে বিশ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট

 

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মদনপুরে নারায়ণগঞ্জ সওজের নির্মাণ কাজ চলার কারনে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়কে এ যানজট সৃষ্টি হয়। দূর্বিষহ যানজটে যাত্রীসাধারণকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। যানজট নিরসনে দায়িত্বে থাকা মদনপুরে টিআই রাফিক ও টিএসআই নূরুল যানজট নিরসন কাজ না করে বিভিন্ন পিকাপ, মাইক্রোবাস ও কনটেইনার কার্গোর কাগজপত্র চেক করার নামে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ছিল বলে এলাকাবাসী ও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা জানায়। অভিযোগে জানাগেছে, মহাসড়কের মদনপুরে নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগ রাস্তার নির্মাণকাজ করার কারণে সড়কের এক সাইড বন্ধ থাকায় আরেক সাইড দিয়ে যাতায়তের কারণে যানজটের সূত্রপাত হয়। এছাড়া শুক্র ও শনিবার দু’দিন সরকারী বন্ধ থাকায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অনেক বেশী হয়। এছাড়া কাঁচপুর দ্বিতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণ কাজ করার কারণে এ পয়েন্টেও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টা পর্যন্ত যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করলেও দুপরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহাসড়কে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। এ সময় শত শত গাড়ি মহাসড়কে আটকে থাকে। যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে। বাস চালক আলী আহাম্মদ জানায়, সাইনবোর্ড থেকে মদনপুর ৬ কিলোমিটার সড়ক অতিক্রম করতে ৫ ঘন্টারও বেশী সময় লেগেছে। শ্যমলী পরিবহনের আলম নামে এক যাত্রী জানায়, যানজট এতই ব্যাপক যে সিদ্দিরগঞ্জের শিমরাইল থেকে মেঘনা টোলপ্লাজায় যেতে ৬ ঘন্টা সময় লেগেছে। অভিযোগ রয়েছে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের কোথাও যানজট নিরসন করতে দেখা যায়নি। এদিকে মহাসড়কে যানজট থাকায় তা এশিয়ান হাইওয়ে ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কেও যানজট বিস্তৃতি লাভ করে। ফলে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল থেকে বিশ্বরোড, মদনপুর থেকে বস্তাল পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। যানজটের কবলে পড়ে হাজার হাজার পরিবহনের যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বেশ কয়েকটি রোগীবাহী এ্যমম্বোল্যান্সকে যানজটে পড়ে আটকে থাকতে দেখা যায়। নারায়ণগঞ্জ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ শাখার মদনপুরের দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) রাফিক ও টিএসআই নূরুল ইসলাম যানজট নিরসন কাজে ব্যস্ত না থেকে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বসে ওয়্যারলেসসেটে গলাবাজি করেন এবং কিছুক্ষন পরপর বিভিন্ন পিকাপ, মাইক্রোবাস, কভার্ডভ্যান ও কনটেইনার কার্গোর কাগজ নিয়ে পুলিশ বক্সে প্রবেশ করে ৫শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করে চাঁদা েিত দেখা যায়। পিকাপ চালক রিপন বলেন রিকুইজিশন করার ভয়ভীতি দেখিয়ে টিআই রাফিক তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তার দাবিকৃত চাঁদা প্রদান না করলে ৭ দিন রিকুইজিশন খাটতে হবে তাই বাধ্য হয়েও যানজটের মধ্যে ২ হাজার টাকা দিয়ে রেহাই পেয়েছি। কভার্ডব্যান চালক আফসার বলেন নূরুল তার গাড়ির কাগজ নিয়ে ১ হাজার টাকা রেখে দিয়েছে। এভাবে চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছেন মদনপুরে ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তারা। টিআই রাফিক চাঁদাবাজির ঘটনা সত্য নয় দাবি করে বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তার সংস্কার কাজ করার কারণে সড়কের এক সাইড বন্ধ থাকায় অপর সাইড দিয়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচলের কারণে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে থেকেই মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

 

পুলিশ চেকপোষ্টের নামে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংকরোড এবং চাষাড়া-চিটাগাং রুটেরে হাজীগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি তথা আইটি স্কুলের কাছে পুলিশ চেক পোষ্টে নানা হয়রানীর শিকার হতে হয় এই পথে চলাচলরত মানুষদের। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা ক্ষোভ শোনা যায়। পুলিশের এসব চেকপোষ্টে সিএনজি, অটো-রিকশা, বাস, লেগুনাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে তন্য তন্য করে চেক করে পুলিশ সদস্যরা। সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ দীর্ঘক্ষণ হাতড়েও চেক করার অভিযোগ রয়েছে এসব চেক পোষ্টের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, নারী-পুরুষ এক সাথে যাতায়াত করলে নানা হয়রানি হতে হয় এখানে। স্বামী স্ত্রী হলেও নিস্তার নেই। একদিকে স্বামী অন্যদিকে স্ত্রীকে নিয়ে নানা প্রশ্নবাণে জর্জিত করাসহ কাবিনানামা দেখতে চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে চেকপোষ্টে থাকা পুলিশদের বিরুদ্ধে। এমন এক বাজে অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক নারী কাউন্সিলর রেহানা পারভিন। বৃহস্পতিবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ‘ওপেন হাইজ ডে’তে এই নারী কাউন্সিলর তীব্র ক্ষোভের সাথে জালকুড়ি পুলিশ চেকপোষ্টের হয়রানির কথা তুলে ধরেন। তিনি তাঁর সদ্য বিয়ে দেয়া মেয়ে ও মেয়ের জামাতার কথা তুলে ধরে বলেন, “মেয়ে আর মেয়ের জামাতা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা দিয়ে ভূইঘর থেকে লিংক রোড দিয়ে চষাড়া যাওয়ার পথে জালকুড়ি পুলিশ চেক পোষ্টে তাদের সিএনজিটিকে থামানো হয়। এসময় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক তার মেয়ে আর মেয়ে জামাতাকে আলাদা স্থানে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তারা একে অপরকে স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিলেও পুলিশ তাদের ছাড়েনি। তখন পুলিশের ওই কর্মকর্তা তাদের কাছে বিয়ের কাবিননামা দেখতে চায়। এতে আমার মেয়ে ভয় পেয়ে আমাকে ফোন করে। আমি তাড়াতাড়ি জালকুড়ি আমার বাড়ি থেকে বাসষ্ট্যান্ড ছুটে যাই। তখন সেই উপ-পরিদর্শক আমাকে দেখে আমার মেয়ে আর মেয়ের জামাতাকে ছেড়ে দেয়।”

 

 

 

 

ইজিবাইক ও মাদকের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর মতি সোচ্চার

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

চাষাড়া থেকে চিটাগাং রোড পর্যন্ত চলাচলরত ইজিবাইক (অটোরিকশা) এর চাঁদাবাজি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানল মেয়র-২ কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি। গত বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওপেন হাউজ ডে’তে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ওই ক্ষোভ প্রকাশ। একই সাথে এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়েও ক্ষোভ ঝারেন ওই কাউন্সিলর। মতিউর রহমান মতি বলেন, “আমার ওয়ার্ডে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাদক ব্যাবসায়িকে আমরা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সেই ব্যবসায়িকে আবার কিছুদিনের মধ্যেই আবার এলাকায় ফিরে আসতে দেখা যায়। যদি একজন মাদক ব্যবসায়ির কমপক্ষে ৬/১ বছর কোনো জামিন না হয় তাহলে অন্তত মাদকের ব্যাপকতা লাভ করতো না। তাই আমার দাবী থাকবে মাদক ব্যবসায়িদের যাতে সহজে জামিন না দেওয়া হয়।” এছাড়াও তিনি এলাকার ইভটিজিং নিয়েও কথা বলেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, “৬নং ওয়ার্ডের সফুরা খাতুন স্কুলের পেছনে রেললাইনে অনেক সময় দেখা কিছু বখাটেদের ঘুরাফেরা করতে। আমরা অনেক সময় তাদের ধরতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা পালিয়ে যায় বিধায় ধরা সম্ভব হয় না।” মতিউর রহমান মতি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে ইভটিজারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। এছাড়াও তিনি বলেন, “কয়েকমাস আগে ইজিবাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সিদ্ধিরগঞ্জের প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কয়েকদিন পরে আবার এই ইজিবাইক চলাচল শুরু করে। অনিয়ন্ত্রীতভাবে ইজিবাইক চলাচলের কারণে যখনতখন ঘটছে দুর্ঘটানা। প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এসব চাঁদাবাজদের ধরতে হবে। এগুলো বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে পুলিশকে।”

অবৈধ ইজিবাইকগুলো কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎ খাচ্ছে

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীতে প্রায় শতাধীক ব্যাটারিচালিত অবৈধ অটোরিকশা গ্যারেজে দেদারছে বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে। শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ চুরির মহোৎসব চলছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায় এসব অবৈধ গ্যারেজে প্রতিমাসে কয়েক লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ চুরি হয়ে থাকে। স্থানীয় শ্রমিক নেতা ও ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় এবং অসাধু কর্মকর্তাদের যোগশাজশে এই বিদ্যুৎ চুরি চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে। এতে করে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। আর রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছে একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি। এদিকে গত ২০১৬ সালে জুলাই ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) স্পেশাল টাস্কফোর্সের দুই সপ্তাহের একটি অভিযান চালায় নারায়ণগঞ্জে। এসময়ে এখানকার বিদ্যুৎ চুরির মাধ্যমে কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি ধরা পড়েছিলো। ওই বছরের ১২ জুলাই থেকে ১৮ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ শহরের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ও ফতুল্লায় ডিপিডিসির স্পেশাল টাস্কফোর্সের একাধিক টিম অভিযান চালায়। এতে ২০টি ব্যাটারিচালিত অবৈধ অটোরিকশা গ্যারেজে ২ লাখ ৬৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা ধরা পড়ে। এর মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ চুরি এবং ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এ সময় জব্দ করা হয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন সংযোগে ব্যবহৃত ৪০০ মিটার সার্ভিস তার, ১৫০টি চার্জার, ১০টি বৈদ্যুতিক মিটার। এ ছাড়া বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিলো ২৫টি বিদ্যুৎ-সংযোগ। এছাড়াও ৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ শহরের ২৩ নম্বর আল্লামা ইকবাল রোডে একটি নবনির্মিত আবাসিক বহুতল ভবনে স্পেশাল টাস্কফোর্স প্রধান মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নেতৃত্বে বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা উদঘাটন করা হয়। এখানে ১৩ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি এবং সাড়ে সাত লাখ টাকার বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা ধরা পড়ে। এদিকে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীতে কম করে হলেও প্রায় দু’লাখের মতো ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল করছে। এসব ইজিবাইকে ১২ ভোল্টের তিনটি ও রিকশায় ১২ ভোল্টের ২টি করে হেভি ব্যাটারী। এসব ব্যাটারী প্রতিদিন দু’বার করে চার্জ দিতে হয়। প্রতি সেট ব্যাটারি চার্জের জন্য গড়ে ৮০০ থেকে ১১০০ ওয়াট হিসেবে পাঁচ থেকে ছয় ইউনিট (দিনে বা রাতে কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা) বিদ্যুৎ খরচ হয়। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ধরা হলে ২ লাখ ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও রিকশায় অর্ধ কোটি টাকার ওপরে বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। যা মাসের হিসেবে ১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। আর এই বিদ্যুতের যোগান অধিকাংশটাই আসছে অবৈধ পন্থায়। এভাবেই কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎ খাচ্ছে ইজিবাইকগুলি। নারায়ণগঞ্জের ৫টি উপজেলার সব কটি এলাকাতেই এসব ব্যাটারী চালিত ইজিবাই ও রিকশার আধিক্য বেশি। যাত্রীরা জানান, ভাড়া অন্যান্য যানের চেয়ে তুলনামূলক কম হওয়ায় মূল শহরে এবং তার বাইরে এখন প্রধান বাহনে পরিণত হয়েছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও রিকশা। আর এগুলোর বেশিরভাগ চালকই সামান্য অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে ব্যাটারি চার্জ করিয়ে নিচ্ছেন। সূত্র জানায়, রিকশা বা ইজিবাইক চালকেরা চার্জের বিনিময়ে অর্থ প্রদান করলেও সে অর্থ যাচ্ছে একটি অসাধু চক্রের পকেটে। চক্রটি শ্রমিক নেতা থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীন দল এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর ম্যানেজ করেই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে এই এসব ইজিবাইক ও রিকশা চার্জ করিয়ে থাকে। আর এতে করে বছরে কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎ যেমন গচ্চা যাচ্ছে তেমনি সরকারও বঞ্চিত হচ্ছে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে। সংশ্লিষ্টদের মতে, যানগুলোর প্রথম সমস্যা হলো, এগুলো রিচার্জ করতে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়, আর দেশে যেখানে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছেÍ সেখানে এই যানগুলোতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার বিদ্যুতের অপচয় ছাড়া কিছুই নয়।

 

 

শীর্ষ নেতাদের কোন্দলের কারণে মাঠে নামছে না তৃণমূল নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র পদধারী নেতারা নিষ্ক্রিয়

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় নারায়ণগঞ্জে দাঁড়াতেই পারছে না বিএনপি নেতাকর্মীরা। দলের দুঃসময়ে সুবিধাভোগী পদধারী সেইসব নেতাদের দেখাও পাচ্ছে না কর্মীরা। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ ও হতাশ। নারায়ণগঞ্জ বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের নারায়ণগঞ্জে কোনো মিছিল-সমাবেশ করতে পারেনি বিএনপি। দুই একটি মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হলেও কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বেশিরভাগই এখন পালন হয় না। রাজনীতিতে আগের মত সরব নেই নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র কাজী মনিরুজ্জামান মনির, শাহ আলম, নজরুল ইসলাম আজাদ, অ্যাড. আবুল কালাম, আতাউর রহমান মুকুল, বদিউজ্জামান খসরু, মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, মনিরুল আলম সেন্টু, আতাউর রহমান মুকুল, রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী প্রমূখ নেতারা। অপরদিকে বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার জেলা বিএনপির সভাপতির পদ হারানোর পর থেকে তিনি জেলার রাজনীতির মাঠ থেকে কিছুটা দূরে সরে আছেন। তবে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এবং হাইকোর্টে বিএনপি নেতাদের জামিন করানোর পক্ষে তাঁকে সরব দেখা যায়। বিএনপির টিকিটে সদর আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন অ্যাড. আবুল কালাম। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বড় একটি ধারা তার নেতৃত্বে রয়েছে। এরপরও তাঁকে মাঠের রাজনীতিতে দেখা যায় না। গেল বছর মহানগর বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন জাতীয় দিবসে গুটি কয়েকজন অনুসারী নিয়ে দুই চার মিনিটের ফটোশেসনে তাঁর দেখা মিলেছে। এবার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দেয়ার সময় উপস্থিত থাকলেও লোকসমাগম তেমন হয়নি। তবে তার সমর্থক হিসেবে পরিচিত যুবদল-ছাত্রদলও মাঠের রাজনীতিতে নেই। জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান নারায়ণগঞ্জ ১ ও ৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নে বিগত দিনে নির্বাচন করেন। সে নির্বাচনে তাঁরা উভয়ই আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। এবারও তাঁরা নির্বাচন করতে মুখিয়ে আছেন। কিন্তু খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর এক দু’টি কর্মসূচিতে কাজী মনিরকে স্বল্প সময়ের জন্য দেখা যায়। এই নেতাকে বলা হয়ে থাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির অঘোষিত নিয়ন্ত্রক। অপরদিকে বিভিন্ন সময় কর্মসূচিতে মাঠে দেখা যায় মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খানকে। তবে বিগত সময় থেকে অদ্যাবধি কোনো কর্মসূচিতে দেখা যায় না বিএনপি থেকে সুবিধা নেয়া মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হাশেম শকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীকে। মাঝে মাঝে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি নিয়ে মাঠে দেখা যায় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনকে। তিনি ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাদের নিয়ে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেন। এরমধ্যে লিফলেট বিতরণ, সদস্য সংগ্রহ, খালেদা জিয়ার মুক্তি তরান্বিত করতে গণসংযোগসহ কেন্দ্রীয় সভা সমাবেশেও দেখা গেছে এই নেতাকে। দলের একাধিক সূত্র জানায়, জেলা বিএনপির ২৬ সদস্য (আংশিক) কমিটি থাকলেও নানা কোন্দলের কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গত এক বছরেও করতে পারেনি। আবার এই ২৬ জনও কখনো এক টেবিলে বসতে পারেনি। কোন্দলের কারণে নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। দলীয় কর্মসূচিতে নেতারা নিষ্ক্রিয় থাকায় কর্মীরাও মাঠে নামেন না। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রম বা আন্দোলন-সংগ্রামে মহানগরের সভাপতি অ্যাড. আবুল কালাম, সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হাশেম শকু রয়েছেন অনুপস্থিত। কালেভদ্রে সভাপতি আবুল কালাম মাঠ এলেও কর্মসূচির নামে তিনি ফটোশেসন করে দুই মিনিটের মধ্যেই কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

 

 

 

 

নারায়ণগঞ্জে দু’টি আসনে মনোনয়ন নিয়ে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ক্ষমতাশীন দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে। নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে এবারের সংসদ নির্বাচনে মূল টার্গেট ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ ও সদর-বন্দর আসন। এই দুই আসনেই বর্তমান সাংসদদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রার্থী দেয়ার জন্য একটি মহল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলে আওয়ামীলীগের একটি অংশের একাধিক নেতা দাবি করেছেন। তাদের বক্তব্য এ দু’টি আসন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য যা যা করনীয় তারা সব কিছুই করবেন। এ দু’টি আসন নিয়ে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদেরও আগ্রহ রয়েছে। সদর-বন্দর আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান এখনও তার প্রার্থীতা আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেননি। তবে তিনি বলেছেন, আগামী জুন মাসের পর তিনি নির্বাচন করবেন কি না তা ঘোষণা করবেন। যদিও বিগত ৪ বছরে তার নির্বাচনি এলাকায় তার কর্মকান্ডের কারণে আওয়ামীলীগ বিএনপি ও জাতীয়পার্টিসহ অরাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গও সেলিম ওসমানকে নির্বাচন করার জন্য চাপ দিয়ে চলেছেন। অপর দিকে ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে শামীম ওসমানের বিকল্প প্রার্থী এখনও তৈরী না হলেও ইতিমধ্যে দুইজন এ আসনে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। মজার ব্যাপার হলো সদর-বন্দর আসনে যারা প্রার্থী হওয়ার খায়েশ প্রকাশ করেছেন, তাদের প্রায় অধিকাংশই শামীম ওসমানের ঘনিষ্ট লোক। শামীম ওসমানের কারণেই তারা দলের পদ পদবীসহ সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন বলে আওয়ামীলীগের একাধিক নেতার মন্তব্য। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আগামী সংসদ নির্বাচনে সদর-বন্দর ও ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে প্রার্থী মনোনয়নে আওয়ামীলীগ ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে অবস্থানগত কারণে সদর-বন্দর আসনটি জাতীয়পার্টিকে ছেড়ে দেয়ার সম্ভাবনাই বেশী। যদিও আওয়ামীলীগের পদত্যাগী ও নাগরিক ঐক্যের নেতা এসএম আকরামকে এই আসনে প্রার্থী করার জন্য একটি মহল আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। এসএম আকরামও ইতিমধ্যে এ আসনে নির্বাচন করার আকাঙ্খা ব্যক্ত করেছেন। আওয়ামীলীগের একটি অংশ জোর দিয়ে বলে চলেছেন আগামী নির্বাচনে তারা এই আসনসহ নারায়ণগঞ্জের সবগুলো আসনে নৌকার প্রার্থী চান। অন্যদিকে এই আসনের মহাজোট সমর্থিত বর্তমান এমপি সেলিম ওসমান জানিয়ে দিয়েছেন এই আসন লাঙ্গলের। তবে নির্বাচন বিষয়ে তিনি ৩০ জুনের পর কথা বলবেন। এদিকে ২৪ মার্চ লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব ঘিরে একটি অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা তার বক্তব্যে আগামী নির্বাচনে এ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে ঘোষণা দিলে পরদিন সাংসদ সেলিম ওসমান বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্য আমি দেই না। আমার অত্যন্ত স্নেহের ছোট ভাই অনেক লম্বা রাজনৈতিক বক্তব্য দেন। পত্রিকাও দেখলাম খোকন সাহা নির্বাচন করছেন আমার সঙ্গে। যাই হোক, নির্বাচন আসুক না। আমি আগেই বলেছি, ৩০ জুন পর্যন্ত কাজ করে যাবো। তারপর নির্বাচন নিয়ে কথা বলবো। কিছুক্ষন পর খোকন সাহা অতিথির চেয়ার ছেড়ে উঠে চলে গেলে সেলিম ওসমান জিজ্ঞেস করেন, ‘কই, খোকন সাহেব কই?’ সেলিম ওসমান আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আসনে নৌকা মার্কা না দিয়ে আমাকে লাঙ্গল মার্কায় বিজয়ী করেছেন। আমার বড় ভাই নাসিম ওসমানকেও ৪ বার এই আসনে লাঙ্গল মার্কায় বিজয়ী করেছেন। বিজয়ী হওয়ার পর আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। কেন উনি আমাকে লাঙ্গল মার্কায় পাঠালেন। উনি আমাকে উত্তর দিয়েছিলেন তোমার ওখানে লাঙ্গলবন্দ নামে একটি জায়গা আছে, জানো? সেখানে গিয়ে লাঙ্গল বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। তাই ওই আসনটি লাঙ্গলের জন্যই রাখা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে সেলিম ওসমান বলেন, আগামী নির্বাচনে এই আসন থেকে আসন থেকে কি চান লাঙ্গল নাকি অন্য কিছু? এ সময় সবাই চিৎকার করে বলেন লাঙ্গল। খোকন সাহা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দিপু, জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আঃ হাই, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির, আরজু রহমান ভুইয়া, জিএম আরাফাত, মনোনয়ন চাইবেন। এছাড়া আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও তার ঘনিষ্টজনদের কাছে একেএম আবু সুফিয়ানও এ আসনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এদিকে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাইও সকল নেতাদের সঙ্গে তিনি বলছেন আগামী নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের সকল আসনে নৌকার প্রার্থী দিতে হবে। এছাড়া ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে শ্রমিকলীগ নেতা কাউসার আহাম্মেদ পলাশ ও বিএনপিতে যোগদানকারী কামাল মৃধা আওয়ামীলীগের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছে বলে তাদের অনুসারিরা জানান। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক জনসভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে আগামী ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বলে ঘোষণা করে বলেছেন, নির্বাচনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নামার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে। আওয়ামীলীগের একাধিক সূত্র জানায়, ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ ও সদর-বন্দর আসনে কে প্রার্থী হবে তা একমাত্র প্রধানমন্ত্রীই জানেন। তার পরও সম্ভাব্য প্রার্থীরা আগামী সপ্তাহ থেকে মাঠ গরম করতে নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করছে বলে জানা যায়।