আজ : মঙ্গলবার: ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ইং | ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী | সকাল ৯:১১
BADAL
শিরোনাম
ডিএনডি’র জলাবদ্ধতায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান পানির নিচে-❋-আওয়ামীলীগে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের কেন্দ্রীয় হুশিয়ারি...-❋-হকার ইস্যুতে আবারও অশান্ত হওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জ !-❋-ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের বেহাল দশা রোদে ধুলা-বৃষ্টিতে কাদায় জনভোগান্তি-❋-লন্ডনের কার্টেজ হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার শফিকুলের সাথে আলোচনা-❋-সকল মানুষেরই প্রাণের মায়া আছে :লিপি ওসমান-❋-নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনীতে ডিসি : ফাস্টফুড আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর-❋-সাড়ে চার কোটি টাকার মাদক ধ্বংস !-❋-মাঠে নামার প্রস্তুতিতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি-❋-ওয়াসার দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহারের অযোগ্য ॥ সীমাহীন ভোগান্তিতে নারায়ণগঞ্জবাসী

সোনারগাঁয়ে মেঘনা গ্রুপের কারখানার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী দেশে অর্থনৈতিক জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে

 

 

সোনারগাঁ প্রতিনিধি

সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা ঘাটে অবস্থিত অর্থনৈতিক জোন এলাকায় গতকাল শনিবার মেঘনা গ্রুপের ৮টি নতুন কারখানার উদ্বোধন করা হয়ছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনুষ্ঠানে মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহাম্মেদ, রেলপথমন্ত্রী মজিবুল হক, সোনারগাঁয়ের সাবেক সাংসদ আবদুল্লাহ আল কায়সার, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, বাংলাদেশ অর্থনেতিক জোনের কর্তৃপক্ষ পবন চৌধূরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম প্রমূখ। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, আমরা টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। সরকারের উন্নয়নের ধারা এগিয়ে চলছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তাই ব্যবসা বানিজ্যকে আরো সহজ করা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনে আমাদের লক্ষ্য মাত্রা আরো বাড়বে। বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহাম্মেদ বলেন, আগামী ৪১ সালে উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। আমরা বর্তমানে পাকিস্তান থেকে অনেক উন্নত এমনকি সামাজিক ক্ষেত্রে ভারত থেকেও এগিয়ে। স্বাগত বক্তব্যে মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, অর্থনৈতিক জোনের অনুমতি পাওয়ার পর ইতিমধ্যে দুটি জোনে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৮টি নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। যেখানে ৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আরো ১০ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান চালু হলে ১২ থেকে ১৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মেঘনা অর্থনৈতিক জোনের নতুন ৮টি কারখান হলো-মেঘনা পাম্প অ্যান্ড পেপার মিলস লি:, মেঘনা এডিবল অয়েলস রিফাইনারী লি:, এম পিপি পাওয়ার প্লান্ট লি:, সোনারগাঁ ফ্লাওয়ার অ্যান্ড ডাল মিলস লি:, তাসনিম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স ইউনিট ২ লি: মেঘনা বেভারেজ লি: ইউনিক সিমেন্ট ফাইবার ইন্ড্রাষ্ট্রিজ লি: সোনারগাঁ স্টীল ফেব্রিকেট লি:।

শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রুখে দাড়াঁনোর অঙ্গীকার

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানকে নিয়ে সকল অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছে স্বেচ্ছাসেবকলীগ। গত বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলীতে ৭নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এ অঙ্গীকার করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের সভাপতি ও প্যানেল মেয়র-২ আলহাজ্ব মতিউর রহমান মতি। তিনি বলেন, এমপি শামীম ওসমানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ডিএনডিবাসী এক বছরের মধ্যে জলাবদ্ধতার কবল হতে মুক্তি পাবে। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ জুয়েল হোসেন বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জের মাটি এমপি শামীম ওসমানের ঘাঁটি। এমপি শামীম ওসমানকে নিয়ে যারা মিথ্যাচার করে তারা সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষের উন্নয়ন চায় না। এমপি শামীম ওসমান খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে রাজনীতি করে, মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলে। আগামী নির্বাচনে এমপি শামীম ওসমানকে বিপুল ভোটে পুনরায় নির্বাচিত করে স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরা সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দিবে। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শিব্বির আহমেদ বলেন, এমপি শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যাচার, অপপ্রচার স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকর্মীরা বরদাশত করবে না। সকল ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাড়াব। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শামীম আহম্মেদের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন-থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জসিম উদ্দিন, হাজী জহিরুল হক, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা মাকসুদা রশীদ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন-সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী যুবপরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহীন বাদশা, ফারুক, খোরশেদ, সাগর খান, কবির হোসেন, মাসুদ, জমিলা খাতুন প্রমুখ।

ফতুল্লায় উইজডম অ্যাটায়ার্সে কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এরশাদ বিএনপি না আসলেও নির্বাচনে যাবো

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, বিএনপি নির্বাচনে আসুক বা না আসুক আমরা প্রস্তুত আছি। আমার শাসনামলে আমরা কোন অন্যায় কাজ করি নাই। আমাদের হাতে রক্তের দাগ নাই। সেলিম ওসমানের মত ব্যক্তিদের মনোনীত করতে পারলে জয় আমাদের নিশ্চিত। আমি সারা জীবন মানষের জন্য কাজ করতে চাই, মানুষের সেবা করে ভালোবাসা পেতে চাই। গতকাল শনিবার বিকেলে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুরে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উইজডম অ্যাটায়ার্স লিমিটেড এর অভ্যন্তরে উক্ত বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। এর আগে সাবেক রাষ্ট্র্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর সাথে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সাথে রুদ্ধদার বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে একটি মত বিনিময় সভা করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান তাঁর বক্তব্যে দলীয় নেতাকর্মীর প্রতি আহবান রেখে বলেন, আপনারা সবাই সকল দু:খ কষ্ট ভুলে জাতীয় পার্টির সকল নেতাকর্মী একত্রিত থাকবেন। গত চার বছর আমি সদর-বন্দর আসনের উন্নয়ণে স্বাধ্যমত চেষ্টা করেছি। জনগনের জন্য কাজ করতে গিয়ে অনেক সময দলকে সময় দিতে পারিনি। তবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে উন্নয়ণের কারণে জাতীয় পার্টি এখন শক্তিশালী হয়েছে।  নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পার্টি আগের চাইতে আরো বেশি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে যা করনীয় তার সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম করা হবে। এ সময় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী আহবানে সাড়া দিয়ে একত্রিত হয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। আগামী সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি সব সময় উন্নয়নের রাজনীতি করেছি। আমি প্রার্থী হই বা না হই নারায়ণগঞ্জে যাতে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির কেউ নির্বাচিত না হতে পারে তার জন্য প্রয়োজনে ৫টি আসনেই লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্র্থী দেওয়া হবে। তখন দেখা যাবে জনগনের আস্থা কাদের উপর। উন্নয়ন নাকি ভাওতাবাজির পক্ষে ? জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের এর সভাপতিত্বে উক্ত মত বিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন বাবলু, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, হুইপ বগুড়া থেকে নির্বাচিত এমপি নুরুল ইসলাম ওমর,  যুগ্ম মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা, প্রেসিডিয়াম সদস্য ফয়সাল চিশতি, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, নূর ইসলাম নুরু, গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী নাসির, সেচ্ছাসেবক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব বেলাল হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক সানাউল্লাহ সানু, সদস্য সচিব আকরাম আলী শাহীন, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আমিনুল হক প্রধান, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি কাজী মহসিন, মদনপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি আবুল খায়ের বাশার, সাধারণ সম্পাদক গোলাপ হোসেন, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি বাচ্চু মিয়া, মহানগর শ্রমিক পার্টির আহবায়ক আবুল খায়ের ভূইয়া, জেলা মহিলা পার্টির সভাপতি আঞ্জুমান আরা ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক আলেয়া বেগম, জেলা যুবসংহতির আহবায়ক রাজা হোসেন রাজু, রূপগঞ্জ জাতীয় পার্টির সভাপতি মীর আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক আড়াইহাজার উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি তাজুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মনোনয়নে নির্বাচিত কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন রূপু, মহানগর ছাত্র সমাজের সভাপতি শাহআলম সবুজ, সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ সহ জাতীয় পার্টির ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ৫ শতাধিক নেতৃস্থানীয়রা।

আগামী নির্বাচনে শামীম-আইভীর সমর্থন ফ্যাক্টর হয়ে দাড়াঁবে..

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী দুই নেতা সাংসদ শামীম ওসমান ও মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর বিরোধ রাজনীতির পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রে ঢালপালা বিস্তার করতে শুরু করেছে। যে কোন ইস্যুতে এরা দুইজন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ফ্যাক্টর হয়ে উঠছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। দুজনকে ঘিরেই আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৪ ও ৫ আসনকে কেন্দ্র করে। সাধারণ নেতাকর্মীদের অভিমত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মনোনয়নের ক্ষেত্রে শামীম ওসমান এবং ৫ আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে আইভীর মতামতকেই প্রাধান্য দেয়া হবে। জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-৪ ও ৫ আসনকে নিয়ে ইতোমধ্যেই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দুটি আসনকে ঘিরে একাধিক প্রার্থীই মাঠে নেমে প্রচার প্রচারনা করছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন জাপা ও আওয়ামীলীগের প্রার্থী। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে ততই মনোনয়ন প্রত্যাশীরা আরো বেশি করে সক্রিয় হবেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা। তবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে সাংসদ শামীম ওসমান ছাড়া অন্য কোন প্রার্থী এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামেনি। আর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতে ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রায় ডজনখানিক প্রার্থী মাঠে নেমেছেন। যদিও এদের অধিকাংশরাই প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নেতাকর্মীদের তেমন একটা সমর্থন নেই। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনটি বন্দর ও সদরের কিছু এলাকা নিয়ে গঠিত। এ আসনে বর্তমানে সংসদ সদস্য হিসেবে রয়েছেন সংসদে বিরোধী দলের অবস্থানে থাকা জাতীয় পাটির একেএম সেলিম ওসমান। জাপা এ আসনটি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ধরে রাখতে চায়। তবে জাপার এই চাওয়াকে পেছনে ফেলে আওয়ামীলীগের জেলা ও মহানগরের নেতারা চাচ্ছেন এ আসনে নৌকার প্রার্থী দিতে। ইতোমধ্যে তারা দলের সকল কর্মসূচীগুলোতে নিজেদের বক্তব্যেও একই কথা তুলে ধরছেন। এ আসনকে ঘিরে নৌকার প্রার্থী চাওয়ার পর সৃষ্টি হয়েছে নতুন করে রহস্য। যদি এই আসনে নৌকার প্রার্থী দেয়াই হয় তবে কে হবেন এ আসনে নৌকার প্রার্থী। তবে প্রার্থী চূড়ান্তের ক্ষেত্রে  মেয়র আইভীর সমর্থন ফ্যাক্টর হয়ে দাড়াঁবে। ইতিমধ্যে সাবেক এমপি আকরামকে মেয়র আইভী আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিশ্চিত করে দিতে কাজ করছেন। আর আইভীর ভরসায় আকরামও নির্বাচন করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

একইভাবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান নিজেই এবার প্রার্থী হিসেবে থাকছেন এমনটাই মনে করছেন সকলে। কারণ তিনি এবারো জাতীয় সংসদে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কাজের বাজেট এনেছেন এবং ইতোমধ্যে তিনি সকল ইউনিয়নে কাজ শুরু করে দিয়েছেন নির্বাচনকে টার্গেট করে। যদিও ওসমান পরিবার বিরোধীরা শামীম ওসমানের মনোনয়ন ঠেকাতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। সেক্ষেত্রে মেয়র আইভীও চাইছেন শামীম ওসমান যেন মনোনয়ন না পায়। এদিকে,  নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের-৪ আসন কেন্দ্রীয় স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট, ব্রীজ, ড্রেন নির্মানে কাজ করছেন তিনি। এবারো সংসদে উন্নয়ন কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি বাজেট এনেছেন তিনি। উন্নয়ন কাজের জন্য এই বাজেট শামীম ওসমান সংসদ থেকে পাশ করিয়েছেন এবং তা নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনবাসীর উন্নয়নের কাজে ব্যয় করছেন ।  আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছেন দলের এই সংসদ সদস্য। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী আসনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ইউনিয়নেই শামীম ওসমান শুরু করেছেন দলের কর্মীসভা। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি দলের কর্মীসভাগুলো করছেন। সভায় দলের জন্য কাজ করতে এবং দলের বিভিন্ন অবস্থা তুলে ধরে বক্তব্য দিচ্ছেন তিনি যা আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের নেতাকর্মীরা কাজে লাগাবে। শামীম ওসমানের বিপরীতে অনেকে প্রার্থী হতে চাইলেও রাজপথে কিংবা কাজে কর্মে অথবা লবিংয়ে তেমনভাবে কেউ এগিয়ে নেই। কাজ করেও মাঠের দিকে এগুতে পারছেন না অনেকে। আর তাই এবার সকলেরই ধারনা নারায়ণগঞ্জ-৪ ও ৫ আসনে এই দুজনই হয়ে উঠতে পারেন আগামী নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর।

 

না’গঞ্জ আওয়ামীলীগে কর্মীর অভাব

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগে ত্যাগী কর্মীরা এখন অলস সময কাটাচ্ছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের আগের মত খুব একটা দেখা যায় না। যদিও সাংসদ শামীম ওসমান কোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে কর্মীদের ডাকলে হাজার হাজার কর্মী উপস্থিত হয়। সেক্ষেত্রে বর্তমান নেতৃত্বের ডাকে কর্মীরা তেমন সাড়া দিচ্ছে না। অনেকে বলছে , নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগে কর্মীর চাইতে নেতার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কর্মীর  অভাব দেখা দিয়েছে। জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগে পদ-পদবী নিয়ে বসে আছে অথচ তারা কর্মীর অভাব হারে হারে টের পাচ্ছেন। কউে কউে বলছেন, সামনে নির্বাচন। তাই প্রার্থী বেশি হওয়ায় কর্মীরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এই মুর্হুতে নিদ্দিষ্ট কারও পক্ষে গিয়ে অপর পক্ষের বিরাগভাজন হতে চান না মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাই দলীয় র্কমসূচীগুলোতে কর্মীর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মতে নির্বাচন আসুক দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষে কাজ করবো। এই মূহূর্তে কারো পক্ষে গিয়ে অন্যের বিরাগভাজন হতে চাই না। আবার অপর পক্ষ বলছে, আওয়ামীলীগ দু ময়োদে ক্ষমতায় যারা পদ-পদবী পেয়েছেন দল ক্ষমতায় থাকার সুবাদে বিভিন্ন কায়দায় সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। দলের প্রভাব খাটিয়ে টাকার কুমির হয়েছেন তারাই দল করুক, আমরা কেন শুধু শুধু না খেয়ে বলি হতে যাবো । দলকে ভালবাসী, ভোট আসলে নৌকায় ভোট দিবো।কিন্তু কারো উপরে উঠার সিড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হবো না। এমন মনোভাব ব্যক্ত করছেনে তৃনমূলের অনেক নেতা-কর্মী। ফলে কর্মী শুণ্যতায় ভুগছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ। অথচ ছাত্রলীগের ডাকে শহরে যে মিছিল হয় তা এখনো জেলা কিংবা মহানগর আওয়ামীলীগ তা করতে পারেনি। ২০১৬ সালের ১১ অক্টোবর র্দীঘ ১৪ বছর পর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগরে র্শীষ ৩টি পদে আবদুল হাই, সেলিনা হায়াত আইভী এবং আবুল হাসনাত শহীদ বাদলের নাম ঘোষনা করেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ১ বছর পর ২০১৭ সালের ২৬ নভম্বের ৭১ সদস্যরে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।কমিটি গঠনরে পর থেকে এযাবত কালে জেলা আওয়ামীলীগ চোখে পড়ার মত বড় কোন শো-ডাউন করতে পারেনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে ফুল দেয়া নিয়েও অনাকাংখিতি ঘটনা ঘটে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে কমিটি গঠনের পর নেতার সংখ্যা বাড়লেও কর্মীর সংখ্যা তেমন একটা বাড়েনি জেলা আওয়ামীলীগে। নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধনে কেন্দ্রীয় নেতারা এলেও পরর্বতিতে জোরালোভাবে সদস্য সংগ্রহ করতে দেখা যায়নি। জেলা আওয়ামীলীগের কার্যক্রম অনেকটা  ঝিমিয়ে পড়েছে। এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল হাই জানান, জেলা আওয়ামীলীগের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে বললে ভুল হবে। আমরা  উপজলো ও ইউনয়িন গুলোতে নেতাকর্মীরা সভা করছে। মার্চ মাস শষে হলে আমরা আবারো করবো। অপর দিকে ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রধাণমন্ত্রীর বাসভবনে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগরে সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহার নাম ঘোষনা করনে দলরে সভানেত্রী শেখ হাসনিা। প্রায় ২ বছর পর ২০১৫ সালরে ২৬ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগরে পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দনে প্রধাণমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী। কমিটি গঠনরে প্রথম দেিক যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও নতো-র্কমীদরে ব্যাপক অংশগ্রহন থাকলেও বর্তমানে কর্মী শুন্যতায় ভুগছে মহানগর আওয়ামীলীগ। একারনে নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযানও মুখ থুবড়ে পড়েছে। কর্মী বিহীন হয়ে পড়েছে মহানগর আওয়ামীলীগ। এব্যাপারে মহানগর আওয়ামীলীগরে সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে ফোন করা হলে তিনি মিটিং এ ব্যস্ত আছেন, পরে কথা বলবনে বলে ফোন রেখে দনে।

ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও যাচ্ছে বিকেএমইএ

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

‘বায়ার নয় বাজার সম্প্রসারণ’ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামী ৪ থেকে ৬ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমানের নেতৃত্বে জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও-২০১৮ মেলায় অংশ নিবে বাংলাদেশের ৭৯জন নীট ব্যবসায়ী। ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও কে সামনে রেখে এ বছর জাপানে বাংলাদেশী নীটপণ্য রপ্তানি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে অবস্থিত বিকেএমইএ প্রধান কার্যালয়ে বিকেএমইএ এর পরিচালনা পরিষদের তৃতীয় মাসিক সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি সেলিম ওসমান। তিনি বলেন, বিকেএমইএ এর নেতৃত্বে ৭৯ জন নীট ব্যবসায়ী জাপানে মেলায় অংশ গ্রহণ করবে। মেলায় ৩০টি স্টল বসাবে বাংলাদেশের নীট ব্যবসায়ীরা। কিন্তু আমাদের একটি বিষয় স্মরণে রাখতে হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য বায়ার ধরা নয় বাজার সম্প্রসারন করা। জাপান বছরে সারা বিশ্ব থেকে মোট ১৩ বিলিয়ন ডলারের নীট পন্য আমদানী করে থাকে। এর মধ্যে তারা বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৪০০ মিলিয়ন ডলার পন্য আমদানী করে। তাই আমাদের লক্ষ্য থাকবে জাপানে বাংলাদেশী নীট পণ্যের বাজার সম্প্রসারন করা। প্রয়োজনে আমরা আমাদের নিজস্ব ব্রান্ড নিয়ে জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে অংশদারীত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানি করতে হবে। এছাড়াও প্রয়োজনে জাপান নিজস্ব কারখানা স্থাপন করে সেখানে বাংলাদেশী পণ্যের বাজার সম্প্রসারন করতে হবে। এই মেলাকে সামনে রেখে এ বছর আমরা জাপানে আমাদের রপ্তানির পরিমান ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নির্ধারন করেছি। আমরা পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যেতে পারলে এর পরিমান আরো বৃদ্ধি পাবে। সভায় সেলিম ওসমানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির এর সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, বিকেএমইএ এর প্রথম সহসভাপতি মনসুর আহম্মেদ, দ্বিতীয় সহ সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সহ সভাপতি(অর্থ) হুমায়ন কবির খান শিল্পী, পরিচালক মঞ্জুরুল হক, জিএম ফারুক, মোস্তফা জামাল পাশা, নুরুল আমিন চৌধুরী, মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, শহীদ উদ্দিন আহম্মেদ আজাদ, তারেক আফজাল, শাহাদাৎ হোসেন ভুইয়া সাজনু, খন্দকার সাইফুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, শেখ এইচ এম মোস্তাফিজ, মোস্তফা মনোয়ার ভুইয়া সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দরা।

ছাত্রসমাজকে নির্বাচনী প্রস্তুতির নিদের্শ

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

জেলা মহানগর জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি নিদের্শ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। ৩১মার্চ শনিবার বিকাল ৪টায় উইজমডমে জাতীয় পার্টির মতবিনিময় সভা শেষে জেলা মহানগর জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি নিদের্শণা দেন। জাতীয় ছাত্র সমাজ নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি শাহাদাত হোসেন রূপু, মহানগরের সভাপতি সালাম সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফয়সাল উল্লাহ সহ সকল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মহানগর জাতীয় ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল উল্লাহ কে জানান, পল্লীবন্ধু এরশাদ বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি দলকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল হয়। আগামীতে জাতীয় পার্টির ক্ষমতা আনতে ছাত্রদের অগ্রগতি বৃদ্ধি প্রয়োজন রয়েছে। তোমরা এমপি সেলিম ওসমান ও এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা নিদের্শ মাঠে থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের বিজয়ী নিশ্চিত করতে হবে। তারা তোমাদের অভিভাবক, তোমাদের যে কোন সুবিধা ও সমস্যা তাদের সাথে আলাপ করো। নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনই লাঙ্গল প্রার্থী দেয়া হবে, ছাত্র সমাজ তাদের বিজয়ে প্রধান ভূমিকা থাকবে বিশ্বাস করি।

 

ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন শামীম ওসমান : নাজিম উদ্দিন

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে অবিরাম  কাজ করে যাচ্ছেন। তার আসনের প্রত্যেকটি স্কুল-মাদরাসা নিজ অর্থায়নে বিভিন্ন ভবন নির্মাণসহ অসংখ্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তার এলাকার সকল ছাত্র-ছাত্রীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চান।  শনিবার সকালে ভূইগড় এলাকার হাজী পান্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের দৃষ্টি শক্তি পরীক্ষা, ছানি রোগী বাঁছাই এবং ডায়াবেটিস ও হার্ট চেকআপ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লায়ন্স ক্লাব অব নারায়ণগঞ্জ গ্রেটারের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকসহ এলাকাবাসীর মাঝে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত দৃষ্টি শক্তি পরীক্ষা, ছানি রোগী বাঁছাই এবং ডায়াবেটিস ও হার্ট চেকআপ সেবা প্রদান করা হয়। নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই স্কুলটি যার নামে করা হয়েছে তিনি একজন মহৎ মানুষ ছিলেন। হাজী পান্দে আলীকে ভালবাসে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান প্রথম স্কুলটির জন্য অনুদান দেন। সাম্প্রতিককালে তিনি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি ৪ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তার অনুদানে বিভিন্ন কাজ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসীর জন্য চোখের দৃষ্টি শক্তি পরীক্ষা, ছানি রোগী বাঁছাই এবং ডায়াবেটিস ও হার্ট চেকআপ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। অনেক গরীব ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা টাকার অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারে না। তাদের জন্য আজকের এই কার্যক্রম কল্যাণ বয়ে আনবে। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, লায়ন্স ক্লাব অব নারায়ণগঞ্জ গ্রেটারের জেলা গভর্ণর আখতারুজ্জামান, সভাপতি ডা. নুরুল ইসলাম, ডা. শহীদুল ইসলাস রাসেল, স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিশির কুমার বালা ও ডা. অনুত্তম বণিক অন্যান্য ডাক্তাররা।