আজ : মঙ্গলবার: ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ইং | ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী | সকাল ৯:১১
BADAL
শিরোনাম
ডিএনডি’র জলাবদ্ধতায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান পানির নিচে-❋-আওয়ামীলীগে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের কেন্দ্রীয় হুশিয়ারি...-❋-হকার ইস্যুতে আবারও অশান্ত হওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জ !-❋-ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের বেহাল দশা রোদে ধুলা-বৃষ্টিতে কাদায় জনভোগান্তি-❋-লন্ডনের কার্টেজ হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার শফিকুলের সাথে আলোচনা-❋-সকল মানুষেরই প্রাণের মায়া আছে :লিপি ওসমান-❋-নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনীতে ডিসি : ফাস্টফুড আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর-❋-সাড়ে চার কোটি টাকার মাদক ধ্বংস !-❋-মাঠে নামার প্রস্তুতিতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি-❋-ওয়াসার দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহারের অযোগ্য ॥ সীমাহীন ভোগান্তিতে নারায়ণগঞ্জবাসী

সাংগঠনিক সফরের দিকে নজর নেই না’গঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত সাংগঠনিক সফরের ব্যাপারে একেবারেই উদাসীন দেখা যাচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীরা সফরের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকলেও নেতারা সফরের দিকে নজর দিচ্ছেন না। তার উপর সম্প্রতি জেলার ৭টি থানায় দায়েরকৃত নাশকতা ও বিস্ফোরক ১৩টি মামলায় জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতারা তাদের উচ্চ আদালতের জামিননামা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জমা দেয়ার পর আদালত এখনো কোন আদেশ দেয়নি। কারাগারে যেতে হবে নাকি হবেনা সেই অপেক্ষায় প্রহর যাচ্ছে দলের হাজারো নেতাকর্মীদের। দলের নেতাকর্মীরা চাচ্ছেন আদালতের আদেশ দেয়ার আগেই জেলা ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সফর সম্পন্ন করতে। এতে করে দলের সাংগঠনিক অবস্থা বুঝে কেন্দ্র নেতাকর্মীরা জেলে গেলে বা শীর্ষ নেতারা কারাগারে গেলে দলের পরবর্তী যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তবে নেতারা সাংগঠনিক সফরের ব্যাপারে এখনো কোন সিদ্ধান্তও নেননি, দলের কোন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগও করেননি। জানা যায়, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে ও দলের এই আন্দোলনে জনসাধারণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে সাংগঠনিক সফর করবে দলটি। ইতোমধ্যে সফরের জন্য পাঠানো চিঠি নারায়াণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে যা নেতারা হাতে পেয়েছেন। দলের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দলনেতার সাথে এখনো কথা হয়নি তবুও দলের এ কর্মসূচী পালনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের ভেতরে রয়েছে উৎসাহ ও উদ্বেগ। নেতারা বর্তমান এই অবস্থায় দলের এই কর্মসূচীকে কিভাবে সফল করবেন তা নিয়ে নিজেদের মধ্যেও আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন। নেতাকর্মীরা দলের এই কর্মসূচী পালনকে কেন্দ্র করে নিজেরা নিজেদের মত প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। দলের এই সভা আগামী নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচনকে টার্গেট করেই মূলত দলের এ কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানান নেতারা। দলীয় সাংগঠনিক সফর সফল করতে প্রতিটি জেলা ও মহানগরে একজন করে দলনেতা নির্ধারন করে দিয়েছেন কেন্দ্র। দলনেতার নেতৃত্বে জেলা ও মহানগরে নেতাদের সফরগুলো সফলভাবে করতে বিশেষভাবে নির্দেশনা দিয়ে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী চিঠি দিয়েছেন জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকদের। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সফরের দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে এ সফর সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে চিঠিতে।

এবার ফুটপাত উচ্ছেদে নাসিক কর্মকর্তারা মাঠে

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর হুশিয়াী উচ্চারণের পর এবার অভিযানে নেমেছেন কর্মকর্তারা। গতকাল বুধবার দুপুরে নগরীর মিশনপাড়া, ডনচেম্বার ও নবাব সলিমুল্লাহ রোড এলাকার ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে ফুটপাতে মালামাল রাখার অভিযোগে সলিমুল্লাহ সড়কের খানপুরে সুন্দরবন হোটেলকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আলমগীর হিরণ। তিনি বলেন, ফুটপাথ উচ্ছেদ করার ব্যাপারে মেয়র কঠোর। তিনি ফুটপাত দখলকারীদেরকে কোনভাবেই ছাড় দিতে রাজী নয়। এছাড়া ফার্নিচার ব্যবসায়ীদেরকে সকর্ত করা হয়েছে। যদি তারা ফুটপাত দখল করে সামগ্রী রাখে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নাসিক কর্মকর্তা আসাদুল ইসলাম, শাকিল ও অমিন চন্দ্র দে।  গত মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর মিশনপাড়া এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য রাখা হলে তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিলসহ মালামাল জব্দ করার হুশিয়ারী দিয়েছিলেন।

সদর থানাকে বিতর্ক পিছু ছাড়ছেনা

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বার বার বিতর্কে বিঁধতে শুরু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়েছে এ থানার একাধিক কর্মকর্তা। আর এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা ধরনের সমালোচনা। সবশেষ একটি মামলার দুই ধরনের এজাহার রুজুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে জামায়াতের পৃষ্ঠপোশকের অভিযোগে একই থানার একটি মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তির ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করতে দেখা গেছে থানার ওসিকে। এছাড়াও অপরাধীদের প্রশ্রয় থেকে শুরু করে ১৬ জানুয়ারী আলোচিত হকার ইস্যুর ঘটনার পরেও অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে নাটকীয়তা হয়েছে খোদ প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমান অভিযোগ তুলেন। জানা গেছে, গত ৩১ মার্চ নারায়ণগঞ্জ সদর থানার আওতাধীন চর সৈয়দপুর এলাকাতে একটি সিমেন্ট কারখানার বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেখানকার গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নওশেদ আলী সহ অন্তত ১০জন আহত হয়। ওই ঘটনায় মো. বাবু নামের একজন সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বাবু মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করেন। অভিযোগের এক অংশে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী ও হত্যার উদ্দেশ্যে চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়। সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার ওই অভিযোগ গ্রহণ করে মামলার নাম্বার সহ ৩২৬ ও ৩৮৫ সহ আরো কয়েকটি ধারা সংযুক্ত করে। পরে বাদী বাবু ওই এজাহার কপি সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের কাছে দেওয়া হয়। ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের একটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানীর সময়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হাসান ফেরদৌস জুয়েল ৩২৬ ও ৩৮৫ ধারায় অভিযোগের বিষয়টি সামনে এনে আসামীদের জামিন না প্রদানের জন্য শুনানীতে অংশ নেন। কিন্তু তখন আসামী পক্ষের আইনজীবী বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন ও ৩২৬ ও ৩৮৫ ধারা এজাহারে নাই উল্লেখ করেন। পরে বিচারক আসামীদের জামিন প্রদান করেন। হাসান ফেরদৌস জুয়েল জানান, বাদী আমাকে যে এজাহার কপি দিয়েছে সেখানে পুলিশের সাক্ষর, মামলার নাম্বার ও মামলায় অভিযোগের ধারা উল্লেখ ছিল। আমি সে আলোকে শুনানীতে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু পরে দেখি আদালতে পাঠানো মামলার কপিতে অভিযোগের কিছু অংশও নাই ও ধারাও দুটি নাই। মামলার বাদী মো. বাবু জানান, আমার কাছে ডিউটি অফিসার (নাম জানাতে পারেনি) কয়েকটি সাদা কাগজে সাক্ষর নিয়েছেন। পরে আমাকে একটি এজাহার কপি দেন। সেটাই আমি আইনজীবীকে দিয়েছি। কিন্তু মঙ্গলবার আদালতে গিয়ে জানতে পারি আমাকে যে এজাহার কপি দিয়েছে তার সঙ্গে কোর্টে পাঠানো এজাহারের মিল নাই। এর পেছনে আসামীদের বাঁচাতেই পুলিশ এ কাজটি করেছে।

জামায়াতের পৃষ্ঠপোশককে অব্যাহতি, ওসি নিল ফুল

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়ের করা প্রথম সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় জামায়াত শিবির ও নাশকতাকারীদের পৃষ্ঠপোশক হিসেবে নাম ছিল ব্যবসায়ী আল জয়নালের। বছরখানেক আগে অনেকটা চুপিসারেই জয়নালকে সেখান থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন আদালতে জমা করা হয়। কিন্তু এ নিয়ে পুলিশ প্রশাসনে বিষয়টি আলোচনা করে নতুন করে তদন্ত শুরু করেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক। অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জয়নালকে বাদ দেওয়া আর সে সুবাধে রাজ্জাকের জ্ঞাতসারেই ৩০ জানুয়ারী আল জয়নাল নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় গিয়ে যোগ দেওয়া নতুন ওসি কামরুল ইসলামকে গিয়ে ফুল দেন জয়নাল। কামরুল ইসলাম গত ২৮ জানুয়ারী থানায় ওসি হিসেবে যোগ দেন। জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে প্রথমবারের মত মামলা হয়। মামলায় ১১ জনকে আসামী করা হয়। সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ২০০৯ এর ৬(২)/১০/১৩ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সংঘঠন, গোপন ষড়যন্ত্র, অপরাধ সংঘঠেন পরস্পর সহযোগিতা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে প্ররোচিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আসামীরা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনকে অস্থিতিশীল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিরুদ্ধে গোপন সন্ত্রাসের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। আসামীদের বিভিন্ন সন্ত্রাসীমূলক কর্মকান্ডে পৃষ্ঠপোশকতা ও আর্থিক সহায়তাকরী হিসেবে খবিরউদ্দিন, জয়নাল, আলমাস ও ইব্রাহিম সহ অনেকেই সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশের সমালোচনা এমপি শামীম ওসমানের

জানা গেছে, গত ১৬ জানুয়ারী হকার ইস্যুতে শহরে সংঘর্ষের দিন নিয়াজুল ইসলাম নামের একজনের অস্ত্র খোয়া যায়। ঘটনার পর থেকে নিয়াজুল পলাতক থাকলেও ওই সময়ের থাকা ওসি আবদুর রাজ্জাক কখনোই নিয়াজুলকে ধরতে চেষ্টা করেনি। বরং পুলিশের নীরবতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনার পরেও নিয়াজুল সহজে ভারতে গেলেও পুলিশ ছিল দর্শক। ঘটনার পরদিন ১৭জানুয়ারী নিয়াজুল ইসলামের তার ছোট ভাই রিপন খানের মাধ্যমে সদর মডেল থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অস্ত্র লুটের ঘটনায় অভিযোগ দেন। পুলিশ সেটাকে জিডি হিসেবে গ্রহণ করেছিল। পরে গত ২৫ জানুয়ারী রাতে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে সাধু পৌলের গির্জার সামনে একটি ফুলের টব থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন অস্ত্র প্রদর্শনকারী নিয়াজুল ইসলাম খান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক শাহ নিজামসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত প্রায় এক হাজার জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ করেন জিএমএ সাত্তার। তবে এ অভিযোগ এখনও মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি পুলিশ। ২৭ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের ওসমানী স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগি সংগঠন, জনপ্রতিনিধিদের প্রস্তুতিমূলক সভায় শামীম ওসমান পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন ‘যাদের নামে অভিযোগ হয়েছে তাদের ধরা তো দূরের কথা মাথার চুলের আগা ধরলে আগুন ধরিয়ে দিব।’ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি প্রশাসনকে বলছি ডাবল গেম করবেন না। নিয়াজুলের অস্ত্র নিয়ে নাটক করবেন না। কারা অস্ত্র লুট করেছে তাদের ধরেন। এসব নাটক করবেন না। আমি এর জবাব দিব। আমার ধৈর্যের বাধ ভেঙে গেছে।’

পুলিশের বক্তব্য

এসব ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, আল জয়নালকে আমি চিনতাম না। আমি থানায় জয়েন করার ২দিন পরেই তিনি ফুল দিয়েছেন।

 

রূপগঞ্জে অস্ত্রসহ ডাকাত গ্রেফতার

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

রূপগঞ্জে ২ রাউন্ড গুলি ও ১টি এলএমজি পিস্তল সহ  কুক্ষাত ডাকাত শাওন গ্রেফতার। শিল্পাঞ্চল পুলিশের নারায়ণগঞ্জ জেলা ভারপ্রাপ্ত পুলিম সুপার ইনটুথ মিশের নেতৃত্বে ইনিসপেক্টর রিপনসহ সংগিয় ফোর্স নিয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উত্তর রুপসির কাজিপাড়া এলাকার আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে কুক্ষাত ডাকাত  শাওন (২৭) কে গ্রেফতার করেন। গত ২০ জানুয়ারি রূপগঞ্জের ইস্কাই পলিমার ইন্ডা:ক:লি: এর ভিতরে মালামাল চুরি হয়, এব্যাপারে রুপগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় যার নাম্বার ৪৩, এই চুরি যাওয়া মালামালের খোজে শিল্পাঞ্চল পুলিশ- নারায়ণগঞ্জ এর একটি বিশেষ টিম গতকাল বুধবার উত্তর রুপসির কাজিপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে কুক্ষাত ডাকাত শাওন (২৭)কে গ্রেফতার করাহয়েছে।এব্যাপারে ইনিসপেক্টর রিপন নি: বলেন ওর পেছনে বেশকয়েক দিন যাবত আমাদের স্যার শিল্পাঞ্চল পুলিশ- নারায়ণগঞ্জ জেলা ভারপাপ্ত পুলিম সুপার ইনটুথ মিশের নেতৃত্বে অনেক নিরালস পরিশ্রমের পর ওকে গ্রেফতার করতে স্বক্ষম হয়েছি, ও অনেক চালাক। একে গ্রেফতার কালে ২ রাউন্ড গুলি ও ১টি এল,এম,জি পিস্তল উদ্ধার করেছি এই ব্যাপারে রুপগঞ্জ থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করার পক্রিয়া চলছে।

 

দুই বছরেও হয়নি নলখালি ব্রীজ

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১০নং ওয়ার্ড নলখালী খালের উপর একটি ১০ মাস পার করে দিয়ে দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে স্থানীয়দের। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, বাজার ঘাটের জন্য আসা মানুষ, শিল্প কারখানার শ্রমিক, ২০ টি এলাকার সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের অন্ত নেই। সিটি কর্পোরেশন বলছে একটি ব্রীজ করতে ২ বছরেরও বেশি সময় লাগে। জানা গেছে, পানির কল এলাকায় নলখালী খালের উপর সিটি গভর্ন্যান্স প্রজেক্ট (সিজিপি) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের পরিচালনায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সীর (জেআইসিএ) অর্থায়নে এল এ নং বিডি পি ৭৯, ২০১৬ সালের মে মাসে ১২ মিটার আরসিসি ব্রীজ নির্মানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নাসিক ১০ নং ওয়ার্ডের নীট কনসার্ন গার্মেন্টের পিছনের রাস্তায় এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের মার্চ মাসের ৫ তারিখে। ব্রীজ নির্মানের সময় সীমা দেয়া হয়েছে ৩৬০ দিন। ২ কোটি ১১ লাখ ১৪ হাজার ৬শ ৬ টাকা ব্যায়ে ব্রীজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ব্রীজ নির্মানের কার্যাদেশ দেয় হয়। প্রমোনেন্ট কাশেম জেভি নামে কাজের মূল ঠিকাদার। আরও জানা যায়, ১ বছরের কম সময়ের মধ্যে ব্রীজ নির্মান সম্পন্ন করার কথা থাকলেও ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও ব্রীজের ১৫ শতাংশ কাজ করতে পারে নি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। পানির কল এলাকার কামাল উদ্দিন বলেন, গত কুরবানী ঈদের আগে থেকে মাটি কাটা শুরু করা হয়। মাটি কেটে বাঁশের সাকো দেয়া হয়েছে সড়কটিতে। সেই সড়ক দিয়ে ১০টি স্কুলের কোমলমতি শিশুরা স্কুলে আসা যাওয়া করছে। সাকো পার হতে গিয়ে শিশুদের দুর্গতির শেষ নেই। আজিম মার্কেট প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষী নারায়ণ কটন মিল উচ্চ বিদ্যাল, চৌধুরীবাড়ি জ্ঞানের আলো বিদ্যালয়, পাঠানটুলী মর্জিয়া বিদ্যালয়, আইটি স্কুলের ছোট ছোট শিশুরা এ সাকো দিয়ে চলাফেরা করছে। এলাকায় ২ টি মাদ্রাসা রয়েছে। এ সাকো দিয়ে উপচে পড়া মানুষের ভীড় থাকে। অতি কষ্টে এ সাকো দিয়ে ২০টি এলাকার মানুষ পারাপার হতে হচ্ছে। এলাকার চায়ের দোকানদার নুর ইসলাম বলেন, আমাদের কষ্টের কথা বলার কোন লোক নেই। ব্রীজ করবে ভাল কথা লাখ লাখ মানুষ কিভাবে পারাপার হবে সে বিষয়ে কারো কোন মাথাব্যাথা নেই। রাস্তার ব্যবস্থা না করে বাঁশের সাকো দিয়ে মানুষকে চলতে হচ্ছে। জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম এহতেশামুল হক বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী বিস্তারিত জানাবেন। নির্বাহী প্রকৌশলী আজগর আলী বলেন, ১টি ব্রীজ করতে কমপক্ষে ২ বছর সময় লাগে। ৬ মাস পার হয়ে গেছে মাটির কাজ করতে। ওয়াসা, ডিপিডিসি, ডেসা ও তিতাস গ্যাস তাদের লাইন সরাতে সময় নিয়েছে। এর বেশি বিস্তারিত কোন কিছু বলতে তিনি নারাজ।

যানজটে পড়ে অসহায় অফিসগামী যাত্রীরা

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ঘড়ির দিকে বার বার তাকাচ্ছে আলী হোসেন। অফিসের সময় চলে যাচ্ছে। কিন্তু যানজটে আটকে আছেন তিনি। কখন গন্তব্যে পৌছাবেন তিনি জানেন না। এভাবে প্রতিদিন নারায়ণগঞ্জবাসীর কর্মঘন্টা নষ্ট হচ্ছে। বিলম্বে অফিসে যাওয়ার কারণে অনেকে পড়ছেন বিপাকে। কারো কারো হাজিরায় উঠছে লাল কালির দাগ শুধুমাত্র শহরের যানজটের কারণে। গতকাল বুধবার সকালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের চিত্র ছিলো এটি। সড়ক সংস্কার ও কালবার্ড নির্মাণ কাজ চলায় স্থবির হয়ে ছিলো পুরো সড়ক। এতে দীর্ঘ সময় যানজটে পড়তে হয় যাত্রীদের। সবচেয়ে বেশী ভোগান্তিতে পড়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা। শুধু ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের এ চিত্র নয়, একই চিত্র ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও নগরীর বিভিন্ন অলিগলীর সড়কেও। এ সকল গুলোতে উন্নয়ন কাজ চলায় ভোগান্তি সহন করতে হচ্ছে মানুষের। ঢাকাগামী কামাল হোসেন জানান, সকাল ১০টা থেকে অফিস শুরু। সেই সকাল ৮টায় বাড়ি থেকে রওনা দেওয়ার পরও এখনও নারায়ণগঞ্জ চাড়তে পারছিনা। সড়ক সংস্কার ও কালবার্ড নির্মাণ করায় যানজটের জন্য প্রায়ই নির্দিষ্ট সময়ে পৌছাতে ব্যর্থ হই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের চাষাড়া অঞ্চলে ড্রেন ও কালবার্ডের কাজ চলছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সড়কে চলছে সংস্কার কাজ। ফলে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কেরও একই চিত্র দেখা গেছে। চার লেনের মধ্যে বাম পাশের দুই লেনের সংস্কার কাজ চলছে। বাকি দুই লেন আসা-যাওয়ার জন্য খোলা রাখা হয়েছে। এছাড়া পশ্চিম দেওভোগ এলাকার আলী আহম্মদ চুনকা সড়কেও বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনার জন্য দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে।সড়কগুলোর দায়িত্বে থাকা একাধীক ট্রাফিক পুলিশ জানান, মহাসড়কের চার লেনের মধ্যে বাম পাশের দুই লেনের সংস্কার কাজ চলছে। এছাড়া ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোর্ডের একটি সড়কে চলছে সংস্কার কাজ। ফলে সড়ক দুটির কোথাও ধীর গতি আবার কখনো যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থা ২ মাস যাবতই। অন্যদিকে আলী আহম্মদ চুনকা সড়কের পথচারী আবুল হোসেন বলেন, দীর্ঘ দিন যাবত সড়কটিতে ৩৩ কেভি উচ্চতাপ সম্পন্ন বৈদ্যুতিক ক্যাবল লাইনের কাজ চলছে। এতে প্রতিদিনই পশ্চিম দেওভোগ এলাকার আলী আহম্মদ চুনকা সড়কে সকল সন্ধ্যা যানজট লেগে থাকে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে সিএনজি চালক সুমন জানান, ২ মাস যাবত এই সড়কের চাষাড়া অংশে ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। এর মধ্যে এখন আবার ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জগামী সড়কে ধীর গতিতে হচ্ছে কালবার্ট নির্মাণ। এতে প্রতিদিনই তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ট্রাফিকের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ বলেন, উন্নয়নও করতে হবে, আবার মানুষের ভোগান্তীও যাতে চরম পর্যায়ে না পৌছায় সেই দিকেও খেয়াল রাখতে হয়। তাই ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংক রোর্ডে সার্বক্ষনিক ট্রাফিকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য সড়ক গুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হলে সড়কের উন্নয়ন কাজও সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সামান্য বৃষ্টিতেই বিসিকে হাটু পানি

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ফতুল্লার পঞ্চবটি বিসিক শিল্প নগরী। এখানে রয়েছে ছোট বড় কয়েক শত শিল্প কারখানা। এসব শিল্প কারখানার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে লক্ষাধিক শ্রমিক- কর্মচারী। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে বিসিক নগরী। কিন্তু বিসিক শিল্প নগরীতে প্রবেশের অন্যতম রাস্তা বিসিকের ৩ নম্বর গেটের রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তাটির অবস্থা এতটাই করুন যে, সামান্য বৃষ্টিতেই জমে যাচ্ছে হাটু সমান পানি। ওই পানি সপ্তাহেও সরে না। এতে নানারকম সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচরীরা। বিশেষ করে সকালে কর্মস্থলে পৌছানোর সময় এখানে প্রচন্ড হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। রাস্তার কোথাও কোথাও গর্ত রয়েছে, যা পানির নিচে তলিয়ে থাকায় রিক্সা, অটো এক পাশ দিয়ে চলাচল করতে হয়। যে কারণে চলাচলের গতি কমে নষ্ট হচ্ছে কর্ম সময়। তাড়াতাড়ি চলতে গিয়ে ঘটছে রিক্সা উলটে যাওয়ার মত ঘটনাও। রাস্তার এমন বেহাল অবস্থা দেখেও নেওয়া হচ্ছে না সংস্কারের ব্যবস্থা। এদিকে রাস্তার পঁচা পানি মাড়িয়ে যাতাযাত করতে গিয়ে চর্ম রোগসহ নানা পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শ্রমিকরা। অন্যদিকে কর্মক্ষেত্রে পৌছতে লেট হওয়ায় শুনতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের বকা ঝকা। তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই বাড়ি থেকে বাড়তি সময় নিয়ে বের হচ্ছে। রাস্তার পাশের এক দোকানদার বলেন, গত এক বছর ধরে বৃষ্টি এলেই এখানে পানি জমে থাকে। শুষ্ক মৌসুমে তিন মাস শুষ্ক থাকলেও পরবর্র্তীতে বৃষ্টি এলেই জমে পানি। বৃষ্টি বেশি হলে দোকানেও পানি ঢুকে পড়ে। এতে প্রচুর লোকসানের মুখে পড়তে হয় আমাদের। রাস্তায় পানি জমে থাকায় গ্রাহক আসতে চায় না। আরেক দোকানদার বলেন, গত বছর প্রচুর পানি জমে ছিল। অন্যান্য জায়গা থেকে রাস্তাটি নিচু হওয়ায়, সব পানি এখানে এসে জমে থাকে। কারখানার বর্জ্য মিশ্রিত পানি দির্ঘদিন জমে থেকে প্রচুর দূর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। তখন এখানে থাকাটাও দুষ্কর হয়ে যায়। গত বছর পানি শুকানোর পর ড্রেন পরিষ্কার করা হয়। রাস্তা উঁচো করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই এবারও গত শুক্রবারের বৃষ্টির পানি এখনো শুকায় নি। রাস্তা উঁচো করলে এমনটা হত না।

 

 

না’গঞ্জ বিএনপি আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনেও প্রস্তুত

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের পাশাপাশি আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি। সেলক্ষ্যে গোপনে গোপনে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। বিগত সময়ে বিএনপি নেতা-কর্মীরা সরকারের চাপে ফলপ্রসু আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই ব্যর্থতা গোচাতে বিএনপি আবারও সংগঠিত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই সাথে এ দলটি নির্বাচনের জন্য আট ঘাট বেধে মাঠে নামছে। নির্বাচন ও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বার্তা দেয়া হয়েছে। গত সোমবার বিএনপির সর্বোচ্চ ফোরামের বৈঠকে আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষনা দিয়েছে বিএনপি। আগামী ১৫ মে দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। একই দাবিতে বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনও বয়কট করেছে দলটি। সম্প্রতি সেই দাবির সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন। এরই মধ্যে দলটি আবার আসন্ন দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তের কথাও জানান দিয়েছে। ফলে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। এই নির্বাচনকেই রাজনৈতিক মোড় ঘোরানোর সুযোগ হিসেবে দেখছে দলটি। বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অভিযোগ রয়েছে, খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন ও আগামী সিটি নির্বাচনকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে মূলত নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে। তবে নেতারা মনে করছেন, নির্দলীয় সরকারের দাবি ও খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের বাহক হচ্ছে সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত। তাই সিটি নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে প্রাধান্য না দিয়ে এর মাধ্যমে প্রধান টার্গেট হচ্ছে নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা ও খালেদা জিয়ার মুক্তি। জ্যেষ্ঠ নেতাদের ভাষ্য, বিএনপির প্রধান লক্ষ্য, প্রধান এই দুই ইস্যুকে জনগণের দ্বারে দ্বারে সহজে পৌঁছানো। নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতারা জানান, ‘বিএনপি নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের আন্দোলনে রয়েছে। কোনো ইস্যুতেই সেই দাবি ও লক্ষ্য পূরণ করা থেকে পিছপা হয়নি, হবেও না; বরং বিএনপি সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। তাই শত হয়রানি-অত্যাচার-নির্যাতনও বিএনপিকে এই দাবির পথ থেকে সরাতে পারবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন, আগামীতে খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বিএনপির চলমান আন্দোলনের একটি ধাপ। কাজেই একটির সঙ্গে আরেকটির সম্পৃক্ততা রয়েছে। ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ আমরা এই মুহূর্তে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচিও পালন করে যাচ্ছি। মোট কথা হচ্ছে, বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক দল। তাই বরাবরের মতো এবার স্থায়ী পর্যায়ের সকল নির্বাচনে অংশ নেবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলছে ভেতরে ভেতরে।

 

নারীরা স্বাবলম্বী হলে দেশ এগিয়ে যাবে: বাবলী

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হোসনে আরা বাবলী বলেছেন, নারীদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে আত্মনিয়োগ করতে হবে। এতে করে সমাজে নারীদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে। কারণ সমাজের অর্ধেকাংশই নারী। সমাজের এই অর্ধেকাংশ যদি পুরুষের সাথে সমানতালে এগিয়ে না যায় তাহলে একটি সমাজ একটি রাষ্ট্র পরিপূর্ণ এবং দৃঢ় অবস্থানে যেতে পারে না। একজন নারী স্বাবলম্বী মানে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হওয়া তার সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুন্দর হওয়া। আর একটি পরিবার স্বাবলম্বী হলেই একটি সমাজের পরবির্তন ঘটে আর একটি সমাজের উন্নয়ন হলেই আমাদের রাষ্ট্রের উন্নয়ন হবে। তিনি আরো বলেন, নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় এবং সরকারীভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের নারীরা বর্তমানে সকল ক্ষেত্রেই সম্মানজনক অবস্থানে আছে। অতীতে আমাদের মধ্যে প্রচলন ছিল যে মেয়েরা বড় হলে শুধুমাত্র ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার হবে কিন্তু কালের বিবর্তনে প্রতিনিয়ত যে হারে জনসংখ্যা বাড়ছে সেক্ষেত্রে কাজের সুযোগও এখন খুব সীমিত। তাই শুধুমাত্র সরকারী চাকুরীর দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। নিজেদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবে ৩ দিন ব্যাপী গার্লস এম্পাওয়র্ড বৈশাখী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সকল কথা বলেন।আয়োজনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর এ গ্রুপের প্রায় ২০ জন নারী তাদের নিজস্ব সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বসেছেন মেলায়। গ্রুপ মডারেটর হিসেবে আছেন সামিয়া রহমান সংজ্ঞা এবং নিশাত প্রমুখ।

সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুন্ডায় নির্মান কাজ পরিদর্শণকালে মেয়র আইভী , উন্নয়নের খোঁজ নেওয়ার অধিকার জনগনের রয়েছে

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আইভী বলেন, সিটি উন্নয়ন জনগনের জন্য। এ উন্নয়ণ সঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা তাও জনগনের খোঁজ নেওয়ার অধিকার আছে। তাই ঠিকাদেরর অনিয়ম,নির্মসামগ্রী ব্যবহার করলে জনগনকে তা প্রতিহত করবেই। তিনি গতকাল বুধবার সকালে নাসিক ৮নং ওয়ার্ডে ৫৮ কোটি টাকার বিভিন্ন চলমান কাজ পরিদর্শনের এসে এসব কথা বলেন। এসময় বিভিন্ন প্রকল্পের ঠিকারার ও দায়িত্বরত সিটি প্রকৌশলীকে কঠোর ভাষায় শাষিয়েছেন মেয়র। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাসিক ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা,বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন মহি মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এহসান কবির রমজান, যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান রিপন, কামরুল ইসলাম বাবু, শামীম, জামান মিয়া, সাইফুল ইসলাম বাবু, সাদ্দাম হোসেন,বশির আহমেদ, শরীফ হিরা, মোতালিব প্রমূখ। এর আগে সৈদয়পাড়া ও ধনকুন্ডা এলাকাবাসী পানির সমস্য আছে বলে মেয়রকে অবগ্রতি করেন। পরে মেয়র ওয়াসার সাথে কথা বলে সমাধানের আম্বাস দেন। পরে মেয়র আইভী চৌধুরীবাড়ি, বৌবাজার, সৈদয়পাড়া ক্যানেলপাড়, শান্তিনগর ক্যানেলপাড়, ধুনকুন্ডা এলাকা চলামান উন্নয়ন মূলক কাজ পায়ে হেটে পরিদর্শন করেন।