আজ : মঙ্গলবার: ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ইং | ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী | সকাল ৯:১২
BADAL
শিরোনাম
ডিএনডি’র জলাবদ্ধতায় পঞ্চাশ বিঘা জমির ধান পানির নিচে-❋-আওয়ামীলীগে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের কেন্দ্রীয় হুশিয়ারি...-❋-হকার ইস্যুতে আবারও অশান্ত হওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জ !-❋-ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের বেহাল দশা রোদে ধুলা-বৃষ্টিতে কাদায় জনভোগান্তি-❋-লন্ডনের কার্টেজ হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার শফিকুলের সাথে আলোচনা-❋-সকল মানুষেরই প্রাণের মায়া আছে :লিপি ওসমান-❋-নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনীতে ডিসি : ফাস্টফুড আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর-❋-সাড়ে চার কোটি টাকার মাদক ধ্বংস !-❋-মাঠে নামার প্রস্তুতিতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি-❋-ওয়াসার দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহারের অযোগ্য ॥ সীমাহীন ভোগান্তিতে নারায়ণগঞ্জবাসী
17-

না’গঞ্জের অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেনা প্রশাসন

Habibor badal | ১৬ এপ্রিল, ২০১৮ | ১:২৫ পূর্বাহ্ণ

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে কোনো রকম ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। সূত্র বলছে, ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর গুলিস্তানের ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদের সময় হকারদের সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারিদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষ হয়। এ সময় ছাত্রলীগের দুই নেতা অস্ত্র উঁচিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করেন। অনুরূপভাবে ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি নগরীতে হকার উচ্ছেদের ঘটনায় মেয়র আইভীসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারিদের উপর হামলা চালায় হকারসহ শামীম ওসমান পন্থী নেতাকর্মীরা। এসময় অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, নিয়াজুল, আবু সুফিয়ান। এছাড়াও সংঘর্ষের ঘটনায় মেয়র আইভীর উপরও হামলা চালানো হয়। এদিকে এ ঘটনার চার মাস অতিবাহিত হলেও অস্ত্রধারিদের বিরুদ্ধে কোনো রকম ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জনমনে ক্ষোভসহ নানা প্রশ্নেরই উদ্রেক করেছে। বলা হচ্ছে এভাবে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করা অস্ত্রধারীদের ছাড় দিলে আগামীতে অপরাধ আরও বেশি সংঘটিত হবে। তাই সুষ্ঠুতদন্ত সাপেক্ষ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী। নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ কামরুল ইসলাম বলেন, “এ ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত এখনও চলমান। চেষ্টা করছি যতটা দ্রুত সম্ভব আমরা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে।” গত ১৬ জানুয়ারি হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সদর মডেল থানা পুলিশ বাদী হয়ে আইভী ও শামীম ওসমান গ্রুপের ৫‘শ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছিলো। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ওই মামলা করা হয়। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের হকার উচ্ছেদের ঘটনায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জসিমউদ্দিন হায়দারকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিলো। কমিটির অন্য দু’জন হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান এবং র‌্যাবের সহকারী পরিচালক বাবুল আক্তার। তবে এতদিন পরও এই কমিটি এখনও পর্যন্ত তাদের তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। এ নিয়েও ক্ষোভ জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, “যাঁরা প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করেছে তাঁদের ছবি পত্রিকাতে এসেছে। সেটি স্পষ্ট, দিবালোকের মতো সত্য। তাহলে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে এতো সময় লাগবে কেন? আর তদন্ত কমিটিই এতটা কালক্ষেপন কেন করছে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে?”  আব্দুর রহমান বলেন, “সেদিন যাঁরাই অস্ত্র প্রদর্শন করে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করেছে তাঁরা যাঁরাই হোক না কেন তাঁদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানাই। আমরা চাই নারায়ণগঞ্জে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিরাজ করুক। অপরাধীদের ছাড় দেয়া না হোক।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *