জাপানে নীটপণ্য রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বিকেএমইএ, এনসিসিআই ও বিসিসিআইজে আলোচনার মাধ্যমে জাপানে নীটপণ্য রপ্তানি করার কথা বলেছেন বিকেএমইএ সভাপতি ও সদর-বন্দর আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিআই) ইন জাপান কর্তৃক সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জাপানী ব্যবসায়ীদের নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মদনগঞ্জে শান্তিরচরে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত নীটপল্লীতে বিনিয়োগের আমন্ত্রন জানিয়েছেন। বিসিসিআই ইন জাপান এর সভাপতি বাদল চাকলাদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা পূর্বক আলোচনা সভায় জাপানে বাংলাদেশী নীটপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে করণীয় এবং তাতে জাপানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সহায়ক ভূমিকা পালনের কর্মপন্থা নির্ধারণ ছিল আলোচনা সভার মূল আলোচ্য বিষয়। সভায় বিকেএমইএ সভাপতি ও সদর-বন্দর আসনের সংসদ সদস্য বলেছেন, রাজনীতি হবে দেশ  উন্নয়নের রাজনীতি। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে জাপানে বাংলাদেশের অনেক পণ্য বিভিন্ন দেশের হয়ে আমদানী হয়ে আসছে। আমরা জাপানে ব্যবসা করতে চাই। জাপানে অনেক বাংলাদেশী ব্যবসায়ী রয়েছেন আমরা তাদের সাথে ব্যবসা করতে চাই। জাপানে ৩ লাখ বাংলাদেশীদের সাথে ১২ হাজার জাপানী ব্যবসায়ী রয়েছে। আমরা তাদের সাথে বাণিজ্যিক বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে চাই। জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ রেখে সেলিম ওসমান বলেন, আপনাদের  রাজনৈতিক পরিচয়ের উর্ধ্বে দেশপ্রেমিক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশের পোশাকের মান অনেক বেশি ভাল। আমাদেরকে সব সময় উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হবে। জাপানে বিকেএমইএ এর কার্যালয় করা হবে। জাপানে ব্যবসারত বাংলাদেশী ভাইদের নিয়ে প্রয়োজনে যৌথ অংশীদারিত্বে ব্যবসা করবো। বিকেএমইএ, এনসিসিআই ও বিসিসিআইজে আলোচনার মাধ্যমে জাপানে নীটপণ্য রপ্তানি করবে। সেই প্রত্যাশা রেখে আমি নারায়ণগঞ্জে শান্তিরচরে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত নীটপল্লীতে জাপানের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ করার আমন্ত্রন জানাচ্ছি।

সভায় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত হরিগোচি বলেন, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরে নীটশিল্প অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কমাশির্য়াল কাউন্সিলর হাসান আরিফ বলেন, জাপানে নীটপণ্য হচ্ছে এক নাম্বার রপ্তানিতব্য পন্য। গত ১০ বছরে এখানে প্রায় ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জাপানের সিটিপিপি স্বাক্ষর করার পরও বাংলাদেশ থেকে নীটপণ্য রপ্তানিতে কোন সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মিনিস্ট্রি অব ইকোনমি ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ইতোমধ্যে জাপান চেম্বার, টোকিও চেম্বার ও জাপান টেক্সটাইলস ইনপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন বিকেএমইএ এর সাথে গঙট স্বাক্ষর করতে সক্ষম হয়েছে। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ফজর আলী, এস ইসলাম নান্নু, আব্দুর রাজ্জাক, জিয়াউল ইসলাম জিয়া, রেজাউল করিম, কাজী ইনসান, জাপান আওয়ামীলীগ এর সভাপতি সালেহ মোহাম্মদ সহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *