চালু হওয়ার অপেক্ষায় হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাটের ফেরী সর্বক্ষেত্রে সহযোগীতা করবো-সেলিম ওসমান

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

রোজার আগেই হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাটে ফেরী চলাচলের সকল প্রস্তুতি নেওয়া হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ অতিবৃষ্টি এবং ফেরীগুলোর যান্ত্রিক পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ করতে গিয়ে আরো কয়েকদিন বিলম্বিত হতে পারে। তবে যে কোন দিনই এ রুটে ফেরি চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং ঈদের পূর্বের ৫নং ঘাট-ময়মনসিংহ রুটে অবশ্যই ফেরী চালু করা হবে ইতোমধ্যে দুইপাশের রাস্তা নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত বন্দর সেন্ট্রাল খেয়াঘাট দিয়ে চলাচলাকারী ১০টি ট্রলার দিয়েই যাত্রীদের ফ্রি পারাপার করা হবে। বর্তমান যানজট সমস্যার সমাধান এবং ফুটপাতে দোকানপাট ব্যাপারের করণীয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সেলিম ওসমান বলেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমার যতটুকু সামর্থ আছে সর্বক্ষেত্রে আমি সহযোগীতা করবো। যারাই যানজট এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করেন তাদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের সার্কিস হাউজ এবং সর্বশেষে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে দীর্ঘ সময় নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের ব্যবসায়ী ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনায় সর্বসম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যেখানে নিয়ম ভঙ্গ করা হবে সেখানেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাস মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা জনস্বার্থে দায়িত্ব গ্রহন করেছেন। কোন অবস্থায় যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী উঠা নামা বন্ধ রাখবেন। টার্মিনাল থেকে লিংক রুট পর্যন্ত কোথায় গাড়ি পার্কিং অথবা গাড়ি রেখে মেরামত করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নিতাইগঞ্জ, টানবাজার এলাকার ব্যবসায়ী এবং গার্মেন্টস কারখানাগুলো কোন অবস্থাতেই জেলা প্রশাসকের নীতিমালার বাইরে গিয়ে শহরে ট্রাক প্রবেশ বা দীর্ঘ সময় অবস্থান করিয়ে রাখবেন না বলে মালিক এবং শ্রমিক উভয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেলিম ওসমান বলেন, ‘আমার আহবানে ছাত্রলীগের নেতকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবী সার্ভিসের মাধ্যমে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। যারা সভাগুলোতে উপস্থিত ছিলেন সবাই জনস্বার্থে সহযোগীতা করার জন্য নিজস্ব উদ্যোগে এলাকার মানুষদের উদ্ভুদ্ধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ সকল এলাকার জনপ্রতিনিধিরা নিজস্ব এলাকা থেকে স্বেচ্ছাসেবী মানুষের মাধ্যমে যানজট ও ময়লা নিস্কাশন করার আশ্বাস দিয়েছেন, এলাকার প্রত্যেকে যদি সহযোগীতা করে তাহলে অবশ্যই যানজট যতটুকু সম্ভব নিরসন হবে। বিকেএমইএ সভাপতি হিসেবে প্রতিটি উদ্যোক্তার কাছে অনুরোধ করেছি ১১ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে শ্রমিকেরা যতদিন কাজ করবে ওই দিন পর্যন্ত বেতন এবং ঈদ উৎসব ভাতা পরিশোধ করতে হবে। কোন প্রকার শ্রমিক অসন্তোষ করা যাবে না। এছাড়াও যারা রেস্টুরেন্ট ব্যবসা পরিচালনা করেন। তারা কোন ভাবে খাদ্যে ভেজাল মেশাতে পারবে না। এছাড়াও কোন অবস্থায় রেস্টুরেন্টের সামনে ফুটপাত দখল করে দোকান বসাতে পারবে না। আমি আশাবাদী যদি এলাকার মানুষ নিজস্ব উদ্যোগে দায়িত্ব গুলো পালন করেন তবে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব।’

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *