মীরজুমলা সড়কের বেশীরভাগ স্থানেই ময়লার ভাগাড়

 

 

 

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

অনেক ঝক্কি ঝামেলার পর শহরের মীরজুমলা সড়ক দখলমুক্ত হলেও সেখানে এখন রাখা হচ্ছে ময়লা আবর্জনার স্তূপ। আর গত কয়েকদিনে এতটাই ময়লার স্তূপ হয়েছে যে সড়কের বেশীরভাগ অংশ দখল হয়ে গেছে। ফলে সংকীর্ণ স্থান দিয়ে লোকজনদের চলাফেরা করতে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের একটি অংশে বিশাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে ময়লা আবর্জনা। কিন্তু এর পরিমাণ এতটাই বেশী যে সড়কের বেশীরভাগ অংশ দখল হয়ে গেছে। লোকজনদের নাকে রুমাল চেপে চলাফেরা করতে হচ্ছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে সড়কের কোথাও কোথাও ছিল পানি। তবে এর মধ্যে ছিল প্রচন্ড কাঁদা। ফলে লোকজনদের চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হয়। তার উপর রয়েছে দুর্গন্ধ, কুকুরের উপদ্রব, সরু রাস্তায় দুই পাশে হকার মাঝে রিক্সা, ঠেলাগাড়ি, ভ্যানগাড়ি, কুলির ধাক্কাধাক্কিতে ক্রেতা হয়ে যায় কোনঠাসা। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে এ অবস্থা হয়ে উঠেছে আরো দুর্বিসহ। শহরের একমাত্র পাইকারী কাঁচাবাজার দিগুবাবুতে রাত ভর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মালামাল আসে মজুদ হয়। ভোর থেকে শুরু হয় পাইকারী কেনাবেচা, বেলা বাড়তে থাকলে পাইকার কোলাহল কমতে থাকে, শুরু হয় খুচরা কেনাবেচা। খুচরা ক্রেতাদের আনাগোনা দুপুরে কমে আসলে শুরু হয় বিকালের বেচাকেনার জন্য শহরের আশপাশ থেকে আসতে থাকে টটকা সবজি যা চলে বিকাল পর্যন্ত। বিকালের পর থেকে শুরু হয় ঘরমুখি মানুষের ঢল। যা চলে রাত এগারোটা পর্যন্ত। এর মধ্যেই আবার শুরু হয়ে যায় পাইকারী মাল আসা যা বাড়তে থাকে রাতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। এমন এক ব্যস্ত বাজারে কমপক্ষে পঞ্চাশ হাজার লোকের আনাগোনা হয়। অথচ এখানে রয়েছে ভোগান্তির সব রকমের উপাদান, এসব সমস্যা সমাধানে না আছে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ, না আছে বাজার কতৃপক্ষের চেষ্টা। মাঝে পড়ে আছে মানুষের ভোগান্তি আর ভোগান্তি। দিগুবাবু বাজারের মুদি দোকানি দেবনাথ বলেন, অনেক দিন আমরা এ ডাস্টবিন সরিয়ে অন্য জায়গায় নেওয়ার কথা বলেছি, কিন্তু নেয় না। খুব কষ্টে আছি ভাই। তিনি জানান, প্রতিদিনই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা সরিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু যে তুলনায় ময়লা নিয়ে যান, তার চেয়ে বেশি জমা হয়ে যায়।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *