সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ ইং, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী, বিকাল ৩:২৭

শিরোনাম

‘ব্যক্তিত্ব বিকাশের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা        দুই ব্যবসায়ীকে যেভাবে সাত টুকরো করেছে পিন্টু        জগন্নাথ ঠাকুর বাড়ি ফিরলেন        আজাদ বিশ্বাসের উপর  পুলিশের অনেক বিশ্বাস!        যে নেতারা লাঙ্গলে ভোট দিয়েছে সামনে তারা কিসে ভোট দিবেন?        অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে  রুখে দাঁড়াতে হবে : আইভী        আড়াইহাজার পৌর নির্বাচনে জেলা বিএনপির নেতাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন        স্বপন হত্যায় আদালতে ঘাতক পিন্টুর জবানবন্দী       

সাখাওয়াতের কাছেই কপোকাত কালাম!

Badal-nj | ১৮ জুলাই, ২০১৮ | ৩:২৫ পূর্বাহ্ণ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

কমিটি গঠনের শুরু থেকেই নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। ফলে কমিটি গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত এই দুইটি গ্রুপ একত্রিত হয়ে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারেননি। প্রায় প্রত্যেক কর্মসূচিতেই একে অপরের সাথে শক্তি প্রদর্শনের পাল্লা দিয়ে থাকেন। তবে এই শক্তি প্রদর্শনে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াতের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না আবুল কালাম। জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি করা হয় অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয় এটিএম কামালকে। আর এই কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। যিনি নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুন মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে আলোচনা আসেন। ফলশ্রুতিতে একদৌড়েই মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতির পদ বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি। কমিটি গঠনের পর থেকেই অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালামের সাথে পাল্লা দিতে শুরু করেন। কমিটি গঠনের দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত একত্রিত হয়ে কোন কর্মসূচি পালন করতে পারেন নি তারা। প্রায় প্রত্যেক কর্মসূচিতেই নিজ নিজ বলয়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে শক্তি প্রদর্শন করে থাকেন। সভাপতি আবুল কালামকে বাদ দিয়ে মহানগর বিএনপির ব্যানারে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সাখাওয়াত হোসেন একাই দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচি করেছেন।  এমনকি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতেও তারা একত্রিত হতে পারেননি। এছাড়াও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর-বন্দর আসনে মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান দু’জনেই বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। ফলে সবসময় তারা পরোক্ষভাবে একে অপরের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে থাকেন। সর্বশেষ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত ৯ জুলাই কেন্দ্রীয় বিএনপির ঘোষিত অনশন কর্মসূচি তারা পৃথক পৃথকভাবে পালন করেছেন। সকালে শহরের বালুরমাঠে সাখাওয়াত হোসেন খানের নেতৃত্বে এবং বিকেলে একই স্থানে আবুল কালামের নেতৃত্বে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। তাছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে টানাপোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল চিকিৎসার অজুহাতে দেশের বাহিরে অবস্থান করছেন। তিনি দেশের বাহিরে থাকায় আবুল কালাম চাচ্ছেন তার বলয়ের কাউকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করতে। আবার অন্যদিকে সাখাওয়াত হোসেন চাচ্ছেন তার বলয়ের নেতা অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবিরকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করতে। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের বিষয়টি নিয়ে কমিটির দুই গ্রুপের নেতাদের মধ্যেই মনস্থাত্ত্বিক লড়াই চলছে। ফলশ্রুতিতে কর্তৃত্ব নিয়ে টানাপোড়ন চলছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিতে। আর এতে মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালামের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

Copyright © Dundeebarta.com. ওয়েব ডিজাইন: মো: নাসির উদ্দিন, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ। ০১৭১২৫৭৪৯৯০