সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ ইং, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী, বিকাল ৩:৪৪

শিরোনাম

‘ব্যক্তিত্ব বিকাশের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা        দুই ব্যবসায়ীকে যেভাবে সাত টুকরো করেছে পিন্টু        জগন্নাথ ঠাকুর বাড়ি ফিরলেন        আজাদ বিশ্বাসের উপর  পুলিশের অনেক বিশ্বাস!        যে নেতারা লাঙ্গলে ভোট দিয়েছে সামনে তারা কিসে ভোট দিবেন?        অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে  রুখে দাঁড়াতে হবে : আইভী        আড়াইহাজার পৌর নির্বাচনে জেলা বিএনপির নেতাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন        স্বপন হত্যায় আদালতে ঘাতক পিন্টুর জবানবন্দী       

শামীম ওসমানকে ডেমকেয়ার বাস চালকরা

Badal-nj | ১৮ জুলাই, ২০১৮ | ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সংস্কারে কাজ চলাকালে লিংক রোডে এলোপাথাড়ি বাস ও ট্রাক রেখে দেওয়াকে বড় একটি কারণ মনে করছেন এ সড়কে চলাচলকারীরা। কারণ লিংক রোডের একটি স্থানে ড্রেন নির্মাণ ও রাস্তার মাঝে মোটা কালভার্ট নির্মাণের ফলে কিছুটা সরু হয়ে গেছে। কিন্তু এরই মধ্যে আবার এলোপাথাড়ি বাস ও ট্রাক রেখে দেওয়ার কারণে দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। সরেজমিনে দেখা গেছে, চাষাঢ়া রাইফেল ক্লাব হতে রেললাইন পর্যন্ত লিংক রোডের পশ্চিম পাশে ঢাকামুখী অনেক বাসের কাউন্টার আছে। এছাড়া সেখানে গড়ে উঠেছে দূরপাল্লার বেশীরভাগ বাসের কাউন্টার। বিকেলের পর থেকে দূরপাল্লার বাসগুলো এনে এখানে রাখা হয়। এছাড়া সারিবদ্ধ করে রাখা হয় প্রচুর ট্রাকও। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী বাস কাউন্টার থাকায় সেখানেও এলোপাথাড়ি বাস রেখে দেওয়ার কারণে দেখা দিচ্ছে যানজট। ফলে লিংক রোডে প্রতিনিয়ত দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। আর এতে ভুগছে পুরো শহরবাসী। কারণ যানজট ছড়িয়ে পড়ছে শহরেও। এ অবস্থায় ১৩ জুলাই দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের চাষাঢ়ায় সংস্কার কাজ পরিদর্শন করে সেখানে থাকা ট্রাফিক কর্মকর্তাদের এসব অবৈধভাবে বাস পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু এখনো সে নির্দেশ মানা হয়নি। বরং এর আগে রোজার সময়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যখন শহরে যানজট নিরসনে কাজ করছিল সেদিন শহরে একের পর এক ট্রাক প্রবেশ করানো হয়। ফলে শহরে দেখা দেয় যানজট। লিংক রোড পরিদর্শনে সময়ে কাজের ধীরগতিতে দুর্ভোগের কারণে ‘ক্ষমা’ চেয়েছেন ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের এমপি শামীম ওসমান। তিনি বলেন, ‘কিছু লোকের কাছে আমরা বার বার জিম্মী হয়ে যাচ্ছি। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড হচ্ছে দেশের ব্যস্ততম সড়কের একটি। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ এ রুটে যাতায়াত করে। ৬মাস ধরে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে লিংক রোডের জন্য। প্রায় ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী ও সড়ক যোগাযোগ মন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এখানে দায়িত্ববান লোকেরা দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছি। আমি বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে সচিবকে জানিয়েছি। পরে সচিব দ্রুত নির্দেশ দেওয়ার পর শুক্রবার থেকে কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজটি আরো অনেক হয়ে যেত জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। সড়ক ও জনপথের বক্তব্য হচ্ছে এ লিংক রোডের পাশে একটি ড্রেন হচ্ছে। সিটি করপোরেশন এর কাজটি করলেও কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি। এখানে সমন্বয়হীনতার কারণে দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। একটি ছোট ড্রেন করতে সিটি করপোরেশন ৬ মাস সময় নিয়েছে। এটা দ্রুত করা উচিত ছিল। ৫ মাসের আগে ওয়ার্ড অর্ডার হলেও সড়ক ও জনপথ কাজ করতে পারছে না। আমরা কাউকে দোষারোপ করবো না। আমি আশা করবো দ্রুত সিটি করপোরেশন এ ড্রেনের কাজ শেষ করবে।’ আমি সাংবাদিকদের অনুরোধ করবো, ‘এ লিংক রোডের নির্মাণ কাজ শেষ হলে উপকার হবে নারায়ণগঞ্জবাসী। এ রোডের নির্মাণ কাজে গাফিলতি হলে কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কঠোর ব্যবস্থা নিবো প্রয়োজনে কন্ট্রাকদারের বিরুদ্ধে।’ তিনি বলেন, ‘পুলিশ সুপার আমার কাছে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে। কারণ তিনি জানিয়েছে এ লিংক রোডের কারণেই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে যা শহরময় বিস্তৃত হয়। আশা করছি লিংক রোডটি সম্পূর্ণ কোয়ালিটি মেনেই কাজটি শেষ হবে।’

Copyright © Dundeebarta.com. ওয়েব ডিজাইন: মো: নাসির উদ্দিন, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ। ০১৭১২৫৭৪৯৯০