আজ : মঙ্গলবার: ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইং | ২ জমাদিউস-সানি ১৪৩৯ হিজরী | ভোর ৫:৪০
fevro
শিরোনাম

 সিদ্ধিরগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

সিদ্ধিরগঞ্জে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আনন্দ মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ আজিবপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় শিশুটির মা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত আনন্দ মিয়া সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ আজিবপুরের চান বাদশার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ রকিবুল হোসেন জানান, গত সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার সময় আনন্দ মিয়া ওই শিশুটিকে বাদাম কিনে দেয়ার কথা বলে পাশর্^বর্তী পরিত্যাক্ত মনোয়ারা জুট মিলে নিয়ে যায়। এ সময় সে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়ি  গিয়ে তার মা-বাবাকে বিষয়টি জানায়। প্রথমে শিশুটির পরিবার লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে শিশুটির পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। পরে বৃহস্পতিবার রাতেই এলাকায় গিয়ে অভিযুক্ত আনন্দ মিয়াকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় শুক্রবার ওই শিশুর মা বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে আনন্দ মিয়াকেক শুক্রবার দুপুরে আদালতের পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, ওই শিশুকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য শনিবার হাসপাতালে পাঠানো হবে।

এমএসবি ব্রিক ফিল্ড মালিক-ম্যানেজারকে হুমকি

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ফতুলøার আলীগঞ্জের এমএসবি নামের একটি ব্রিক ফিল্ড ম্যানেজারকে হত্যার হুমকি দিয়েছে দুই প্রতারক সহোদর সামসুদ্দিন ও নিজামউদ্দিন। ব্রিক ফিল্ড ছেড়ে না গেলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়েছেন ওই দুই সহোদর। এ ঘটনায় দুইজনকে আসামী করে আদালতে মামলা করেছেন নাঈম নামের ওই ব্রিক ফিল্ড ম্যানেজার। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ফতুলøার শৈলকুড়িয়া এলাকার নূর আলমের ছেলে নাঈম (২৭) এমএসবি ব্রিক ফিল্ডের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। ব্রিক ফিল্ডটি ধ্বংসের পায়ঁতারা করছে আলীগঞ্জ এলাকার মৃত রহিমুদ্দিনের দুই পুত্র সামছুদ্দিন ও নিজামউদ্দিন। এরই অংশ হিসেবে গত ৭ ফেব্রæয়ারি সকাল ১০টায় ব্রিক ফিল্ডে এসে দুই ভাই ম্যানেজার নাঈমকে ব্রিক ফিল্ডে কাজ না করার জন্য হুমকি দেয়। মামলায় আরও উলেøখ করা হয়, ওই ব্রিক ফিল্ডের মালিক হাজী মনিরউদ্দিন ও তাকে হত্যা করে ব্রিক ফিল্ডটি দখলে নেয়া হবে বলেও হুমকিও দেয়া হয়। অন্যদিকে ম্যানেজার অভিযোগ, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মনিরউদ্দিনকে নিয়ে ওই কুচক্রি মহলটি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নানাভাবে অপপ্রচার শুরু করেছে একটি স্বার্থান্বেষীচক্র। চক্রটি প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অংশীদারিত্ব রয়েছে দাবি করে তাকে নানাভাবে হেন¯Íা করতে শুরু করেছে। স্থানীয় একটি সন্ত্রাসীচক্র তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিকে দখল করারও পায়ঁতারা করছেন। ব্যবসায়ী মনিরউদ্দিন জানান, ফতুলøার দাপা এলাকায় নিজের প্রতিষ্ঠিত এমএসবি নামের একটি ব্রিক ফিল্ড গড়ে তোলেন। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। হঠাৎ একই এলাকার নিজামউদ্দিন ও সামসুদ্দিন নামের দুই ব্যক্তি ইটভাটায় মাটি বিক্রি করতো। দীর্ঘদিন ধরে মাটি দেবার সুবাদে ওই দুইজনের সাথে একটি ব্যবসায়িক সর্ম্পক গড়ে উঠে। কিন্তু এরই সূত্র ধরে ওই দুই চতুর ভাই ব্রিক ফিল্ডের মালিকানা দাবি করে বসে। পরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। বর্তমানে মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিজামউদ্দিন ও সামসুদ্দিন গংরা একসময় এলাকায় লুটতরাজ করতো। জমিদখল ও ভূমিদস্যুতারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। বিএনপি-জামায়াত ÿমতা থাকার সময় এলাকায় ত্রাসে রাজত্ব কায়েম করে তারা। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মনিরউদ্দিন এলাকায় একজন দানবীর হিসেবে পরিচিত। এলাকার মসজিদ-মাদ্রাসা ও স্কুলে তাঁর দানের কথা সর্বজনবিদিত। তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নিজামউদ্দিনের মোবাইলে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

মহাসড়কে অবৈধ ট্রাকষ্ট্যান্ডের ফলে যানজট

সোনারগাঁ প্রতিনিধি

সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়কের একাংশ দখল করে অবৈধ ভাবে ট্রাকষ্ট্যান্ড তৈরি করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে এলাকাবাসীরা বিভিন্ন সময়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা তারা। মহাসড়কের একাংশ দখল করে ট্যান্ড নির্মাণ করায় প্রতিদিন এই এলাকায় তীব্র জানজটের সৃষ্টি হয়। ট্রাক চালকরা জানায়, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় অবৈধ ভাবে ট্রাকষ্ট্যান্ড নির্মাণ করে প্রতিদিন কয়েক হাজার টাকা চাঁদা উত্তোলন করছেন জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তি। তিনি উপজেলার বাড়ি মজলিশ এলাকার জবু মিয়ার ছেলে। তিনি এক সময় কাঁচামালের ব্যবসায়ী ছিলেন। পরে তিনি মোটা অংকের চরা মূলে সাধারণ মানুষের কাছে সুদের ব্যবসা করতেন। পরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক থেকে ১৫০/২০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছেন। চাঁদার টাকায় বর্তমানে তিনি অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। এক সময় এই জাহাঙ্গীরের নুন আনতে পানতা ফুরাতো। তিনি হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে অবৈধ টাকার মালিক হয়েছেন। দুর্ণীতি দমন কমিশন তার সম্পদের হিসাব দেখলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। ট্রাক চালক হাসেম মিয়া বলেন, প্রতিদিন চাঁদার টাকা না দিলে জাহাঙ্গীর আমাদের উপর অমানুসিক ভাবে নির্যাতন চালায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, আমি চাঁদাবাজির টাকা আদায় করি ঠিকই। তবে এ টাকা প্রশাসনসহ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পকেটে যায়। সোনারগাঁ থানার ওসি মোর্শেদ আলম বলেন, তার বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইন গতব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নূর হোসেন জেল থেকেও নিয়ন্ত্রণ করছে তার সা¤্রাজ্য

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
আলোচিত সাত খুন মামলায় ফাঁসির দ- হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের ‘নব্য এরশাদ শিকদার’খ্যাত আওয়ামী লীগ নেতা নূর হোসেনের। বর্তমানে তিনি ফাঁসির আসামী হয়ে কনডেম সেলে মৃত্যুর প্রহর গুণছেন। তবে, এই নূর হোসেন জেলে থাকলেও তাঁর সা¤্রাজ্য ঠিকই চলছে। আর সেসব চালাচ্ছেন তাঁর ভাই, ভাতিজা, ভগ্নিপতিসহ তাঁর ক্যাশিয়ার! অবৈধ ব্যবসা, সরকারি জায়গা দখল করে লেগুনা স্ট্যান্ড, দোকান, বালুর ব্যবসা, ট্রাকস্ট্যান্ড থেকে এখনও নিয়মিত চাঁদা পেয়ে থাকে নূর হোসেন বাহিনীর ওই সদস্যরা। ধারণা করা হচ্ছে, এসব অবৈধ টাকার ভাগ এখনও নূর হোসেনের কাছে পাঠানো হয়। স্থানীয়রা বলছে, ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ লোক হওয়ার সুবাধে নূর হোসেন বাহিনী এখনও এলাকার মধ্যে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছে। তাঁদের কাছে সাধারণ মানুষও একরকম জিম্মি। সম্প্রতি নূর হোসেন বাহিনীর কাউন্সিলর আরিফুল হাসানের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে কিডনি নষ্ট করে ফেলার অভিযোগ ওঠেছে। এ অভিযোগে ভুক্তভোগিরা সাংবাদিক সম্মেলনও করেছে। এদিকে এই বাহিনীর সদস্য নূর হোসেনের শ্যালক নূরে আলম খান সোনারগাঁ থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। গত বছর রাজধানীর মহাখালীতে লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাওয়া পিস্তলসহ ধরা পড়লেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় পালিয়ে বাঁচেন তিনি। গত ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি ৯নং ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন। যা অনেককেই হতবাক করেছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া আসামি ইকবাল হোসেনের কাছে হেরে গেছেন। ৭ খুনের মামলার এজাহারে ইকবাল ছাড়াও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াছিনকে আসামি করা হয়েছিলো। এ নিয়ে বিরোধ দেখা দেয় পরে। ইয়াছিনসহ একটি পক্ষ বিউটির বিরোধিতা করে। নূর হোসেনের অনুসারীরাও তাঁদের পক্ষ নেয়ায় বিজয়ী হন ইকবাল। অপরদিকে ৩নং ওয়ার্ডে সর্বশেষ নির্বাচনে আবারও জিতেছেন নূর হোসেনের ভাতিজা শাহ জালাল বাদল। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক। ৭ খুনের পর তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে এলাকায় ফিরে এলে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ৪নং ওয়ার্ডে নূর হোসেনের ক্যাশিয়ার আরিফুল হক হাসানও এবারের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জিতেছেন। গত বছরের ২৮ এপ্রিল মদসহ আরিফুলকে গ্রেফতার করেছিল র্যা ব। কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। সবশেষ তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করা হয়েছে, তিনি তাঁর বাহিনী সমেত এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে কিডনি নষ্ট করে দিয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি সংবাদ সম্মেলনও করেন। কিন্তু পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেই অভিযোগ ওঠেছে। নূর হোসেনের ভাই নুরুজ্জামান জজ এলাকায় ফিরেই কাঁচপুর সেতুর ঢালে ‘মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স’ নামে সাইনবোর্ড দিয়ে বালুর ব্যবসা শুরু করেছেন। শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালটির নিয়ন্ত্রণ ছিল নূর হোসেনের সহযোগী মনিরের ভাই ছোট নজরুল ও জহিরুলের হাতে। তাঁর ভাতিজা কাউন্সিলর আরিফুল ও কাউন্সিলর বাদলের হাতে এখন ট্রাকস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ। কাউন্সিলর নূর হোসেনের দখলে থাকা শিমরাইলের টেম্পো ও লেগুনাস্ট্যান্ড এখন তাঁর আপন ভাতিজা সোহেল ও তাঁর সাথে রয়েছে নূর হোসেনের ছোট ভাই বিএনপি নেতা নুরউদ্দিন। শিমরাইল স্ট্যান্ডে টেম্পো চলে ১০০টি, লেগুনা ৬০টি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৫০টি। সরেজমিনে দেখা যায়, টেম্পোচালকদের কাছ থেকে সোহেলের কর্মচারী চাঁদা আদায় করছেন। দিনে প্রতিটি টেম্পো থেকে ৮০ টাকা, লেগুনা থেকে ১০০ টাকা এবং অটোরিকশা থেকে ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। মনা বলেন, ‘সোহেল ভাই এই স্ট্যান্ড লিজ নিয়েছেন। টেম্পো ও লেগুনা থেকে প্রতিদিন টাকা আদায় করা হয়।’ এছাড়া এখানকার পরিবহন সেক্টরের দখল নিয়েছেন নূর হোসেনের ভগ্নিপতি রতন মোল্লা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে ব্যস্ততম মুক্তি সরণির মোড়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) জলাশয় ভরাট করে প্রাইভেট কারের স্ট্যান্ড গড়ে তোলেন নূর হোসেন। এখন এই স্ট্যান্ড দখলে নিয়েছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী আমিনুল হক ওরফে রাজু। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিও। জানা গেছে, এই স্ট্যান্ডে গাড়ি আছে ১৪০টি। প্রতি মাসে প্রতিটি গাড়ি থেকে তিন হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হয়।

যেভাবে ছাত্র তুহিন হত্যাকারীরা শনাক্ত হলো

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
আড়াইহাজারের বগাদী কান্দাপাড়া এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র তুহিনকে হত্যার পর অপহরণের নাটক করতে গিয়ে নিহতের পরিবারের সন্দেহে আসেন মামলার প্রধান আসামি মাহফুজ। মাহফুজ তার চাচাতো ভাই তুহিনকে আম কুড়াঁনোর কথা বলে তার ঘরে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করে একটি ড্রামের ভিতরে গুম করে রাখেন। নাসির উদ্দিন জানান, তার ছেলে তুহিনকে ২০১৫ সালের ৯ মে বিকালে আম কুঁড়ানোর কথা বলে তার বড় ভাইয়ের ছেলে মাহফুজ তার ঘরে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করে একটি নীল রংয়ের প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে গুম করে রাখেন। পরে তার অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়। এক পর্যায়ে মাহফুজ নিজেই একটি মোবাইল থেকে তার কাছে ১০ মে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেন। এতে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েন। পরের দিন একই নাম্বার থেকে তাকে বলা হয় মুক্তি পণ্যের টাকা না পেলে তার ভাতীজা মাহফুজকে অপহরণ করা হবে। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। নাসির উদ্দিন আরো জানান, এ ঘটনার পরের দিন তুহিন নিখোঁজের খবর একালায় মাইকিং করেই মাহফুজ তরিগড়ি করে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায়। পরে তার প্রতি আমার সন্দেহ হয়। মোবাইল ফোনের সূত্রধরে পুলিশ মাদ্রসার ছাত্র মাহফুজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তুহিনকে গলা টিপে হত্যার দায় স্বীকার করেন। তবে এ মামলার পুলিশের তদন্তের গাফিলতি ছিল বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী নাসির উদ্দিন। প্রসঙ্গত, নিহত তুহিনের আপন চাচা বিল্লাল হোসেন (৫৫) তার ছেলে মাহফুজুর রহমান (২৫) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মরদেহ গুমের চেষ্টার অপরাধে প্রত্যেককে তিন বছর করে সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাস করে কারাদন্ড দেয়া হয়। এছাড়া শিশুটিকে অপহরণের অভিযোগে আসামিদের সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার নারায়ণগঞ্জ প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন এ রায় প্রদান করেন।

স্কুল ছাত্র হত্যায় পিতা-পুত্রের ফাঁসি

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
আড়াইহাজারে শিশু মাকসুদুল ইসলাম তুহিন (৭) হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালত আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামীরা হলো তুহিনের চাচাতো ভাই মাহফুজুল ইসলাম (১৭) ও তার বাবা বিল্লাল হোসেন (৫৫)। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এমএ রহিম রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উপজেলার বগাদি কান্দাপাড়া গ্রামের দন্ত চিকিৎসক নাছির উদ্দীনের ছেলে খড়িয়া ব্র্যাক স্কুলের ২য় শ্রেণির ছাত্র মাকসুদুল ইসলাম তুহিন (৭)। ২০১৫ সালের ৮ মে বিকেলে মাঠে খেলতে গিয়ে অজ্ঞাত অপহরণকারীদের হাতে অপহৃত হয় সে। এ ব্যাপারে নাছির উদ্দীন ৮ মে আড়াইহাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ২০১৫ সালের ৯ মে বগাদি কান্দাপাড়া গ্রামের বাড়ির সামনে থেকে আম ভর্তা খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয় তুহিনকে। পরের দিন মোবাইলে ফোন করে তুহিনের বাবা নাছির উদ্দীনের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করা হয়। ২০১৫ সালের ১২ মে বিকেলে নরসিংদী থেকে মাহফুজুল ইসলামকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্য মতে আড়াইহাজার উপজেলার বগাদি গ্রামের একটি ড্রাম থেকে তুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিজের বাবাকে মারধরের প্রতিশোধ নিতেই এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে তুহিনের চাচাতো ভাই মাহফুজুল ইসলাম।

পুলিশের সাথে আতাঁত করে হত্যাকারীরা এখন প্রকাশ্যে

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
হত্যা করে পুলিশের সাথে আতাঁত করে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে দুই হত্যাকারী। শুধু তাই নয় উল্টো নিহতের নামে মামলা করে রিতিমত সিনেমার কাহিনী তৈরী করেছেন। আর এই কাহিনী তৈরী করার জন্য পুলিশকে নাকি মোটা অংকের অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাগেছে, গত ২১ জানুয়ারী ফতুল্লার ভোলাইল মরাখাল পাড় এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে রাসেল (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরা বিষয়টিকে গণ পিটুনীতে নিহত হয়েছে বলে চালিয়ে দিয়েছে। হত্যার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের নামে মামলা করে। অথচ স্থানীয়রা জানিয়েছে মাটরসাইকেলের মালিক মিজানের দুই ভাগ্নে ইমরান ও তানভীর পিটিয়ে রাসেলকে হত্যা করে। আর উল্টো নিহত রাসেলের নামে মাটরসাইকেল চুরির অভিযোগে মিজান ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা করে। ওইদিনের ঘটনায় চোর সন্দেহে রাসেলকে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্যে ছিল দুই ভাই ইমরান-তানভীর গং, স্থানীয়দের সূত্রে এমনটাই জানাগেছে। বিশ^স্ত ওই সূত্রটি দাবী করছে, ইমরান ও তানভীর এলাকার জৈনেক আলতাফ মিয়ার ছেলে। এলাকায় তাদের উশৃঙ্খল চলাফেরার খবর স্থানীয়দের মুখে মুখে শোনা যায়। তাদের দুই ভাইয়ের “ডেম কেয়ার” কর্মকান্ডে অতিষ্ট এলাকাবাসী।
অভিযোগ রয়েছে ওইদিনের ঘটনায় পালসার মোটরসাইকেলটি (ঢাকা মেট্রো ল-১৩-৩৩৮৭) চুরি করতে গেলে এলাকাবাসীর হাতে ধরা পরে রাসেল। এসময় তাকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশে সোপর্দ করতে চাইলে দুই সহোদর ইমরান-তানভীর স্থানীয়দের উপড় চটে যান। এসময় তারা রাসেলকে ধরে তাদের বাড়ীতে নিয়ে যায় এবং সেখানে রাসেলকে বেধম প্রহার করে। পরবর্তীতে রাসেলের নিথর দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ওই দুই সহোদর স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পরে রাসেলের নিথর দেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে সুচতুর দুই ভাই ইমরান, তানভীর ও তাদের পরিবারের লোকজন। ইমরান ও তানভীর এই হত্যা কান্ডটি ঘটালেও এখন তারা প্রকাশ্যে রয়েছে। এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শাহ জালাল জানান, এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। তদন্ত করে আমরা হত্যাকারীদের গ্রেফতার করবো। এব্যাপারে মাটরসাইকেলের মালিক মিজানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পুলিশের কাছে জিজ্ঞাস করেন তারাই বলবে। আমি কি বলবো। রাসেলের পরিবার জানায়, মামলার বাদি তারা হতে চাইলেও তাদেরকে বাদী করা হয়নি।

বাংলা টিমের চার সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
র্যাবের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির দাওয়াতী শাখার শীর্ষ নেতা শায়েখ কামাল হোসেন (৪৫) ও আনসার আল ইসলাম (আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) এর সক্রিয় সদস্য মো: রেজাউর রহমান ওরফে শাওন ওরফে সোহেল ওরফে হাসান (২৭), মো: মোবারক হোসেন ওরফে মাসুদ (৩৩) এবং মো: আবু রায়হান চৌধুরী (২৮) সহ ৪ জঙ্গীকে গ্রেফতার করেছে। এসময় একটি বিদেশী পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলিসহ একটি ম্যাগজিন, ২টি চাপাতি, উগ্রবাদী বই এবং জঙ্গীবাদী লিফলেট উদ্ধার করা হয়। গতকাল শনিবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী নগরে অবস্থিত র্যাব-১১’র সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লে. কর্নেল কামরুল হাসান (পিএসসি) উপস্থিত গনমাধ্যম কর্মীদেরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির দাওয়াতী শাখার শীর্ষ স্থানীয় নেতা শায়েখ কামাল হোসেন পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানার বাসিন্ধা এবং আনসার আল ইসলাম (আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) এর সক্রিয় সদস্য মো: রেজাউর রহমান ওরফে শাওন ওরফে সোহেল ওরফে হাসান পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার বাসিন্ধা, মো: মোবারক হোসেন ওরফে মাসুদ পাবনা জেলার সুজানগর থানার বাসিন্ধ ও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ভাড়াটিয়া এবং মো: আবু রায়হান চৌধুরী কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার বাসিন্ধা। সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, গত শুক্রবার র্যাব-১১’র একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার একটি মামলার (মামলা নং-৬৯, তাং-২২/৮/১৭ইং) এজাহার নামীয় পলাতক আসামী নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির দাওয়াতী শাখার শীর্ষ স্থানীয় নেতা শায়েখ কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে। অপরদিকে র্যাব-১১’র অপর আরেকটি আভিযানিক দল একই দিন সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার জিন্দা গ্রামস্থ জিন্দা পার্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনসার আল ইসলাম (আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) এর সক্রিয় সদস্য মো: রেজাউর রহমান ওরফে শাওন ওরফে সোহেল ওরফে হাসান, মো: মোবারক হোসেন ওরফে মাসুদ এবং মো: আবু রায়হান চৌধুরীকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলিসহ একটি ম্যাগজিন, ২টি চাপাতি, উগ্রবাদী বই এবং জঙ্গীবাদী লিফলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জঙ্গী সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধনী রয়েছে বলেও র্যাব জানায়।

হাজী রিপনসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক প্রভাবশালী নেতা হাজী রিপন সহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে ৪’শ ২০ পিছ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।গতকাল শুক্রবার এ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শহরের ৬৭/৪ নিউ চাষাড়া এলাকার মৃত কুদ্দুস মিয়ার ছেলে জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা হাজী রিপন (৪৯), ১৪০/২ উত্তর মাসদাইর এলাকার আলী আহম্মেদের ছেলে আলামিন তালুকদার (৩২) এবং সদর থানার নরসিংপুর এলাকার খালেক ঢালীর ছেলে সুমন ঢালী (৩৫)। অভিযান পরিচালনা করেন, জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবির এস আই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এস আই আবু সায়েম, এস আই প্রকাশ এবং এ এস আই আজিজুল হক (পিপিএম) এবং এ এস আই বকুল। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের এস আই মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৮টায় প্রথমে শহরের চাষাড়া এলাকা থেকে হাজী রিপনকে ২’শ পিছ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওেয়া তথ্য মতে রাত ১১টায় জামতলা এলাকা থেকে আলামিন তাুলকদার এবং সুমন ঢালীকে ২’শ ২০পিছ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে একটি মামলা দায়েরের পর ৫দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

রংধনু সিনেমা হলে চার পতিতা ছয় খদ্দের আটক

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সিদ্ধিরগঞ্জে রংধনু সিনেমা হলে ৬’খদ্দরসহ ৪’পতিত গ্রেফতার। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪’টায় সিনেমা হলটিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। ধৃতদের মধ্যে ২’জন হলের কর্মচারী। জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রংধনু সিনেমা হলে অভিযান চালায়। এসময় সিদ্ধিরগঞ্জের উত্তর আজিবপুর এলাকার সোলেমান মিয়ার ছেলে খদ্দের আরাফাত সানি(২২), আটি ওয়াপদা এলাকার মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে খদ্দের আবুল হোসেন (১৯), সোনারগাঁ থানার হযরত আলীর ছেলে লালচাঁন(১৯), পাবনা জেলার ভেড়া ভাংগুরা থানার কল্যাণপুর এলাকার ইউনুস মিয়ার ছেলে খদ্দের রবিন (১৯), বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার পূর্বহাটি গ্রামের মৃত মতিমিয়ার মেয়ে বিলকিছ আক্তার(৩০), নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানার চর আহম্মদপুর গ্রামের কবিরের স্ত্রী হালিমা(২৪), শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার কান্দাপাড়া গ্রামের সাহাবউদ্দিনের স্ত্রী কাজল আক্তার(২২),কুমিল্লা জেল ার মেঘনা থানার জামালদী গ্রামের মকবুল হোসেনের মেয়ে আয়শা আক্তার(২৮), কিশোরগঞ্জ জেলার অস্ট্রগ্রাম থানা সদরের ইউসুফ আলীর ছেলে হলের কর্মচারী ওহেদুল ইসলাম (২০) ও বাগেরহাট জেলা সদরের আপরা গ্রামের জাফর মিয়ার ছেলে হল কর্মচারী আল-আমিনকে (২৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। রংধনু সিনেমা হলে চলচ্চিত্র পদর্শনের আড়ালে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে মালিক পক্ষ। এর আগেও পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে এ হল থেকে খদ্দেরসহ নারী গ্রেফতার করলেও দেহ ব্যবসা বন্ধ হচ্ছেনা। তাই খদ্দের ও নারীদের পাশাপাশি হল পরিচালনা চক্রের মূল হোতাদের গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।