আজ : রবিবার: ৬ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ইং | ১ জমাদিউস-সানি ১৪৩৯ হিজরী | সকাল ৬:৪৫
fevro
শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জে ভালবাসা দিবস পালন

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সারাদেশের মত নারায়ণগঞ্জেও পালিত হয়েছে! ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালবাসা দিবস। ঋতুরাজ বসন্তের দ্বিতীয় দিনে ভালবাসা দিবসে বাঙালি মনের ভালবাসাও ছিল পবিত্র। ফুলে রাঙা আর বাসন্তী মোহে মুগ্ধ। এজন্যই বোধ হয় কবিতায় বলা হয়, ‘হৃদয়ে লিখেছি তোমায়; বসন্তে তুমি আরও স্নিগ্ধ, আহা আরও উচ্ছল তুমি-ভালবাসা।” এ দিনটিতে তরুন তরুণী ও নবদম্পত্তিদের ছিল মিলন মেলা। প্রাণের উচ্ছাসে বাধাহীনভাবে তরুন তরুণীদের ভালবাসা দিবস পালন করতে দেখা গেছে। হরেক রকম ভালবাসা থাকলেও নারায়ণগঞ্জের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মূলত দেখা গেছে তরুন তরুণীদের। সব বয়সীরাও এ দিন বের হয়েছিল নানা আয়োজনে। ঐতিহ্যবাহী নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সবুজ লনে খোলা আকাশের নিচে মনোরম সাজে সজ্জিত করা হয়। ভালবাসা দিবস উপলক্ষ্যে প্রতি বছরই নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে ঘটাকরে এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম ছিলনা। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মনোরস সাজে সজ্জিত করে ভালবাসা দিবস পালিত হয়েছে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে। সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প যাদুঘরে ছিল লোকে লোকারণ্য। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ অ্যাডভাঞ্চার ল্যান্ড পার্ক, নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর চৌরাঙ্গি ফ্যান্টাসী পার্ক, শহরের ৫নং ঘাটে বিআইডিব্লিউটিএর নির্মিত পার্ক, শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়, বন্দর সাবদি বিনোদন কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া শহীদ মিনার, রূপগঞ্জের জিন্দাপার্ক, রাসেল পার্ক সহ বিভিন্ন ছোট ছোট বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভালবাসা দিবসটি পালনের বিপুল সংখ্যক লোকজনের সমাগম ঘটে। এদিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুলের দোকানগুলোতে ছিল ভীর। এদিন অলিগলিতেও ছিল ভ্রাম্যমান ফুলের দোকান। একেকটা গোলাপ ফুলের দাম ২০ টাকা থেকে শুরু করে দু’শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তবে বসন্তের আগুনরাঙা শিমুল-পলাশ ভালবাসাকে সত্যিই রাঙিয়ে দিয়ে গেছে। যুগলদের মনের উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দিয়ে গেছে হাজারো গুণ। সুললিত করেছে প্রেমের বাণী বন্দনাগুলোকে। গাছ থেকে ফুল ঝরার মতো যুগলদের মনের কোণে ঝরলো কতকথা। কত গান। প্রেমের কত কবিতা। বললো সবাই, ভালবাসা ক্ষণিকের নয়। ভালবাসা চিরন্তন, বিশ্বাসে। ভালবাসি তোমায় আমি। ভালবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার নয়-শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই নয়, তা প্রসারিত হয় বন্ধু-বান্ধব, পরিচিতজন সহ সবার মাঝেও। এই ভালবাসা বয়সের ফ্রেমে বাঁধা নয়। কিংবা শুধু তরুণ মনেই এর সীমাবদ্ধতা নয়। ভালবাসা দিনে সব বয়সের, সব মানুষের মনে নতুন দোলা জাগিয়ে গেল।

সেরাকন্ঠের ফাইনালে না.গঞ্জের তিন্নি

সংগীত প্রতিভা অন্বেষণে দেশের সবচেয়ে বড় টিভি রিয়েলিটি শো ফিজআপ-চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ ২০১৭ এর ফাইনালে পৌঁছেছে নারায়ণগঞ্জের মেয়ে কানিজ খাদিজা তিন্নি।

ফাইনালে যাওয়া প্রসঙ্গে তিন্নি তার ফেইজবুক পোষ্টে লিখেন, Yess…. going to Bangkok.. হ্যা,, পৌছে গেলাম সেরাকন্ঠ ২০১৭ এর ফাইনাল এ। সবাইকে আমার প্রানঢালা কৃতজ্ঞতা…

আসলে কি লিখবো বুঝতে পারছি না। তাই এত টুকুই আজকে.. সবাই মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭.৫০ এ চ্যানেল আই এ চোখ রাখবেন।

কানিজ খাদিজা তিন্নির জন্ম ২০০২ সালের ২৭ জুলাই। পিতা কাউসার ইমাম, পেশায় একজন ব্যবসায়ী। মা রুনা লায়লা কেয়া, গৃহিণী। সপরিবারে থাকেন নারায়ণগঞ্জের জামতলায়। গ্রামের বাড়ি রুপগঞ্জের গোয়ালপাড়ায়। ছেলেবেলা থেকেই পারিবারিকভাবে সংগীতের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন। মূলত বাবার অনুপ্রেরনায় সংগীত জগতে তিন্নির পথচলা।

সংগীতে হাতেখড়ি নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর প্রয়াত সংগীত শিক্ষিকা মায়া ঘোষের নিকট। তারপর একে একে গান শিখেছেন ফজলুল হক খোকন, জিএম রহমান রনি সর্বশেষ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. রেজওয়ান আলী লাভলুদর কাছ থেকে।

তিন্নি মূলত নজরুল সংগীত শিল্পী। পড়াশুনায় নারায়ণগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষ করে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। তিন্নি বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর পদক ২০১৫ এবং জাতীয় শিশু একাডেমির পদক, জাতীয় শিশু-পদক ২০১৬ ছাড়াও অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন।

ধনী মানুষদের দেশ লুক্সেমবার্গ

ইউরোপের ছোট্ট একটি দেশ। নাম লুক্সেমবুর্গ। পশ্চিম ইউরোপে অবস্থিত দেশটির আয়তন মাত্র ১ হাজার বর্গমাইল। আর দেশটিতে বাস করে ৫ লাখেরও কম মানুষ। এ দেশের মানুষের মাথাপিছু বার্ষিক আয় প্রায় ৪৬ লাখ টাকা। ২০০৬ সালের জাতিসঙ্ঘের রিপোর্টে তাদের আয়ের এ পরিসংখ্যান দেয়া হয়।

যেখানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় মাত্র ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা। যাদের বার্ষিক আয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ কেমন হতে পারে তার আন্দাজ করুন। আর তাদের পারিবারিক সম্পত্তির পরিমাণ নিশ্চয়ই আরো অনেক বেশি। তা অবশ্যই আমাদের দেশের কোটিপতিদের চেয়ে কম নয়। বাংলাদেশে যারা কোটিপতি তাদের আমরা ধনী বলে থাকি। সে অর্থে লুক্সেমবুর্গের প্রত্যেকটি মানুষই ধনী। অত্যধিক উন্নত সত্ত্বেও তাদের অথনৈতিক প্রবৃদ্ধি সে হারে কমছে না।

জাপানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যেমন এখন দুই অঙ্কের কোটায় ওঠা সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে এ দেশটি ব্যতিক্রম। তাহলে সহজে যেটা অনুমেয় তারা আকাশছোঁয়া উন্নতি লাভ করবে। যে ধরনের উন্নতি আমরা কল্পনাও করতে পারি না। লুক্সেমবুর্গে মুদ্রাস্ফীতি নেই। বেকারত্ব নেই বললেই চলে। বেকার থাকলেও তারা রয়েছে রাজার হালে। সরকারি নানা সামাজিক সেবা তাদের আরাম-আয়েশকে নিশ্চিত করেছে। উপোস থাকার কথা চিন্তাই করা যায় না। দেশটির অর্থনীতির মূল ছিল স্টিল ইন্ডাস্ট্রি।

গত শতাব্দির ষাটের দশকে এর ব্যাপক প্রসার ঘটে। ক্রমান্বয়ে রসায়ন, রাবার এবং অন্য কয়েকটি শিল্পের বিকাশ স্টিল শিল্পের আয়কে ম্লান করে দেয়। বিগত শতাব্দীর শেষ দু’টি দশকে দেশটির সেবা খাতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে তাদের দারুণ সম্পর্ক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিবেশী দুটো দেশ বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডের সাথে গড়ে ওঠা বাণিজ্যিক সম্পর্ক তাদের উন্নতির অন্যতম চূড়ায় নিয়ে যায়। তার ওপর দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে বাণিজ্য সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে। উন্নত জীবনমানের বিচারে তারা বিশ্বের চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। দেশটির যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত। টেলিকমিউনিকেশন সুবিধা এতটা উন্নত যা চিন্তাও করা যায় না। ফিক্সড ফোনের সংখ্যা এবং জনসংখ্যা প্রায় সমান। তার ওপর সেলফোন তো রয়েছেই। বলতে গেলে সবার হাতেই রয়েছে একটি করে সেলফোন।

[এক নজরে লুক্সেমবুর্গ

পুরো নাম : গ্রান্ড ডাচি অব লুক্সেমবুর্গ
জনসংখ্যা : ৪ লাখ ৬৫ হাজার (জাতিসঙ্ঘ ২০০৫)
রাজধানী : লুক্সেমবুর্গ
আয়তন : ৯৯৯ বর্গমাইল
প্রধান ভাষা : ফ্রেন্স, জার্মান ও লুক্সেমবুর্গিস
প্রধান ধর্ম : খ্রিস্টান
গড় আয়ু : ৭৫ বছর (পুরুষ), ৮১ বছর (মহিলা)
মুদ্রা : ইউরো
প্রধান রফতানি দ্রব্য : স্টিলের তৈরি সামগ্রী, রাসায়নিক ও রাবার সামগ্রী
মাথাপিছু আয় : ৬৫ হাজার ৬৩০ মার্কিন ডলার]
দেশটির ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো। লুউচিলিনবার্গ নামক একটি গির্জার অস্তিত্ব ছিল ওই অঞ্চলে। গির্জাটিকে কেন্দ্র করে এলাকাটির সম্প্রসারণ ঘটে। গির্জার নাম অনুসারে এলাকাটির নামকরণ হয়। দ্রুত সেখানে একটি শহুরে সভ্যতার উন্মেষ ঘটে। ভৌগোলিকভাবে এলাকাটি কৌশলগত গুরুত্বের দাবিদার। নবগঠিত এ সভ্য সমাজে রাজাকেন্দ্রিক একটি শাসনব্যবস্থা কায়েম হয়। পুরুষ উত্তরাধিকার না থাকায় ১৪৩৭ সালে শাসক পরিবর্তন হয়। বুরবন্স, হাব্সবার্গ, হোহেনজোলান্সদের হাত ঘুরে এটি যায় ফ্রান্সের হাতে। ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ানের পতন হলে লুক্সেমবুর্গকে নিয়ে প্র“শিয়া ও নেদারল্যান্ডের মধ্যে বিরোধ বাধে। পরে একটি ইউরোপীয় আপস-মীমাংসায় দেশটিকে নেদারল্যান্ডের সাথে জুড়ে দেয়া হয়। পরে এটি জার্মান কনফেডারেশনেরও অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৮৩০ থেকে ১৮৩৯ সালে বেলজিয়ামের বিপ্লবের সময় দেশটি বিরাট অংশ হারায়। লন্ডনের সাথে এক চুক্তির পর দেশটি নিরপেতার নীতি গ্রহণ করে। ১৮৯০ সাল পর্যন্ত বেলজিয়াম দেশটির ওপর কর্তৃত্ব করে। প্রথম ও দ্বিতীয় দু’টি বিশ্বযুদ্ধের শুরুতেই লুক্সেমবুর্গকে দখল করে জার্মানি। কিন্তু জার্মানরা তাদের রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের ওপর হাত দেয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দেশটি তারা প্রথম নিরপেতার নীতি পরিত্যাগ করে। এ সময় জার্মানির পে যুদ্ধে অংশ নেয় তারা।

দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দু’টি সংস্থা জাতিসঙ্ঘ ও ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটিরও উদ্যোক্তা ছ’টি দেশের একটি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেসব বড় বড় উদ্যোগ এগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়  এ ক্ষুদ্র দেশটি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ন্যাটো জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথেও শুরু থেকে বিভিন্ন জোট গঠন করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সেগুলোকে কাজে লাগায়।
লুক্সেমবুর্গে রাজতান্ত্রিক গণতন্ত্র প্রচলিত। রাজা নির্বাচনের ক্ষেত্রে পুরুষ প্রতিনিধিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। রাজা এবং প্রধানমন্ত্রী মিলে রাষ্ট্রের নির্বাহী মতা প্রয়োগ করেন। গ্রান্ড ডিউক নামে পরিচিত রাজার সংসদ ভেঙে দেয়ার মতা রয়েছে। এক কবিশিষ্ট সংসদের ৬০টি আসন। সরকার পরিচালনায় দ্বিতীয় মতাধর হচ্ছেন রাজা নিয়োগকৃত ২১ সদস্যবিশিষ্ট কাউন্সিল অব স্টেট। দেশটি তিনটি জেলায় বিভক্ত। এগুলো আবার ১২ ক্যান্টন এবং ১১৬টি কমিউনে বিভক্ত। হেড অব স্টেট গ্রান্ড ডিউক হেনরি।
উন্নত নাগরিক সুবিধার কারণে ইউরোপীয়দের ঢল নামছে দেশটিতে। সুবিধাবঞ্চিতরা অভিবাসী হতে চায় লুক্সেমবুর্গে। মূলত দেশটিতে ফ্রেন্স ও জার্মান বংশোদ্ভূতদের বসতি। তবে বিংশ শতকে বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগাল থেকে উন্নত জীবনের আশায় অনেকে এসে বসতি স্থাপন করে। যুগোস্লাভ যুদ্ধের সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত বলকান অঞ্চল বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, মন্টিনিগ্রো ও সার্বিয়া থেকেও অনেকে দেশটিতে প্রবেশ করে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে সাম্প্রতিক প্রতি বছরে গড়ে ১০ হাজার মানুষ লুক্সেমবুর্গে অভিবাসী হয়। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৭ শতাংশই অভিবাসী।
ুদ্র দেশের সেনাবাহিনীর আকারও ছোট। একজন কর্নেলের নেতৃত্বে দেশটিতে ৪৫০ জন সেনাসদস্য রয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর আকার ছোট তাই বলে তাদের কার্যক্রম সীমিত তা বলার জো নেই। বাজেট দেখলেই তা টের পাওয়া যায়। দেশটির সামরিক খাতে বার্ষিক ব্যয় ১২ কোটি ডলার। জাতিসঙ্ঘ ও ন্যাটোর অধীনে লুক্সেমবুর্গের সেনাবাহিনী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিশনে যথারীতি অংশ নেয়। যুগোস্লাভিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ যুদ্ধবিধ্বস্ত প্রায় প্রত্যেকটি দেশে শান্তি মিশনে তারা অংশ নিয়েছে।
ছোট দেশের ছোট জনসংখ্যা কিন্তু ভাষার বৈচিত্র্য রয়েছে বেশ। তিনটি প্রধান ভাষায় সমানতালে কথা বলে মানুষ। এগুলো হলো জার্মান, ফ্রেন্স আর লুক্সেমবুর্গিস। তিনটি ভাষা দেশটির অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। এ ছাড়াও বেশ কিছু স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাষা সক্রিয় রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। স্কুলে ইংরেজি ভাষা শিা বাধ্যতামূলক।
লুক্সেমবুর্গ একটি সেকুলার দেশ। ধর্মবিশ্বাসীদের ব্যাপারে কোনো পরিসংখ্যানের তত্ত্ব-তালাশ দেশটিতে নিষিদ্ধ। ধারণা মতে, দেশটির ৮৭ শতাংশ মানুষ রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের। বাকিদের মধ্যে খ্রিস্টানদের অন্যান্য সম্প্রদায়, ইহুদি এবং মুসলিম রয়েছে।
লুক্সেমবুর্গের সংস্কৃতি সমৃদ্ধ। সরকার ইতিহাস-ঐতিহ্য আর উন্নত সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে নানা ধরনের পদপে নিয়েছে। এর মধ্যে জাদুঘরগুলো অন্যতম। এগুলো হলো ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব হিস্ট্রি অ্যান্ড আর্ট, হিস্ট্রি মিউজিয়াম অব দ্য সিটি অব লুক্সেমবুর্গ, গ্রান্ড ডিউক জ্যঁ মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্ট অন্যতম।

এ ছাড়া ইউরোপীয় সামরিক শক্তির স্মারক ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব মিলিটারি হিস্ট্রি। ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে লুক্সেমবুর্গ শহরটিই ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। শহরটি ২০০৭ সালে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপিয়ান ক্যাপিটাল কালচারের খেতাব পেয়েছে। শিল্প এবং শিল্পীর দারুণ কদর রয়েছে লুক্সেমবুর্গে।
দেশটির গণমাধ্যম অভাবনীয় উন্নতিসাধন করেছে। তাদের রেডিও ও টেলিভিশন সেবা পুরো ইউরোপ ভোগ করে। দেশটি ইউরোপের সবচেয়ে বৃহৎ স্যাটেলাইট অপারেটর। সংবিধান জনগণের মত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছে। সংবাদপত্রেরও ব্যাপক প্রচলন রয়েছে সেখানে। টেলিভিশন ও রেডিও দেশটির বিনোদনের প্রধান মাধ্যম কিন্তু জনগণের যাবতীয় মতামতের প্রতিফলন ঘটায় সংবাদপত্র। সরকার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।

মাদক নিয়ন্ত্রন ও সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশ সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন : পুলিশ সুপার

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেছেন, এই এক বছরের নারায়ণগঞ্জে সবচেয়ে ভালো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল। আমাদের সবচেয়ে ভালো অবস্থান ছিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশোন নির্বাচনে। আমরা এ নির্বাচন খুব সুন্দরভাবে করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। চট্টগ্রামের পর সবচেয়ে বড় অস্ত্র উদ্ধার ছিল রূপগঞ্জে, যা আমরা বিচক্ষনতা, দক্ষতা ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে উদ্ধার করতে পেরেছি। নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, সকল জজ, আমাদের সংসদ সদস্যরা, সিভিল সার্জনসহ সকলেই আমাদেরকে সহায়তা করেছেন। আমি সকলকেই ধন্যবাদ জানাই। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন বছর উপলক্ষে পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রন ও সন্ত্রাস নির্মুলে পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্য অত্যন্ত নির্ভরযোগ্যতা ও সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য নারায়ণগঞ্জ ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ তিনজন রাষ্ট্রীয় পুলিশ পদক পিপিএম পদকে ভূষিত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানও পুলিশ সুপার হয়েছেন এবং দেশের যেকোন জেলায় দায়িত্ব পালন করার মত যোগ্যতা ও দক্ষতা তার রয়েছে। তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জে মাদক নিয়ন্ত্রনে আমরা সফলতা পেয়েছি। নারায়ণগঞ্জের মাদকের কলঙ্কিত ৪ ব্যক্তির তিনজনই পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে। এ ছাড়াও অনেক সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী আইনের আওতায় আছে, জেলহাজতে আছে। সন্ত্রাস নির্মুল ও জঙ্গী নির্মুলে আমাদেরকে একসাথে কাজ করতে হবে এবং আমার বিশ্বাস আমরা তা করতে পারবো। এসপি বলেন, আমাদের সর্বশেষ অর্জন হচ্ছে মানুষের চলাচলের যে সড়ক সেখানে হকাররা যে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছিল তা অপসারণ করা। এখন মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছে। আমি আমাদের অগ্রগতির জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করি।

আজ নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মাতাবেন তাহসান

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মাতাতে আসছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী, অভিনেতা ও তারুণ্যের ক্রেজ তাহসান খান। নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের ১২৫ বৎসর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানেরই একটি অংশ সন্ধ্যা ৭ টায় তিনি মঞ্চ মাতাবেন। তবে ক্লাব সূত্রে জানা যায়, ওই অনুষ্ঠানে ক্লাবের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ব্যতীত অন্যকেউ অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু জানান, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের ১২৫ বৎসর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানেরই একটি অংশে তাহসান খান পারফর্ম করবেন।

নারায়ণগঞ্জ আসছেন ব্যান্ড তারকা জেমস

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেমস। দেশের বাইরেও রয়েছে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা। বেশ কয়েক বছর ধরে নতুন কোনো গান প্রকাশ করছেন না এ তারকা। প্লেব্যাকে তাকে নিয়মিত না পাওয়া গেলেও দেশে-বিদেশে নিয়মিত স্টেজ মাতিয়ে যাচ্ছেন জেমস। সে ধারাবাহিকতায় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে কনসার্টে অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জ যাচ্ছেন এ রকস্টার। নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল ইকো পার্কের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঞ্চ মাতাবেন তিনি। ৩০ ডিসেম্বর ‘সেলিব্রেশন কনসার্ট অ্যান্ড উইন্টার ফেস্টিভ্যাল ২০১৭’ শিরোনামের এ কনসার্টের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ভক্তদের জন্য গাইবেন তিনি। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমবারের মতো এত বড় পরিসরে এমন কনসার্টের আয়োজন করেছেন তারা। যার প্রধান আকর্ষণ প্রথম সারির এ ব্যান্ড তারকা। মূলত নারায়ণগঞ্জের জেমস ভক্তদের কথা মাথায় রেখেই এ আয়োজন করা হয়েছে। এ কনসার্ট ১১টায় শুরু হলেও মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকাল ৪টায়। ‘নম অ্যানিভারসারি সেলিব্রেশন কনসার্ট’ এ আরও অংশগ্রহণ করবেন এ প্রজন্মের আরও দুই সঙ্গীতশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্নিয়া এবং পারভেজ। স্টেজে গাইবেন তরুণ ব্যান্ড দলের ‘বায়ান্ন’-এর সদস্যরা। এতে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে; রেডিও আমার ৮৮.৪ এফএম। উল্লেখ্য, দেশ ও দেশের বাইরে একাধিক শো এবং অ্যালবামের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নগর বাউল জেমস।

মৌসুমীকে ‘লং ড্রাইভে’ নেয়ার প্রস্তাবে ক্ষুব্ধ সানী

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলায় প্রচারিত ‘সেন্স অব হিউমার’ অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ একেএম শামীম ওসমানকে ‘লং ড্রাইভে’ চিত্র নায়িকা মৌসুমীকে সাথে নেয়ার প্রস্তাব দেয়ায় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ের উপর বেজায় চটেছেন মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে ওমর সানী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক জয়ের এমন প্রশ্নের নিন্দা জানিয়ে জয়ের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘বিশিষ্ট রাজনীতিক শামীম ওসমান সাহেবকে সে বলেছে, তিনি মৌসুমীকে নিয়ে লং ড্রাইভে যেতে চান কিনা। এখানে মৌসুমী কেন আসবে? সে কোনও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়, তাহলে কেন তাকে জড়ানো হবে এসব বিষয়ে’? সূত্রে প্রকাশ, গত ৪ ডিসেম্বর অভিনেতা-উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ের ‘বিরুদ্ধে’ নায়ক ওমর সানী তার ফেসবুক পোস্টে প্রথম মুখ খোলেন। সেখানে তিনি জয়ের উপস্থাপনাকে ‘পাকনামি কথাবার্তা’ বলে উল্লেখ করে হুঁশিয়ারিও দেন। তবে সানীর এমন মন্তব্যের বিপরীতে জয়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বরং তিনি বলেছেন, ‘আমার অনুষ্ঠানে এসে সানী ভাই তার অভিযোগের কথা বলুক। আমি তখন শুনবো এবং জবাব দেবো।’ উল্লেখ্য, গত ২ ডিসেম্বর রাত ১১ টায় এটিএন বাংলায় প্রচারিত ‘সেন্স অব হিউমার’ নামক অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে গিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে অনুষ্ঠানের উপস্থাপক অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় শামীম ওসমানকে বলেন, ‘আপনি অনেক হ্যান্ডসাম। যেহেতু আপনি হ্যান্ডসাম। তাই আপনাকে একটি অফার দিতে চাই। সেটা হলো একটি লং ড্রাইভে আপনাকে যেতে হবে। আপনি গাড়ী চালাবেন, আপনার পাশে একটি সিট। দুইজনের নাম বলবো, আপনি একজনকে নিতে পারবেন। সেই দুইজনের মধ্যে একজন হচ্ছেন চিত্র নায়িকা মৌসুমী। আরেকজন হলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। আপনি কাকে নিবেন?’ তখন শামীম ওসমান সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেন আইভীকে নিব। কারণ হিসেবে শামীম ওসমান বলেন, আইভী আমার ছোট বোন। আমার বোনকে অনেক কিছু বলার আছে। কারণ সে অনেক কিছু বোঝে না। ভাই-বোনের সম্পর্ক অত্যন্ত পবিত্র। তাই লং ড্রাইভে নিয়ে তাকে বুঝাবো, এটা ভাল এটা মন্দ। আমি তার বড় ভাই। সে হিসেবে আমার দায়িত্ব বেশী। আর যদি মৌসুমীকে নিয়ে যাই, তাহলে আমার বউ আমাকে মেরে ফেলবে। সুতরাং আমি মৃত্যুর মুখে যেতে চাইনা।’ প্রসঙ্গত, এটিএন বাংলায় প্রচার হওয়া জয়ের পরিকল্পনা ও উপস্থাপনায় আলোচিত টক শো ‘সেন্স অব হিউমার’ এ সানী-মৌসুমী দম্পতি এ পর্যন্ত দুইবার অতিথি হয়ে এসেছেন।

ব্ল্যাকআউট করে ‘পদ্মাবতী’র পাশে টালিগঞ্জ

বলিউডের পর ‘পদ্মাবতী’ বিতর্কে এবার রুখে দাঁড়াল টালিগঞ্জ। গত মঙ্গলবার ১৫ মিনিটের প্রতীকী হরতাল করল টালিগঞ্জের কুশীলবরা। এদিন দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত রাজ্যের সিনেমা শিল্পে প্রতীকী হরতাল চলে। ওই সময়ে সমস্ত সিনেমা প্রদর্শন এবং সিনেমা, টিভি সিরিয়ালের শুটিং বন্ধ রাখা হয়। টালিগঞ্জ স্টুডিও পাড়ায় এনটি ওয়ান স্টুডিও ও টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে বুধবার দুপুর ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ফ্লোরের ভেতরে সমস্ত আলো বন্ধ করে দেয়া হয়। সেই সঙ্গে শুটিংএ অংশ নেয়া কলাকুশীলরা এবং ক্যামেরার পিছনে থাকা সমস্ত কর্মীরা ফ্লোরের বাইরে এসে বুকে কালোব্যাজ পরে প্রতীকী হরতালে শামিল হন।

শুক্রবার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘পদ্মাবতী’র। কিন্তু তার আগেই এই ছবিকে ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। ‘পদ্মাবতী’ নিয়ে ইতোমধ্যেই সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও। বিজেপি-শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে ‘পদ্মাবতী’ প্রদর্শন বন্ধ করে দেয়ার জন্য যে হুমকি প্রদর্শন করা হয়েছিল- সেই প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী এই রাজ্যে ‘পদ্মাবতী’র প্রদর্শন চালানোর অনুমতি দেন। এরপরই হরিয়ানার বিজেপি নেতা সুরজ পাল অমু মমতা ব্যানার্জির নাক কাটার হুমকি দেন।

নৃত্য দেখালেন শামীম ওসমান

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আলোচিত সাংসদ আলহাজ¦ একেএম শামীম ওসমান, তিনি যে শুধু একজন রাজনীতিবিদ আর জনপ্রতিনিধিই নন, এবার নৃত্য শিল্পী হিসেবে পরিচিত হলেন জনসাধারনের কাছে। তিনি মাঝে মধ্যে স্কুল কলেজের কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বক্তব্যকালে রসিকতার সুরে গান গেয়েছিলেন একাধিকবার। কিন্তু শামীম ওসমান যে কিছুটা হলেও নাচতে জানেন, সেটা হয়তো অদ্যবধি দেখার সুযোগ হয়নি নারায়ণগঞ্জবাসীর। তবে এবার হয়েছে। আগামী ২ ডিসেম্বর বেসরকারী স্যাটলোইট চ্যানেল এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে সাংসদ শামীম ওসমানের অসাধারন নৃত্য। যেখানে তিনি গানের সুরে কিছুটা হলেও নাচার চেষ্টা করেছেন। এবং ভবিষ্যতে তার ভাগ্নি বাংলাদেশের বিখ্যাত নৃত্য শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ এর কাছ থেকে ভাল নৃত্য শিখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ‘সেন্স অব হিউমার’ নামক একটি ব্যাতিক্রম ধর্মী অনুষ্ঠানের আগামী পর্বের অতিথি হিসেবে সাংসদ শামীম ওসমানকে দেখা যাবে এই মঞ্চে। যেখানে তিনি ‘বন্ধু তোর বারাত লইয়া আমি যাবো’ গানের সুরে অভিনেতা জয়ের সাথে নাচার চেষ্টা করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউবে এই পর্বটির রেকর্ডিং থেকে শুধুমাত্র শামীম ওসমানের নৃত্যাংশ টুকু অভিনেতা জয় তার আইডিতে আপলোড করার পর রীতিমত ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গেছে। জয় ভিডিওটি পোষ্ট করে মন্তব্য করেন, ‘শামীম ওসমান যে নাচবেন এবং তাও আবার সবার সামনে এটা কেউ ভাবতেও পারে না। তবে এটাই সত্যি হয়েছে এবার। সেন্স অব হিউমার অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের নারায়ণগঞ্জ এর এমপি শামীম ওসমান এবার সেই অসাধ্য সাধন করে দেখিয়েছেন। বন্ধু তোর বারাত নিয়া কর এই গানের তালে নেচেছেন এবং তিনি বলেছেন তিনি পরে নাচ শিখে আরও ভালো নাচ দেখাবেন।’

বিয়ে করছেন কারিশমা!

একসময় রুপালি পর্দায় বছরের পর বছর ঝড় তুলেছিলেন কারিশমা কাপুর। তারপর চিরাচরিত নিয়মে ঘরকন্নায় মন দিলেও তাকে কিন্তু ভুলে যায়নি তার অগণিত ভক্ত। তাই তো তাদের টানে ফের তাকে দেখা দিতে হয় সিলভার স্ক্রিনে। এমনকি বিজ্ঞাপনে এখনো তিনি হাজির হলেই থমকে যেতে বাধ্য হয় দর্শকরা। তবে এতকিছুর মাঝে দাম্পত্য জীবনের জন্য বারবারই খবরের শিরোনামে এসেছে তার নাম। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিজের স্রোতেই গা ভাসিয়েছিলেন কারিশমা। কিন্তু পাবলিক ফিগার হলে ভালোর সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে বিড়ম্বনাও। আর তেমনটাই বোধ হয় হচ্ছে আবারো।

শোনা যাচ্ছে, আবারো নাকি সাতপাকে বাঁধা পড়তে পারেন অভিনেত্রী ববিতার বড় কন্যা কারিশমা কাপুর। আর এরই মধ্যে কারিশমার বয়ফ্রেন্ড সন্দীপ তোষনিওয়ালার বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় সমগ্র বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সূত্র অনুযায়ী, কারিশমা গত তিন বছর ধরে দিল্লির এক ব্যবসায়ী সন্দীপ তোষনিওয়ালাকে ডেট করছেন। এদিকে এরই মধ্যে সন্দীপের তার স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাই সন্দীপ-কারিশমার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে কৌতূহলি হয়ে উঠেছে অনেকেই।