মন্ত্রী সভায় সবচেয়ে বেশী সম্পদশালী মন্ত্রী গাজী

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আওয়ামী লীগের ৪৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। রূপগঞ্জ আসন থেকে নির্বাচিত এই সাংসদ প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় সুযোগ পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের ইতিহাসে এর পূর্বে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের কোন এমপি মন্ত্রিত্বের স্বাদ পায়নি। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ এই নিয়ে পাঁচ বার ক্ষমতায়। টানা তৃতীয় বারের মতো দলটি ক্ষমতায় আসার পর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রাণলায়ের দায়িত্ব পেয়েছেন গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক)। দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর আসবাব, স্বর্ণালঙ্কার, গাড়ি, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, নগদ টাকা ও ব্যাংক আমানতের বাইরে অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য ৬৯৬ কোটি সাত লাখ ৬৪ হাজার ৮৫৩ টাকা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি। ব্যবসায় থেকে তার বছরে আয় ৩৪ কোটি ৭১ লাখ নয় হাজার ৫৩৭ টাকা। এ ছাড়া বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া বাবদ হলফনামায় আয় দেখিয়েছেন দুই লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র এবং ব্যাংকের আমানত থেকে আয় দুই কোটি ৫১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৮ টাকা এবং সংসদ সদস্য হিসেবে সম্মানী ও বোর্ড মিটিং ফি বাবদ আয় ২৩ লাখ ৯২ হাজার ৭১৫ টাকা। তার অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নিজের হাতে নগদ টাকা আট কোটি ১১ লাখ ২৫ হাজার ৮৮৮ টাকা, স্ত্রীর হাতে নগদ ১২ লাখ ২৮ হাজার ২৯৬ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিজের নামে জমা তিন লাখ ১৯ হাজার ৫২২ টাকা, স্ত্রীর নামে জমা ৯৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৪৮ টাকা। বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার বাবদ (অর্জনকালীন মূল্যসহ) নিজের অর্থ ৩২ কোটি ৫৫ লাখ ৯৯ হাজার ৩১৯ টাকা এবং স্ত্রীর অর্থ ৬ কোটি ৬৭ লাখ ৪২ হাজার ১০৮ টাকা।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর গাজীর নিজের ব্যবহার করা মোটরযানের মূল্য ১ কোটি ৯৩ লাখ ১৩ হাজার ৫৫৭ টাকা। নিজের কাছে থাকা স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর অলঙ্কারের (অর্জনকালীন মূল্যসহ) মূল্য ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর কাছে থাকা অলঙ্কারের মূল্য ২৪ হাজার টাকা। নিজের কাছে থাকা ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর কাছে থাকা ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর মূল্য ৩ লাখ টাকা। নিজের কাছে থাকা আসবাবপত্রের মূল্য ১৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর কাছে থাকা আসবাবপত্রের মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৬৯৬ কোটি ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫৩ টাকা।
নিজের নামে থাকা অকৃষি জমির অর্জনকালীন মূল্য ৫৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮১ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং স্ত্রীর কাছে থাকা অকৃষি জমির মূল্য ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ৩৮০ টাকা। হলফনামায় বাড়ি-অ্যাপার্টমেন্টের ঘরে নিজের নামের জায়গাটি খালি রয়েছে। স্ত্রীর নামে থাকা বাড়ি-অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার ১১ টাকা। ব্যাংকে তার একক ঋণ ৫৭৮ কোটি ৮৮ লাখ ২৬ হাজার ৯৬ টাকা।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *