জাতির জনক দেশে ফেরার পরই স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় নগরীর দুই নম্বর রেল গেইটে অবস্থিত আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ হোসনে আরা বেগম বাবলী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল (ভিপি বাদল), সহ সভাপতি আরজু রহমান ভূইয়া, আব্দুল কাদির, এড. আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান, দপ্তর সম্পাদক এমএ রাসেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মরিয়ম কল্পনা, কার্যকরী সদস্য আব্দুল কাদির ডিলার, শামসুজ্জামান ভাষানী, মজিবুর রহমান মন্ডল, আওয়ামীলীগ নেতা মো. জসিমউদ্দিন প্রমুখ। পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে আলোচনা সভায় অংশ নেন নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও সঞ্চালনা করেন দপ্তর সম্পাদক এমএ রাসেল। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল হাই বলেন, এই দিবসটি বাংলাদেশের জন্য অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পন করলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বিজয়ের আসল স্বাদ পাওয়া যায়। বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষনতা ও স্বচ্ছতার কারণেই মুক্তিযুদ্ধ শেষ হবার কয়েকদিনের মধ্যেই মিত্রবাহিনী দেশ ত্যাগ করে। ফিদেল কাস্ত্রো বলেছিলেন, আমি হিমালয় দেখিনি বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার সুন্দর একটি মন্ত্রিসভা উপহার দিয়েছেন। আমাদের নারায়ণগঞ্জবাসীর মন্ত্রীর দাবি ছিল। তিনি সেটাও পূর্ণ করেছেন এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী সাহেবের মাধ্যমে। এজন্য জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সাহেবকে অভিনন্দন জানাই।সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল (ভিপি বাদল) বলেন, এই দিনে বঙ্গবন্ধুর কথা বলে শেষ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন না হলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকতো না। বিজয়ের স্বাদ পরিপূর্ণতা পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে। আমাদের কাছে এই দিনটি তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, আমাদের জেলা আওয়ামীলীগকে আরো শক্তিশালী হতে হবে। অঙ্গসংগঠনগুলোর কার্যক্রম বাড়িয়ে দিতে হবে। যদি অঙ্গসংগঠনের কেউ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন তাহলে দায়িত্ব ছেড়ে দেন, নতুন কেউ আসুক। প্রতিটি থানায়, প্রতিটি ইউনিয়নে নতুন কমিটি হবে। দলকে আরো সুগঠিত করতে হবে।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *