ব্যর্থতা কাধেঁ নিয়ে শেষ হচ্ছে  নারায়ণগঞ্জ বিএনপির দুই বছর

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আর মাত্র এক মাস পরেই শেষ হতে যাচ্ছে জেলা ও মহানগর বিএনপির কমিটির দুই বছরের মেয়াদ। ২০১৭ সালের ফেব্রয়িারিতে এ দুই কমিটি আংশিক ঘোষণা করা হয়। বলা হয়েছিলো তিন মাসের মধ্যে কমিটি দুটিকে পূর্ণাঙ্গ করতে হবে। কিন্তু মেয়াদের শেষে দ্বারপ্রান্তে এসেও সেটি করতে পারেনি দলটির দ্বায়িত্বপ্রাপ্তরা। ফলে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে এখও দাঁড়িয়ে আছে এই কমটি দু’টি। ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারিতে দুই বছর মেয়াদী জেলা ২৬ ও মহানগর ২৩ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তখন থেকেই এই কমিটি দু’টি নিয়ে বিতর্ক চলছিলো। বিশেষ করে জেলা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠে। বলা হয়েছিলো অর্থের বিনিময়ে এই কমিটি কিনে নিয়ে আসা হয়েছে। যার নেপথ্যে কাজ করেছেন কাজী মনিরুজ্জামান, শাহ আলম ও নজরুল ইসলাম আজাদ। আর তাদের চূড়ান্তভাবে সহযোগিতা করেছেন বিএনপির সহসভাপতি মো. শাজাহান। অভিযোগ ছিলো, ব্যাপক অর্থের বিনিময়ে শাজহানই এই কমিটির অনুমোদন করিয়ে দিয়েছেন। এমনকি কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়েই এই কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। ফলে কমিটি গঠনের বিষয়ে কিছুই জানতে পারেননি পূর্বে কমিটির সভাপতি অ্যাড. তৈমূর আলম খন্দকার। যার কারণে এসব কমিটিতে এমন ব্যক্তিরা স্থান পেয়েছেন যারা ইউনিয়ণ ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি কমিটিতে স্থান পাওয়ারও যোগ্যতা রাখেননি।এদিকে কমিটি গঠনের পর উবয় কমিটিই নিজেদের মধ্যে কমিটির সভা করতেও ব্যর্থ হয়েছে। এরমধ্যে মহানগর কমিটি সর্বোচ্চ চারটি এবং জেলা কমিটি একটি সভা করতে পেরেছে। শুধু তাই নয়, নিজেদের অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড কমিটি নিয়েও তারা কাজ করতে পারেনি। পাশাপাশি দলীয় কোনো কর্মসূচিও এই দুই কমিটি সফল করতে এবং তৃণমূলকে সংগঠিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। আর এ কারণে দলটির তৃণমূল এখন অনেকটাই ছন্নছাড়া।এদিকে, নির্বাচনের পর তৃণমূলকে সংগঠিত করাটাই এখন বিএনপির মূল লক্ষ্য। কেননা, তৃণমূল সংগঠিত না হলে সামনের দিনগুলোতে আন্দোলন চাঙ্গা করা সম্ভব হবে না। তাই প্রশ্ন উঠেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর কমিটি পরিবর্তন না করে তৃণমূল চাঙ্গা করা সম্ভব হবে কিনা?

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *