রাজনীতিতে সহাবস্থান চায় না’গঞ্জবাসী

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগ ও বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলের নেতাদের কোন্দলে সঠিক রাজনীতির চর্চা হচ্ছে না। যার ফলে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে তরুণরা বিমুখ। তরুণরা রাজনীতিতে আসার আগ্রহ না থাকায় নারায়ণগঞ্জে অযোগ্য রাজনীতিবিদদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তবে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে রাজনীতিকদের সংঘাত ছেড়ে রাজনীতিতে সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরী করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এ অবস্থা তৈরী করতে পারলে নারায়ণগঞ্জের কাঙ্খিত উন্নয়ণ সময়ের ব্যাপার মাত্র এমন দাবি সচেতন মহলের। তবে এ পরিবেশ তৈরীতে বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। অন্যথায় রাজনৈতিক নৈরাজ্য জেলার দীর্ঘদিনের উন্নয়নের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিবে এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষক মহল। তবে রাজনীতিকরা সে পরিবেশ সৃষ্টি কিংবা তৈরীতে অবদান রাখবে কিনা এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে নগরবাসীর মধ্যে। অন্যদিকে, বছরের শুরুতে বিএনপি ডেঅল পিটিয়ে আন্দোলনের ঘোষনা দিলেও তারা নিশ্চুপ রয়েছেন। কিন্তু বাম দলের নেতারা নারায়ণগঞ্জকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে যে কোন সময় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সংঘাত ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পরতে পারে এমন আশঙ্কা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। সূত্রমতে, নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সহ অবস্থান বিরাজ করলেও ধীরে ধীরে এ পরিবেশ থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেছে জেলার শীর্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। দলীয় কর্মসূচী পালনের নামে একে অপরের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজপথ উত্তপ্ত করে তুলছে। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ পৃথক বলয়ের নেতারা মুখো-মুখি অবস্থান করছে। কেউ কাউকে ছাড়া দিবে না বলে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ থেকে বক্তব্য দিচ্ছে উভয় বলয়ের নেতারা। আর দলের শীর্ষ নেতাদের এসব উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারনে কর্মীদের মধ্যেও উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। অপরদিকে, বিএনপির নেতাদের মধ্যে নির্বাচনের পর নতুন করে গ্রুপিং সৃষ্টি হয়েছে। জেলা ও মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি গঠন হবে এমন গুঞ্জনে পদ-পদবী লোভীরা তৎপর হয়ে উঠেছেন। যার ফলে বিএনপির রাজনীতিতেও উত্তেজনা বাড়ছে। যদিও আওয়ামীলীগের মত এতটা উত্তেজনা পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বিএনপিতে। এদিকে, জেলাকে অশান্ত করতে কিছু বাম সংগঠনের নেতারা। যারা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ, বিএনপিসহ রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়াচ্ছেন। তাদের জ্বালাময়ী বক্তব্যের কারণে যে কোন সময় জেলার রাজনৈতিক দলের কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জেলাবাসী। আর রাজনৈতিক সংঘাতের কারনে জেলার কাঙ্খিত উন্নয়ন ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষক মহল।

 

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *