আজ: সোমবার | ৩রা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | রাত ১১:৩০

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

অন্ধকারে জেলা বিএনপির রাজনীতি

ডান্ডিবার্তা | ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ | ১:৩১

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের ভরাডুবির পর নারায়ণগঞ্জ বিএনপির হতাশাগ্রস্থ মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের রাজপথে চাঙ্গা করতে জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে কমিটি দেয়া হলেও রাজপথে নামতে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অনীহা বেড়ে যায়। কমিটি ঘোষনার পর কোন কর্মসূচীতেই নেতাদের একত্রে দেখা যায়নি। সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী কাজী মনিরুজ্জামানকে সভাপতি আর অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করে ঘোষনা করা হয় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র ২৬ সদস্যের আংশিক কমিটি। চলতি বছরের ২৭ মার্চ ২০৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি পায় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি। যদিও এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষর করেছিলেন ১৩ মার্চ কিন্তু সভাপতি ও সেক্রেটারী তা প্রকাশ করেন ২৭ মার্চ। কমিটি ঘোষনার পর জেলা বিএনপির নেতারা একাধিক ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ায় রাজপথে জেলা বিএনপির নেতাদের পাওয়াটাই মাঠ পর্যায়ের নেতাদের জন্য মুসকিল হয়ে পড়ে। সম্প্রতি গুঞ্জন উঠে, জেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। এদিকে, দলীয় কর্মসূচী পালনে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা দায়িত্ব হীনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন দলের ত্যাগী ও তৃনমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। দলের দুঃসময়ে শীর্ষ নেতাদের দায়িত্বহীনতার ফলে আন্দোলন সংগ্রামে সফল হতে পারছে না জেলা বিএনপি।  নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের একের পর বিতর্কীত কর্মকান্ড আর সীমাহীন ব্যর্থতায় তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। দিনের পর দিন সভাপতি ও সেক্রেটারীর স্বেচ্ছাচারিতা আর ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়নের কারনে নেতৃত্ব পাল্টানোর দাবী ক্রমেই জোড়ালো হচ্ছিলো। দিন বদলের সেই পালে নতুন করে হাওয়া লেগেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা বিএনপিকে নতুন করে গোছানোর জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।  নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র কমিটি  আড়াই বছর পার করেছে নানা সমালোচনা আর বিতর্কের গ্লানি নিয়ে। গত আড়াই বছরে কমিটির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানকে সবচেয়ে সক্রিয় দেখা গেছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন বাগানোর সময়েই শুধু, অন্য সময়ে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে খুব একটা দেখা মিলেনি এই ব্যবসায়ী নেতার। তাই জেলা বিএনপির রাজনীতি অনেকটা অন্ধাকারে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *