আজ: শনিবার | ১১ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৭শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২০শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী | সন্ধ্যা ৭:৩৯
শিরোনাম: মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমানের স্মরণ সভায় সেলিম ওসমান আমাদের রাজনীতি ‘নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন     মেয়রকে সেলিম ওসমান ‘আমাদের প্রয়োজন এক টেবিলে আলোচনায় বসা’     স্পটে স্পটে চলছে মাদক ব্যবসা     সোনারগাঁয়ে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দোয়া মাহফিলে এমপি খোকা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দোয়া করি     নারায়ণগঞ্জে হাট না বসানোর পরামর্শ     সোনারগাঁয়ে তিন কর্মকর্তার বদলী     বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম রুহুলকে ছাত্রলীগের সংবর্ধনা     শীর্ষ নেতারা নিশ্চুপ-সুবিধাবাদীরা বেপরোয়া     গঞ্জেআলী খাল উদ্ধারে স্বস্তিতে এলাকাবাসী     নারায়ণগঞ্জে পুরনো রূপে গণপরিবহন    

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

অপরূপ সুন্দর নিদর্শন মহেড়া জমিদার বাড়ি

ডান্ডিবার্তা | ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ৮:৪৬

অপরূপ টাঙ্গাইলের একটি সুন্দর নিদর্শন হলো মহেড়া জমিদার বাড়ি। ১৮৯০ দশকের পূর্বে স্পেনের করডোভা নগরীর আদলে জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৮৯০ সালে তৎকালীন জমিদাররা ৪ ভাই মিলে জমিদারি পত্তন করেন। তাদের নাম বুদাই সাহা, বুদ্ধু সাহা, হরেন্দ্র সাহা এবং কালীচরণ সাহা। তারা সবাই সাহা পদবী ধারণ করেই জমিদারি শুরু করেন। তাদের পরবর্তী প্রজš§ সবাই রায় চৌধুরী পদবি গ্রহণ করেন।

জমিদার বাড়ি নির্মাণ হয় চারপাশে। মহেড়া জমিদার বাড়িটি মূলত ৪টি ভবনে বেষ্টিত। মহারাজ লজ, আনন্দ লজ, চৌধুরী লজ এবং কালীচরণ লজ। বাড়িটি মোট ৮ একর জমির ওপর অবস্থিত। এখানে কাছারি ভবন, পুকুর এবং মাঠ রয়েছে। বর্তমানে একটি ছোট চিড়িয়াখানা করা হয়েছে।

স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়িতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ির কুলবধূসহ ৫ গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করে।
পরবর্তী সময়ে তারা লৌহজং নদীর নৌপথে এ দেশ ত্যাগ করে। এখানেই তখন মুক্তিবাহিনী ক্যাম্প স্থাপন করে। ১৯৭২ সালে মহেড়া জমিদার বাড়িটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জোনাল পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়।

১৯৯০ সালে এটিকে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে উন্নীত করা হয়। টাঙ্গাইলে ঘুরে দেখার অন্যতম জায়গা এই মহেড়া জমিদার বাড়ি, তবে মহেড়া জমিদার বাড়িতে ঢুকতে হলে জনপ্রতি ৮০ টাকা টিকিট করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *