আজ: মঙ্গলবার | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৬ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি | রাত ১১:৫০

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

অবহেলিত সহযোগী সংগঠনগুলো!

২৮ নভেম্বর, ২০২০ | ৭:২৭ পূর্বাহ্ন | ডান্ডিবার্তা | 376 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনগুলো এখন অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। কমিটি থাকলেও রাজনীতির মাঠে নিস্কীয় রয়েছেন নেতারা, আবার সক্রিয় নেতাদের স্থান নেই কমিটিতে। যার ফলে সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগ। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে একেবারেই নিষ্কিয় আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলো। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলা যুবলীগের কমিটি থাকলেও নেই নেতৃত্ব। সভাপতি আব্দুল কাদির রাজপথে একেবারেই নেই বললেই চলে। কেননা যুবক থেকে তিনি এখন বৃদ্ধ হয়েছেন। তবুও জেলা যুবলীগের পদ আকঁড়ে আছেন। আর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ বাদল এখন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তাই তিনি যুবলীগের জারনীতি থেকে দূরে সরে গেছেন। তবে এখনো জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল রয়েছেন। এছাড়াও জেলা যুবলীগের শীর্ষ নেতা শাহ্ নিজাম, জাকিরুল আলম হেলালসহ অনেকেই এখন মহানগর আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূণ পদে রয়েছেন। কিন্তু এরা সকলেই যুবলীগের পদে এখনো বহাল রয়েছেন। যার ফলে জেলা যুবলীগের কমিটি থাকলেও নেই নেতৃত্ব। তাই যুবলীগের বর্তমান সক্রিয় নেতারা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় দিতে পারছেন না। অপরদিকে, নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা থাকা কালীন সময়ে শহর যুবলীগের কমিটি। তবে পৌরসভা থেকে সিটি কর্পোরেশন হলেও শহর যুবলীগ এখনো মহানগর যুবলীগ হতে পারে নি। আর শহর যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রাজনীতির মাঠে পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করছে। এতে করে সাধারণ নেতাকর্মীরা বিপাকে রয়েছেন। আওয়ামীলীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা ও মহানগর কমিটি থাকলেও থানা ও উপজেলা ইউনিটের কমিটিগুলো কমিটি গুলোর বেহাল অবস্থা। থানা ও উপজেলা ইউনিটের কমিটিগুলো মেয়াদ উর্ত্তীণ হয়েছে অনেক আগেই। কোন কোন কমিটি একযুগও পাড় হয়ে গেছে। যার ফলে থানা পর্যায়ে ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না। নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের আরেকটি সহযোগী সংগঠন কৃষকলীগ। সংগঠন থকলেও কোন নেতা নেই। আবার নেতা থাকলেও তাদের কোন অস্তিত্ব নেই। বছরের পর বছর রাজনীতির মাঠে তাদের দেখা যায় না। আর মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া আর কাউকে রাজপথে দেখা যায় না। এই মধ্যে আবার সাধারণ সম্পাদক নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর। পাশাপাশি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও তিনি জড়িত। সভাপতি ব্যস্ত বন্ধন পরিবহনসহ বিভিন্ন সেক্টর পরিচালনা নিয়ে। তাই মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগও এখন অনেকটা নিষ্কীয়। যুব মহিলী লীগের কমিটি ঘোষনার পর থেকেই রয়েছে নানা বিতর্ক। কেন্দ্র থেকে পর পর দুটি কমিটি দিয়েছিল। যার প্রথম কমিটি বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু রাজনীতির মাঠে দুই কমিটির নেত্রীদেরই দেখা যায় না। এমনকি দলীয় কোন কর্মসূচীতেও যুবমহিলা লীগের নেত্রীদের দেখা যায়নি। যার ফলে জেলা ও মহানগর যুবমহিলা লীগের আহবায়ক কমিটি এখনো পূর্ণাঙ্গ হয়নি। এদিকে, তাঁতীলীগ নামে আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন থাকলেও নারায়ণগঞ্জে নামে মাত্র রয়েছে। দলীয় কোন কর্মসূচীতে তাঁতীলীগের কোন নেতৃবৃন্দকে দেখা যায় না। আর দলীয় সকল কর্মসূচীতে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রফেসর শিরিন বেগমকে দেখা গেলেও অন্য কোন নেত্রীর অস্তিত্বও নেই। আর মহানগর সভাপতি ইসরাত জাহান খান স্মৃতি নাসিক নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরই তাকে রাজনীতির মাঠে তেমন একটা দেখা যায় না। তবে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের প্রধান প্রধান সহযোগী সংগঠনগুলোর অস্তিত্ব সংকটে থাকলেও বেড়েছে ভূঁইফোড় সংগঠন। সংগঠনের নামের সাথে লীগ ব্যবহার করে বড় আওয়ামীলীগার সাজার চেষ্টা করছে কতিপয় কিছু অসাধু ব্যক্তি। লীগ ব্যবহার করে করে বেড়াচ্ছে নানা অপকর্ম। যার ফলে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে আওয়ামীলীগ। তাই অচিরেই নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের সহযোগী সকল সংগঠনগুলো পুর্ণগঠনের আহবান জানিয়েছে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।



Comment Heare

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Top