Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

আইভীর অনুসারিরা খোশমেজাজে

০৬ নভেম্বর, ২০২১ | ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 96 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেয়র আইভীর মধ্যে এখন দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই বললেই চলে। আইভীর অনুসারিরাও আগের চেয়ে অনেকটাই সরব হয়ে উঠছে। সাংসদ সেলিম ওসমানের বন্দরে নৌকা নিয়ে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তার অনুসারিরা প্রথমে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকলেও এখন অনেকটাই সরবে সাংসদ সেলিম ওসমানকে ইঙ্গিত করে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করে চলছেন। মেয়র আইভীর মধ্যে সাম্প্রতি সময়ে আগের সেই দুশ্চিন্তা এখন আর দেখা যাচ্ছে না। অনেকটাই খোশ মেজাজে আছেন মেয়র আইভী। দেওভোগকে নারায়ণগঞ্জের রাজধানী হিসেবে আখ্যায়িত করা আইভীর সাথে যাদের দুরত্ব রয়েছে সেই সব দেওভোগবাসীকে এক করতে পারলে আইভীর দু:সময় বলতে কিছু থাকবে না বলে তার বিরোধীরাও স্বীকার করেন। যা আইভীর পিতা আলী আহম্মেদ চুনকা আমৃত্যু করে গেছেন। পিতার পদাঙ্ক অনুসরন করে আইভীও দেওভোগবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করতে এমনটাই আশা করছে আইভীর অনুসারিরা।  নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে নানা সমীকরণ চলছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী  অচিরেই তফসিল ঘোষণা শেষে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে চূড়ান্ত কোন ঘোষণা আসেনি। তবে এরই মধ্যে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। একটি পক্ষ চায় বর্তমান সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর পরবর্তীতে অন্য কেউ মেয়র হোক। সেটা আওয়ামীলীগের কিংবা বিএনপির অথবা স্বতন্ত্র যেকোন প্রার্থী। এক কথায় মেয়র আইভী যেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পায়। এ নিয়ে যখন একটি পক্ষের আওয়ামীলীগের নেতাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে তখন বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন মেয়র আইভী। তিনি নির্বাচন নিয়ে এখনও তেমন কোন কার্যক্রমই করতে দেখা যায়নি। গত বুধবার সকালে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন মেয়র আইভী। এসময় মেয়র আইভীকে হাস্যোজ্জ¦ল দেখা গেছে। অন্যান্য দিনের মতোই বক্তব্য রেখেছেন। নির্বাচন নিয়ে যে তিনি চিন্তিত বা প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগ নেতাদের চাপে আছেন এমন কোন কিছুর ছাপই দেখা যায়নি চোখে মুখে। নগর ভবনের বাইরে মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র, বিরোধীতা করে বক্তব্য ও বিভিন্ন অভিযোগ তুললেও সেটা এতে তিনি যে কর্ণপাতও করেন না সেটা স্পটই বুঝা গেছে। মেয়র আইভী বিভিন্ন সমাবেশে ইতোমধ্যেই বলেছেন তিনি নির্বাচন নিয়ে নয় বরং নগরীর উন্নয়ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তবে নির্বাচন যে করবেন সেটাও ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু নির্বাচন করবেন যদি আওয়ামীলীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি দলীয় মনোনয়ন দেন। তাছাড়া তিনি নির্বাচন করবেন না। বরং দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষে নির্বাচন করবেন।’ মেয়র আইভী এ ঘোষণা দিলেও একটি প্রভাবশালী মহলের অধীনস্থ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা একাধিক প্রার্থীরা নিয়ে দৌড়ঝাপ করছেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের অফিসে ও বাসায়। রাজনৈতিক নেতার বাইরে গিয়েও ব্যবসায়ী নেতাকে মেয়র করার জন্যও প্রলোভন দিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামীলীগের নেতারা বলেন, ‘সততা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দিয়ে মেয়র আইভী নগরবাসীর মনই জয় করেনি একই সঙ্গে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও গুড বুকে নাম লিখিয়ে নিয়েছেন যা প্রকাশ পায় ২০১৬ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দিয়ে আর নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী টেনে আইভীকে বুকে নিয়ে। মেয়র আইভী সেই মর্যাদা এখনও অটুট রেখেছে। বিগত ৫টি বছরে তার বিরুদ্ধে নূন্যতম অভিযোগও কেউ তুলতে পারেনি। যদিও তার প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী মহলের একটি অংশ ছাড়া। কারণ ওই পক্ষে অন্যায়, অত্যাচার ও অপরাধ মূলক কর্মকা-ের সমর্থন না দিয়ে মেয়র আইভীর বিরোধীতা করার জন্য। শুধু যে বিরোধীতা না নয় প্রকাশে তাদের বিচার দাবি সহ শাস্তির দাবিও করেছেন তিনি।’

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *