আজ: শুক্রবার | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ১০:২৯

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

আজাদ নেই-আছে বারিক

ডান্ডিবার্তা | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৭:৪৩

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
মসজিদে বিস্ফোরণে ৩১ জন নিহত হয়েছে, এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ জন; এমন অবস্থায় এমপি, মন্ত্রী থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের নেতারা যখন ঘটনাস্থলে আসছেন। পরিবার গুলোর খোঁজ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ বিশ^াস তার নির্বাচনী এলাকার জনগণের বিশ^াস রাখতে পারেনি। তিনি তল্লার এত বড় দুঘটনায় সাহায্যতো দূরের কথা একটু সহানুভ’তি দেখাতেও যাননি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘মামলার কারণে প্রায় একযুগ ধরে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদটি আটকে রেখেছেন আজাদ বিশ^াস।, দীর্ঘ দিন ক্ষমতা আকড়ে রেখে তিনি আঙ্গুল ফলে কলাগাছ বনে গেছেন তাই জনগণের খোঁজ নেন না’। কিন্তু ঘটনার পর থেকে সদর ইউএনও নাহিদা বারিক রীতিমত ঘুম খাওয়া হারাম করে বিস্ফোরণের গটনার পর থেকে নিরলস ভাবে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। পাশে দাঁড়িয়েছেন বিস্ফোরণে হতাহতদের সহায়তার জন্য। কিন্তু আজাদ বিশ^াস একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে তিনি তার নিজের এলাকার মানুষের পাশে নেই। আজাদ বিশ^াস জনপ্রতিনিধি হয়ে ঠিকই তার সুফল ভোগ করছেন এবং সরকারি টাকা লুফে নিচ্ছেন কিন্তু জনগণের পাশে নেই। এমনই ক্ষোভ প্রকাশ করেছের তল্লাবাসী। গত ৪ সেপ্টেম্বর ফতুল্লার পশ্চিম তল্লার বাইতুল সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের পর ১২টি দিন চলে গেছে। এ সময়টিতে জেলা প্রশাসান, জেলা পরিষদ, আওয়ামী লীগ-বিএনপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা হতাহত পরিবার গুলোর পাশে দাঁড়য়েছে। কিন্তু পাশে পায়নি জনগণের প্রতিনিধি ‘চেয়ারম্যান’কেই। মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল গফুর জানান, বিস্ফোরণের পর সারা দেশসহ বিশে^র বিভিন্ন দেশে এর সংবাদ ঝড়িয়ে পড়েছে তারপও তার নিজ এলাকায় আসেননি আজাদ বিশ^াস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান, নির্বাচন হয় না, তাই চেয়ারম্যান সাহেবের জনগণের প্রয়োজনও হয় না। বিস্ফোরণের পূর্বে আমাদের এলাকায় কখন চেয়ারম্যান এসেছে, সেই স্মৃতি আমার মনে নেই। জনগণের খোঁজ রাখবে কী? তিনি তো চায়, আমৃত্যু নির্বাচন না করে চেয়ারম্যান থেকে যাক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *