আজ: মঙ্গলবার | ১১ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২১শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | সকাল ৬:৫৯

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

আনসার সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার চেস্টায় একজন গ্রেফতার

ডান্ডিবার্তা | ০৭ জুলাই, ২০২০ | ৬:৪০

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
মাদক ব্যবসার ভাগ- বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশ লাইনে কর্মরত আনসার সদস্য আব্দুল মান্নানকে কুপিয়ে হত্যার চেস্টার করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় পুলিশ আলী হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় আহত আনছার সদস্য মান্নানের স্ত্রী মুক্তা মনি বাদী হয়ে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী উৎস, আলী হোসেন সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে আাসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী মাসদাইর পাকাপুল এলাকার আব্দুল জব্বারের পুত্র আলী হোসেন কে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তার স্বামী পুলিশ লাইনে কর্মরত আনসার সদস্য মান্নান মাসদাইর সাজুর রিক্সার গ্যারেজে বসে গল্প করছিলো। এমন সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ফতুল্লার টাগাড়পার এলাকার উৎস, মাসদাইর পাকাপুল এলাকার আলী হোসেনসহ অজ্ঞাত নামা ৫/৬ সন্ত্রাসী রিক্সার গ্যারেজে দেশীয় তৈরী ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে তার স্বামীকে মারতে মারতে অটো রিক্সায় করে টাগারপাড়ের দিকে নিয়ে যায়। এ সময় রিক্সার গ্যারেজ মালিক সাজু বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাকেও লোহার পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। টাগারপাড় এলাকায় নিয়ে তার স্বামী মান্নানকে লোহার পাইপ, হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পা থেকে কমর পর্যন্ত ভেঙে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ কোপায়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তার স্বামীর হাতের রগ কেটে ফেলে এবং এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। ঘটনার সংবাদ পেয়ে সে সহ তার স্বজনেরা আহত মান্নানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে থানা পুলিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, আহত মান্নান এক সময় নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী দল চরমপন্থী বাহিনীর সদস্য ছিলো। সরকারী সাধারন ক্ষমা ঘোষনানুযায়ী ২০০১ সালে সে নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গা প্রশাসনের নিকট আতœসমর্পণ করে। পরবর্তীতে সে বিশেষ আনসার সদস্য হিসেবে নিয়োগ পায়। সূত্রটির দাবী, বিশেষ আনসার সদস্য মান্নান নারায়ণগঞ্জের মাদক সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রয়েছে। তার আপন চাচা শ্বশুর দেওভোগ এলাকার চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেনকে সাথে নিয়ে তার কথিত ভাগিনা উৎস, নাজমুল, কারাগারে আটক দিদার, গ্রেফতারকৃত আলী হোসেন, সোহেলসহ বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর যোগসাজশে মান্নান মাসদাইর, টাগারপাড়, বিসিক শিল্পনগরীতে গড়ে তুলেছিলো মাদকের বিশাল সিন্ডিকেট। আর এই মাদক ব্যবসার জের ধরেই মূলত মাদকের ভাগ- বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করেই মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যরা মান্নানকে হত্যা করার চেস্টা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *