Home » শেষের পাতা » বন্দরে ২৭টি পূজামন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

আমি সবার সমর্থন পাচ্ছি: তৈমূর

০৮ জানুয়ারি, ২০২২ | ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 49 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আজকে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে-বিএনপির ভোট নৌকা মার্কায় যাবে না বরং অন্য মার্কার ভোট আমার কাছে আসবে।এখানে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সব আছে। তারা যা করেছে বুঝে শুনে করেছে। স্থানীয় নেতাদের সাথে আমার সম্পর্ক; পানি কাটলে দুই টুকরো হবে, কিন্তু তৈমূর আলম খন্দকারের সাথে বিএনপির সম্পর্ক দুই টুকরো হবে না। আমার শরীরটা কেটে টুকরো টুকরো করলো যে আওয়াজটা আসবে, তা হলো ‘বিএনপি’। গতকাল শুক্রবার বন্দরের সকাল থেকেই নির্বাচনী প্রচারণায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। এদিন সর্বস্তরের সমর্থকদের সাথে নিয়ে বন্দরের শাহী মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মসজিদের বাইরে উচ্ছ্বেসিত সমর্থক-ভোটার ও গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপেকালে উপরোক্ত একথা বলেন তিনি। সাথে ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আকরাম, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপির আতাউর রহমান মুকুলসহ বিভিন্ন দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, জাপা, বিএনপি দল-অঙ্গসংগঠনের নেত-কর্মীবৃন্দ। সর্বদলীয় জনতার উপস্থিতিতে সকাল থেকেই বন্দরে অভূতপূর্ব জনস্রোত সৃষ্টি হয় আজ বন্দরে। তৈমূর বলেন, নারায়ণগঞ্জসহ গোটা বাংলাদেশে এখন নির্বাচন নেই। এই নির্বাচনটা হল জনগনের সাথে আঠারো বছরের ব্যর্থতার লড়াই। এই নির্বাচনটা জনগনই করবে। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে শ্রমিক, দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষজন যারা আছেন তারাই এই নির্বাচন করছেন।

তিনি বলেন, আমি সাড়ে পাঁচ লাখ ভোটারেরই সমর্থন চাই। আওয়ামী লীগ কী ভোটার না, তারা কী এ শহরের নাগরিক না। প্রার্থী হিসেবে আমি সকলের কাছেই যাবো। আমি সকলের ভোট কামনা করেছি। তিনি আরও বলেন, আমি এর আগে দলের নির্দেশে বসে গেছি। সেই নির্বাচনটা আমি করতে পারিনি। এবার জনগন সিটি করপোরেশন থেকে যেভাবে বঞ্চিত হয়েছে এই বঞ্চিত হওয়ার কারনে এবং সিটি করপোরেশন একটা সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে, সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। মাত্র দুই তিনজন কন্ট্রাক্টরের যে ঠিকাদারির সিন্ডিকেট, এটা ভেঙে সকলের জন্য সুবিধা করতে চাই। সিটি করপোরেশন সবার। তিনি দৃঢ় প্রত্যায়ব্যাক্ত করে আবারও বলেন, ‘হোল্ডিং ট্যাক্স, পানির বিল এবং ট্রেডলাইসেন্স সহ অন্যান্য ফি যে বাড়ানো হয়েছে এসব কমিয়ে এনে সিটি করপোরেশনকে গণমুখী সিটি করপোরেশন করতে হবে। যেখানে যে সমস্যা, ওই এলাকার জনগনের সাথে কথা বলে সমাধান করতে হবে। একটা গ্রান্ড মাস্টার প্ল্যান করতে হবে। শুধু কনস্ট্রাকশন করে টাকা পয়সা খরচ করলেই হবে না। সব দিক বিবেচনা করে জনমুখী একটা প্রশাসন আমরা তৈরি করতে চাই। যাতে সেবা সকলের দুয়ারে গিয়ে পৌঁছায়’। তৈমূর বলেন, আমি সকলের ভোট চাই। আমি সবার সমর্থন পাচ্ছি। যারা সরকারি দল করে তদেরও বেশি ট্যাক্স দিতে হয়, তারাও পানি পাচ্ছে না, তাদেরও ট্রেড লাইসেন্সের ফি বাড়তি দিতে হচ্ছে। এখানে সরকারি দল, বিরোধী দলের প্রশ্ন না। সিটির ট্যাক্সের বিনিময়ে জনগন সার্ভিস পাচ্ছে না, এটা হলো চরম সত্য। তাই সেবাটা নিশ্চিত করতে, পরিবর্তন করতে হবে। তৈমূর আলম অভিযোগ করেন, আমাদের কিছু পোস্টার ছেড়া হয়েছে। সরকারি দল আচরনবিধি লঙ্ঘন করে নৌকা সহ বড় বিলবোর্ড বানিয়েছে। তারা জনসভা করছে বাইরের এমপিদের নিয়ে। এটা আচরনবিধির লঙ্ঘন। আল্লাহ এবার জনতার বিজয় ঘটাবে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *