Home » প্রথম পাতা » রূপগঞ্জ ভ’মি অফিসে অনিয়মই যেন নিয়ম

আ’লীগের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া দেশপ্রেমিকের কাজ

২১ মে, ২০২২ | ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 22 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার গত ১১ বছরে ১০ বার বিদ্যুতের মূল্য বাড়িয়েছেন, যা সংখ্যায় ১১৮ শতাংশ বৃদ্ধি। সরকারের জ্বালানী খাতে অপচয়, সিস্টেম লস, লুণ্ঠন করে দেশের বারোটা বাজিয়ে ফেরেছে। সরকারের এ ব্যার্থতার দায়ভার জনগণ কেন নিবে।’ গতকাল শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রেসক্লাবের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। এদিন বিদ্যুৎ, জ্বালানীসহ নিত্যপন্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেই রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বক্তব্য দেন, তা সীমাহীন ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। আমরা বলতে চাই, এদেশ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলে, কারও দান খয়রাতে নয়। এই ট্যাক্সের টাকায় আপনাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ হয়। সুতরাং বাহাদুরী করবে না, এটা আপনাদের জমিদারি না। জনগণের আয় না বাড়িয়ে, বিদ্যুতের মূল্য এক টাকাও বাড়তি সহ্য করা হবে না।’ সমাবেশে জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যাদেরকে জান-মাল রক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছে তারাই জনগণের বিপক্ষে গিয়ে একটি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে। আওয়ামী লীগ সরকার পুলিশ প্রশাসনকে তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার কাজে ব্যবহার করছে। দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভোট কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তারা দিনের ভোট রাতে করেছে। মানুষ ভোট দিয়ে গিয়ে দেখেছে ভোট হয়ে গেছে।’ নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘যারা ইনিয়ে-বিনিয়ে আওয়ামী লীগের সমালোচনা করবেন তারা ফ্যাসিজমের দোসর। তারা আওয়ামী লীগের সহযোগি। তারা গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক অধিকার, ভোটাধিকারকে নানাভাবে পিছনে টেনে ধরতে চান। প্রত্যেকটি জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। দিন রাত মানুষকে বাড়তি পরিশ্রম করতে হচ্ছে। মানুষ অতিরিক্ত পরিশ্রম করেও এক টাকাও সঞ্চয় করতে পারছে না। তার সমস্ত সঞ্চয় সরকার লুটে নিচ্ছেন। আজ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া দেশ প্রেমিকের কাজ। আর যারা ইনিয়ে-বিনিয়েসহ নানান কায়দা-কানুনে  আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকবে তারা দেশ ও জাতিকে বিভক্ত করে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে বাধাঁ তৈরি করছে। গণতন্ত্র এবং মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা আজ সময়ের সবচেয়ে জরুরি এবং ন্যায্য লড়াই।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *