Home » প্রথম পাতা » রূপগঞ্জ ভ’মি অফিসে অনিয়মই যেন নিয়ম

ইউপিতে দুর্বল প্রার্থী আর প্রভাবশালী নেতাদের কারণে নৌকার ভরাডুবি!

১৫ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 77 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

দ্বিতীয় দাপে ইউপি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের ভরাডুবির একাধিক কারণে রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি ইউনিয়নে প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী না করলে নৌকার ভরাডুবির সংখ্যা আরো বাড়তো বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। বিশেষ করে কুতুবপুরে বিএনপির নেতা সেন্টুকে আওয়ামীলীগে এনে নৌকা প্রতীক দেয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন প্রার্থী ছিল না। তাছাড়া নির্বাচনে কাশীপুর ও এনায়েতনগরে প্রার্থীর বিজয় অনেকটাই নড়বড়ে ছিল। এই ইউনিয়নে সবল প্রার্থী না থকলেও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থীরাই তাদের জন্য আতঙ্ক হয়ে উঠে। যে করেণে সাংসদ শামীম ওসমানের অনুরোধে এই প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও এদের বাক্সেও ভোট অনেক পড়েছে। বক্তাবলীতে নৌকার বিরুদ্ধে কোন প্রার্থী ছিল না। আলীরটেকে জাকির হোসেন আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী বলা চলে। গোগনগরে নৌকার প্রার্থীর চাইতে বিদ্রোহী প্রার্থী ফজর আলীর কর্মী ও টাকা দু’টিই ছিল জসিম উদ্দিনের চেয়ে অনেক বেশী। বন্দরেও নৌকার প্রার্থীরা কলাগাছিয়া ছাড়া মোটামুটি সবাই ছিল দুর্বল। যে করেনে নৌকার প্রার্থীদের পরাজয় অনেকটাই সময়ের ব্যপার হয়ে উঠে। এবারের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল দুর্বল প্রার্থী দেয়ার কারণে নারায়ণগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে দু’টি ইউনিয়ন পরিষদের নৌকার প্রার্থীর ভরাডুবি অনেকটা অনুমেয় ছিল তবে বাকী যে ৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার প্রার্থীর ভরাডুবি ঘটেছে সেটা অনেক ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীর কাছে ছিল কল্পনার বাইরে। তবে নির্বাচনে ৬ ইউপিতে নৌকার প্রার্থীর ভরাডুবির পরে চলছে নানান আলোচনা সমালোচনা। জানা গেছে, দ্বিতীয় ধাপে নারায়ণগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। নির্বাচনের একদিন আগে ইসলামী আন্দোলনের দুই প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ায় নৌকার দুই প্রার্থী অনেকটা বিনা বাধায় জয় পেয়েছেন। বাকী ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ভোটযুদ্ধে ৩টিতে নৌকার প্রার্থী, ৩টিতে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছে। দ্বিতীয় ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল আলম সেন্টু, রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল হাসান ভূঞা, ভুলতা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আরিফুল হক ভূইয়া, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তোফায়েল হোসেন আলমাছ। এছাড়াও নির্বাচনের একদিন আগে ইসলামী আন্দোলনের দুই প্রার্থী সরে দাড়ানোয় বিনা বাধায় জয়লাভ করেন কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল এবং এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আসাদুজ্জামান। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে সদর উপজেলার আলীরটেকে জাকির হোসেন, মদনপুরে এম এ সালাম ও কায়েতপাড়ায় জাহেদ আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সদর উপজেলার গোগনগরে জসিম উদ্দিন, বন্দরের কলাগাছিয়া ইউনিয়নে কাজিম উদ্দিন, ধামগড় ইউনিয়নে মাসুম আহমেদ, বন্দর ইউনিয়নে মোক্তার হোসেন, মুছাপুর ইউনিয়নে মজিবর রহমান, রূপগঞ্জের ভোলাব ইউনিয়নে অ্যাডভোকেট তায়েবুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে ভরাডুবির শিকার হয়েছেন। এদিকে টানা ১২ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী হয়েও নৌকার প্রতীক নিয়ে ৬ প্রার্থীর ভরাডুবির কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে সবাই। জানা গেছে, যে ৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার ভরাডুবি ঘটেছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী আলোচিত ছিল কলাগাছিয়া ইউনিয়ন। কারণ এই ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার প্রার্থী হয়েছেন বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী কাজিমউদ্দিন। যিনি দীর্ঘদিন ধরেই তিতাস গ্যাস সিবিএ কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতা। এছাড়াও মহানগর শ্রমিকলীগের রাজনীতির পাশাপাশি বর্তমানে শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন ও দর কষাকষি বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন। সর্বশেষ স্থানীয় জাতীয় পার্টি দলীয় এমপি সেলিম ওসমান কলাগাছিয়া ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থীকে গাঞ্জার নৌকা বলে সম্বোধন করে বিতর্ক সৃষ্টি করে এই ইউনিয়নের নির্বাচনকে আলোচিত করে তুলেছিলেন। নির্বাচনে জাতীয় পার্টি দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার প্রধানের কাছে স্বল্প ভোটের ব্যবধানে হারলেও কাজিম উদ্দিনের এই পরাজয় মেনে নিতে পারছেনা ওসমার বিরোধীরা। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কাজিমউদ্দিনের এই পরাজয়ের পেছনে অনেকগুলো কারণ কাজ করেছে। বিশেষ করে কাজিম উদ্দিনের লড়াইটা ছিল প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধেই। সেলিম ওসমান প্রকাশ্যেই দেলোয়ার প্রধানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ওসমান পরিবার সমর্থক আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা শুরু থেকেই ছিলেন দোলাচলে। কেউ কেউ প্রকাশ্যে দেলোয়ারের পক্ষ নিলেও অনেকেই গোপনে দেলোয়ারের পক্ষে কাজ করেছেন। বিশেষ করে বন্দরের আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই ছিলেন নিস্ক্রিয়। তেমনি জেলার নেতারাও কাজিম উদ্দিনের পক্ষে তেমন একটা প্রচারণায় যাননি। এছাড়া বিএনপির কোন প্রার্থী না থাকার সুযোগের সদ্বব্যবহার করেছেন দেলোয়ার প্রধান। ওসমান পরিবারের আর্শিবাদপুষ্ট নেতা আতাউর রহমান মুকুল ও ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদাসহ বিএনপির বেশীরভাগ নেতাকর্মীই দেলোয়ার প্রধানের পক্ষে কাজ করেছেন। যে কারণে দেলোয়ার প্রধান বিএনপির ভোট নিজের পক্ষে নিয়েছেন। এক্ষেত্রে কাজিমউদ্দিন ততটা সফল হতে পারেননি বলে মনে করছেন অনেকেই। এছাড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণাও কাজিমউদ্দিনের বিপক্ষে গেছে। নির্বাচনের কিছুদিন আগে কাজিমউদ্দিন মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু তিনি যদি আরো বছরখানেক আগে থেকে নির্বাচনী ওয়ার্ক শুরু করতেন তাহলে সেটা তার জয়ের পথ সুগম করতো বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহল। এছাড়া দেলোয়ার প্রধানের ভোট ব্যাংকে হানা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন কাজিমউদ্দিন অর্থাৎ দেলোয়ার প্রধানের বাড়ির ভোটকেন্দ্রগুলো থেকে ভোট নিজের পক্ষে আনতে পারেননি কাজিমউদ্দিন। যে কারণে তাকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নে সাবেক ৩ বারের চেয়ারম্যান আয়নাল হোসেনের ছেলে কামাল হোসেন জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাসুম আহমেদ প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের আস্থাভাজন হওয়ায় কামাল লাঙ্গল প্রতীক পাননি। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচনে অংশ নেন। তবে ধামগড় ইউনিয়নে চমক দেখিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন। তিনি হারিয়ে দিয়েছেন নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদকে। অনেকেই বলছেন মাসুম চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হলেও গত ৫ বছরে দৃশ্যমান তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। বরং মাসুম চেয়ারম্যান হওয়ার পরে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনেছেন। তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ছিল। প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে দমাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলেন মাসুম। ধামগড়ে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরীর অভিযোগ উঠে বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদের বিরুদ্ধে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর পোস্টার ছেঁড়া, মাইক ভাঙচুর, গাড়ি ভাঙচুর, হামলা, মারধর, হুমকি ধামকি সহ নানান প্রতিবন্ধকতা তৈরী করছেন মাসুম আহম্মেদ। যা রূপ নিয়েছিল সহিংসতায়। নির্বাচনের আগের রাতে ১০ নভেম্বর জাঙ্গাল কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এসময় প্রায় অর্ধশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়েছে পুলিশ। আহত হয় তিন পুলিশ সদস্য। সম্প্রতি একটি প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ তার উঠান বৈঠকে বক্তব্য প্রদানকালে বলছেন, নির্বাচনের পরেই তিনি আয়নাল চেয়ারম্যানের বাড়ি ঘেরাও করবেন। সেই পরিবারের এমন হাল করবেন যে আগামী ২০ বছর রাজনীতির নাম উচ্চারণ করতে পারবে না। এমন বক্তব্য জেলাজুড়ে আলোচনায় আসার পর এই ঘটনায় সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন প্রয়াত চেয়ারম্যান আয়নাল হকের ছেলে কামাল হোসেন। এসব বিষয় ভাল চোখে দেখেনি ধামগড়ের ভোটাররা। যে কারণে এবার মাসুমকে প্রত্যাখান করেছে ভোটাররা। এছাড়া বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী না থাকায় সেসব ভোট জমা পড়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঝুলিতে। শেষ হাসি হেসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল। মুছাপুর ইউনিয়ন ও বন্দর ইউনিয়নে শুরু থেকেই আওয়ামীলীগের দুর্বল প্রার্থী দেওয়ার অভিযোগ ছিল। মুছাপুরে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী মজিবুর রহমান নৌকা প্রতীক পেলেও তিনি দলের নেতাকর্মীদের একত্রিত করতে ব্যার্থ হয়েছেন। আর তাই আলোচনাতেও ছিলেন খুবই নগন্য। বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মাকসুদ হোসেন কুখ্যাত রাজাকারের পুত্র হওয়া সত্বেও সেই ইস্যুকে তেমন একটা কাজে লাগাতে পারেননি মজিবুর। অপরদিকে বন্দর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোক্তার হোসেন তেমন একটা পরিচিত নন। এর আগে তাকে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী এহসান উদ্দিন আহমেদের সঙ্গেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যেত। নৌকা প্রতীক পেলেও দলের নেতাকর্মীদের একত্রিত করতে ব্যার্থ হয়েছেন মোক্তার হোসেনও। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের কাছেও তিনি পরিচিত নন। যে কারণে তিনিও চরম ভরাডুবির শিকার হয়েছেন। সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদে জসিমউদ্দিন নৌকার মনোনয়ন পেলেও স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের একই প্ল্যাটফরমে আনতে ব্যর্থ হয়েছেন। বরং স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যেই নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। যে কারণে এই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদককে বহিস্কারও করা হয়েছে। এছাড়া হাইব্রীড আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী ফজর আলীর টাকার কাছে হার মেনেছেন জসিমউদ্দিন। বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী না থাকায় সেসব ভোট গেছে ফজর আলীর বাক্সে। ভোলাব ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের সতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন টিটু ১৫ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তায়েবুর রহমান ৪ হাজার ৪’শ ৪০ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। ভোটের ফলাফলই বলে দেয় ভোলাব ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর কি পরিমাণ ভরাডুবি ঘটেছে। তবে এজন্য আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীন কোন্দলকে দায়ী করছেন সকলে। টিটু স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ভোট সম্পূর্ণই তার বাক্সে পড়েছে। এছাড়া আওয়ামীলীগের যে সকল প্রার্থী বাছাই করা হয় তাদের অধিকাংশই ছিল ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীদের আস্থাভাজন। এছাড়া বন্দরে নৌকার চাইতে লাঙ্গলের পক্ষে আওয়ামীলীগের অনেক নেতাকর্মী কাজ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গোগনগরে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের অধিকাংশই প্রকাশ্যে নৌকার বিপক্ষে ফজর আলী পক্ষে কাজ করেছে। একই চিত্রছিল গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সিংহভাগ ইউনিয়নের নির্বাচনে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *