Home » প্রথম পাতা » বন্দরে নাসিম ওসমান স্বরণে যুব সংহতির দোয়া

ইমানদারদের কেনা যায় না: লিপি ওসমান

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ | ১০:০১ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 88 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি বলেছেন, ‘একটা কম্বল বেশি কিছু না, কিন্তু এটার জন্য আপনারা কষ্ট করে বসে আছেন; তাই আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। একটি কম্বলের জন্য এতো আয়োজনের তো কথা না। আসলে এভাবে কম্বল দেয়ার কারন হলো, যাতে অন্যরাও এটা দেখে উৎসাহিত হয় এবং সেও গরীবের পাশে দাড়াতে এগিয়ে আসে। আরেকটা কারন হলো এইযে আপনাদের সাথে একটু দেখা করার সুযোগ। কারন আমরাও একসময় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলাম যে আপনাদের পাশে থাকবো।’ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিপি ওসমান এসব কথা বলেন। এ সময় অসহায় ও শীতার্তদের মাঝে কম্বলও বিতরণ করা হয়। লিপি ওসমান বলেন, ইসদাইরে আগে খুব বেশি আমার আসা হতো না। তবে এখানে আসলেই মনে হয় নিজের ঘরের মানুষদের মাঝে এসেছি। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসই কিন্তু সোয়াব হিসেবে মানুষের আমলনামায় যুক্ত হবে। তাই ‘পুর্ব ইসদাইর যুব সংঘ’ ওদের জন্য দোয়া করবেন যাতে ওরা এবাবেই আপনাদের পাশে থাকতে পারে। একজন মানুষ যখন জন্মায় তখন সে ধনী বা গরীব কিছুই হয়ে জন্ম নেয় না। সুতরাং গরীব হয়ে জন্মানো কিন্তু দোষ না কিন্তু চেষ্টা না করে গরীব হয়ে মৃত্য গ্রহন করাটা দোষ। ইমান যার আছে তাকে কখনো কেনা যায় না। আপনারা ইসদাইরবাসী প্রমান দিয়েছেন এখানের মানুষ টাকা দিয়ে বিক্রি হয় না। লিপি ওসমান আরও বলেন, মৃত্যুর পর ধনী-গরীব কিছুই নেই। আমাদের সকলের কর্মের বিচার হবে। এইযে এখানে কম্বল দিচ্ছে, এটা বড় কথা না; বড় কথা হলো কোন নিয়তে দিচ্ছে। ১৯৯৬ সালের কথা তখন আমরা চাষাড়া থাকি। এই চানমাড়িতে একটা বস্তি ছিলো, কিন্তু সেখানে তখন মাদকের কোন কারবার ছিলো না। তো একদিন ওই বস্তির হাজার হাজার মানুষ চাষাড়া হিরা মহলের সামনে ভির করেছে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম কেন এসেছেন তখন তারা বলেছিলো আমরা শামীম সাহেবের কাছে একটা অনুরোধ করতে এসেছি। কি অনুরোধ? তারা বললো, আমাদের কোন থাকার যায়গা নেই আমাদের ইচ্ছেদ করে দেয়া হচ্ছে। অন্য কোন যায়গায় আমাদের থাকার ব্যবস্তাও করছে না কেউ। পরে আমি শুনে ছিলাম যে বুলডোজার সেই বস্তির ঘর গুলো উচ্ছেদ করতে এসেছিলো সেগুলোর সামনে শামীম সাহেব দাড়িয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাদের পুনরবাসনের ব্যবস্থা করেন তারপর তাদের উঠায়ে দিয়েন, এদেশে আপনাদের থাকার যত অধিকার আছে তাদেরও আছে। শুধু গরীব বলে তাদের উপর অত্যাচার করবেন আমি বেঁচে থাকতে তা হতে দিবো না। তিনি আরও বলেন, ওই মানুষ গুলোর দোয়ার কারনেই এত ঝর ধাক্কা আসে, এতো অপপ্রচার আসে, এতা ষড়যন্ত্র আসে তার পরেও আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেন। আপনাদের পাশে সবসময় যাতে এসে দাড়াতে পারি আল্রাহর কাছে সেই কামনাই করি। আপনারা সকলে দোয়া করবেন আমাদের প্রদানমন্ত্রীর জন্য। যার কারনে আজ আমরা অনেকটা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে পারছি। যার কারনে আমাদের দেশ আজ গরীব দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হয়েছে। এ সময় ফতুল্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান স্বপনসহ স্থানীয় অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *