Home » শেষের পাতা » সোনারগাঁয়ে এক হাজার পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করলেন এমপি খোকা

এখনো যুব মহিলালীগের জট খোলেনি

০১ ডিসেম্বর, ২০২০ | ৮:০২ পূর্বাহ্ন | ডান্ডিবার্তা | 528 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
গত সাড়ে তিন বছরেও নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুব মহিলী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে জট খোলেনি। জেলা ও মহানগর যুব মহিলী লীগের পাল্টাপাল্টি দুটি কমিটি ঘোষনার পর থেকে উভয় কমিটির নেতারা নিদেরদের বৈধ দাবী করে আসছে। তবে কেন্দ্র ঘোষিত প্রথম কমিটির নেতা নেতাদের সর্মথন দিয়ে আসছিল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা। এমনকি জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কর্মসূচীতে প্রথম কমিটির নেতাদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। তবে গত সাড়ে তিন বছরে উভয় কমিটির কোনটিই পূর্ণাঙ্গ হয়নি। জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৭ মে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুব মহিলা লীগের কমিটির অনুমোদন ছিয়েছিল। ৫১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কমিটিতে ইয়াসমিন চৌধুরী লিন্ডাকে আহ্বায়ক, সৈয়দা ফেরদৌসি আলম নীলা, সাবিরা সুলতানা নীলা, নিলুফার ইয়াসমিন, ফারিয়া আক্তার হেলেনা ও হাসিনা বেগমকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। অপরদিকে মহানগর কমিটিতে নুরুন্নাহার সন্ধ্যাকে আহ্বায়ক, সালমা আক্তার, শারমীন আক্তার ডলি, মায়ানূূর মায়া, চায়না আক্তার ও রুম্পা আক্তারকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৪৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন করা হয়। নির্দেশনা ছিল এ দুটি কমিটি প্রতিটি ইউনিট কমিটি গঠন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তুমাত্র এক মাস ১৩ দিন পর ২০১৭ সালের ৩০ জুন হঠাৎ করেই জেলা ও মহানগর যুব মহিলা লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা দেন নাজমা আক্তার ও অপু উকিল। নতুন জেলা কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে জেলা পরিষদের সদস্য সাদিয়া আফরিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে শারমিন আক্তার মেঘলা ও আসমা আক্তারকে। মহানগর কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে অ্যাডভোকেট সুইটি ইয়াসমিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক মুনিরা সুলতানাকে। এ ছাড়া বেশ ক’জন সদস্য রয়েছেন। কিন্তু সে দুটি কমিটি বিলুপ্ত না করেই বা কোনো কারণ ব্যতিরেকেই কমিটির সবাইকে বাদ দিয়ে নতুন দুটি কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুব মহিলা লীগে এখন দুটি করে কমিটি বিদ্যমান এখনো পর্যন্ত। ফলে কোন কমিটি বৈধ তা নিয়ে নারায়ণগঞ্জে চলছে আলোচনা। এ নিয়ে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে রয়েছেন। ঐ সময় দুটি কমিটি বাতিল না করেই নতুন দুটি কমিটি গঠনের ব্যাপারে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমা আক্তার জানিয়েছিলেন, আগের কমিটি দুটি নিয়ে কিছু বিতর্ক ছিল। তাছাড়া ওই দুটি কমিটির বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পরামর্শ নেওয়া হয়নি। তাই নতুনভাবে কমিটি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আগের কমিটি বাতিল না করে নতুন কমিটি দেওয়ার প্রসঙ্গে ঐ সময় তিনি কোনো কথা বলেননি। যার ফলে যুব মহিলা মহিলা লীগের কমিটি নিয়ে এখনো জট খোলেনি। জট না খোলাতে রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায় না যুবমহিলা লীগেও নেত্রীদের। শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের দিনই তাদের কর্মসূচী সীমাবদ্ধ থাকছে। সূত্র বলছে, পাল্টাপাল্টি কমিটি ঘোষনাকে কেন্দ্র করে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে জেলা ও মহানগর আওয়ামীগের নেতারা কয়েকটি ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল। ইয়াসমিন চৌধুরী লিন্ডা ও নুরুন্নাহার সন্ধ্যার কমিটিকে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা সমর্থন দিলেও সাদিয়া আফরিন ও সুইটির কমিটিকে সমর্থন দিয়েছিল ওসমান বলয়। যদিও ইয়াসমিন চৌধুরী লিন্ডা ও নুরুন্নাহার সন্ধ্যা পক্ষে ওসমান বলয়ের বেশ কয়েকজন নেতাও সমর্থন দিয়েছিল।

Comment Heare

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।