আজ: শুক্রবার | ১০ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৬শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী | বিকাল ৩:৩৪

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

কথিত পুলিশ র্সোসরা বেপরোয়া

ডান্ডিবার্তা | ১৬ মে, ২০২০ | ১২:০৫

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জে পুলিশের কথিত সোর্সদের দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এমনকি কথিত র্সোসদের কারণে পুলিশ সদস্যরাও লাঞ্চিত হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এরপরও সোর্সদের দৌড়াত্ম নিয়ন্ত্রন অসম্ভব হয়ে পড়ছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম নারায়ণগঞ্জে যোগদানের পরই একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন কথিত সোর্সদের বিরুদ্ধে কড়া হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলেন। এরপরও কতিপয় পুলিশ সদস্যদের কারণে র্সোসরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আর এই বেপরোয়ার কারণে সদর মডেল থানার পুলিশ ও সোর্সদের উপর হামলা চালানোর সহস পেয়েছে মাদক ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার ১নং বাবুরাইলে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ইকবাল নামের সোর্সকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঐ হামলায় সদর মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. হাবিবুর রহমান ভূইয়াসহ একাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, সোর্স ইকবাল মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোয়ারা নিতো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই সোর্স ইকবাল ও কনস্টেবল শাজাহান বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের ফোন করে টাকা দাবী করতে থাকে। এরপরই সকল মাদক ব্যবসায়ী এক হয়ে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে সোর্স ইকবালকে পিটিয়ে আহত করে। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে, গতকাল শুক্রবার ফতুল্লা মডেল থানায় সোহেল নামে এক সোর্সকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন। সোর্স সোহেল পুলিশের নাম ব্যবহার করে টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরআগে দেওভোগ এলাকায় এক নীরহ ব্যক্তিকে পিটিয়ে আহত করায় হাসান নামে এক র্সোসকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। জানাগেছে, কথিত সোর্সরাই এখন নিয়ন্ত্রন করছেন নারায়ণগঞ্জের অপরাধ স¤্রাজ্য। মাদক ব্যবসা, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষদের হয়রানিসহনানা ধরনের অপরাধে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কথিত র্সোসরা। অপরাধেরে নেতৃত্ব দিয়ে অনেক সোর্স এখন রীতিমত অধিক টাকার মালিক বনে গেছেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকসহ একাধিক মামলা ও রয়েছে। এবং তারা গ্রেফতার হলেই হয়ে যায় সোর্স। অভিযোগ রয়েছে, অসাধু পুলিশ সদস্যদের ছত্রছায়ায় অপরাধের বিস্তার করছে কথিত সোর্সরা। এ সোর্সদের প্রতাপে তটস্থ জেলার সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ। এ সকল সোর্সরা নিরীহ মানুষকে ও বিভিন্নভাবে মামলার ভয় দেখিয়ে ব্লক মেইলিংয়ের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। আর এ সকল সোর্সদের চাহিদা মোতাবেক অর্থ প্রদান না করলে তাদের বাড়ীর আশে পাশে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য রেখে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বড় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোয়ারা নিয়ে দূর্বল মাদক ব্যবসায়ী ও সেবন কারীদের ধরিয়ে দিচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন যখন চিন্তিত তখন সোর্সরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। যার ফলেই বৃহস্পতিবার পুলিশের উপর হামলা করার সাহস পেয়েছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এদিকে, সোর্সদের ব্যাপারে কড়া হুড়িয়ারি দেয়েছেন জায়েদুল আলম। তিনি জানান, কোন সোর্স পুলিশের গাড়িতে থাকতে পারবে না। সোর্সের কাজ তথ্য দেয়া পুলিশের গাড়িতে থাকা নয়। কথিত সোর্সদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষদের কেউ হয়রানি করবে তা হতে দেয়া যাবে না। অপরাধী যেই হোন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *