News

করোনার আতংককে পুঁজি করে ফায়দা লুটছে অসাধু ব্যবসায়ীরা

ডান্ডিবার্তা | 23 March, 2020 | 1:47 pm

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
করোনা ভাইরাসের আক্রমনে বিশ্বের মানুষ আজ দিশেহারা। এ করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই বাংলাদেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খাদ্যের দ্রব্যের দাম ক্রয় সীমার বাহিরে নিয়া সাধারণ মানুষকে জিম্মী করে ফায়দা লুটে নিচ্ছে। অথচ সৃষ্টিকর্তার কৃত্রিম আজাব থেকে বাঁচার চিন্তা না করে এবং সৃষ্টিকর্তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা না করে কৃত্রিম আজাব করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে ফায়দা নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা, যাহা জনসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে। ইহার জন্য তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা (আসক) ফাউন্ডেশনের বন্দর থানা কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি হাজী মোঃ মনিরুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ। এছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অর্থাৎ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি মসজিদে করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দেশিকার কপি পাঠিয়ে দিয়েছেন মুফতি ও ইমামদের কাছে। যাহা থেকে জানা যায় মহান সৃষ্টিকর্তার দেওয়া এই কৃত্রিম আজাব থেকে বাঁচার জন্য কোরআনের তাফসির ও দোয়া প্রার্থনার মাধ্যমে মোনাজাত করা হয়। তাহলে এই সবকিছু পরিহার করে অসাধু ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতবাণী চিন্তা করে সাধারণ মানুষকে জিম্মী করে ফায়দা নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা অসাধু ব্যবসায়ীরা। ইহা থেকে বুঝা যায় করোনা ভাইরাসের চেয়েও অত্যান্ত ভয়ংকর অসাধু ব্যবসায়ীরা। যাহা জনসাধারণের রক্ত চোষা কিট। এই অসাধু ব্যবসায়ীদের সতর্কবাণী দিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা(আসক) ফাউন্ডেশনের বন্দর থানা কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি হাজী মোঃ মনিরুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ বলেন মানুষকে জিম্মী করে লক্ষ লক্ষ টাকা না হাতিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে সরকারকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে নিপ্রীত মানুষের পাশে দাড়াতে। যাতে মহান সৃষ্টিকর্তা ঐ অসাধু ব্যবসায়ী সহ সকল উম্মে মুসলিমকে করোনা ভাইরাস থেকে হেফাজত করেন। তাহলে সকলের জীবনে মঙ্গল দায়ক, নতুবা ধ্বংস। এছাড়া বন্দর আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনের বর্তমান বন্দর থানা কার্যনির্বাহীর উদ্যোগে কিছু কর্মীরা বিভিন্ন বাজার যেমন- ইস্পাহানী, নবীগঞ্জ, কুড়িপাড়া, মদনপুর ও কাঁচপুর মনিটরিং করে নিজেরা ক্রেতা সেজে বিভিন্ন দোকানে খাদ্য সমগ্রী ক্রয় করার জন্য যান। তখনই সরেজমিনে দেখেন প্রতিটি খাদ্য দ্রব্যের মুল্য ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যায়। এইসব কিছু সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু কুচক্র মহলের ছত্রছায়ায় থাকিয়া অসাধু ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এই সকল অসাধু ব্যবসায়ীদের ও কুচক্র মহলদেরকে আমরা আমাদের সংস্থার পক্ষ (বন্দর, সোনারগাঁ ও রূপগঞ্জ) থেকে তীব্র নিন্দা জানাই। গোপন সূত্রে জানা যায় যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার মা, উন্নয়নের কর্ণধার ও রোল মডেলের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বধনাম করা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে ব্যহত করার লক্ষ্যে এই অসাধু ব্যবসায়ীরা কুচক্র মহলের ছত্রছায়ায় থাকিয়া খাদ্য দ্রব্য মূল্য চাল প্রতি বস্তায় (মোটা ও চিকন) ৪০০-৫০০ টাকা বৃদ্ধি ও প্রতি কেজি পেয়াজ ৮০-৯০ টাকা সহ অন্যান্য মালের উর্দ্ধগতির কারণে গ্রাহকদের ক্রয় সীমার বাহিরে চলে যায়। যাহার কারণে সর্বস্তরের জনগণের মাঝে বর্তমান সরকারের প্রতি ধীরে ধীরে আস্তা হারিয়ে ফেলছে। তাই হাজী মনিরুল ইসলাম ও আব্দুল কুদ্দুছ আরো বলেন সর্বস্তরের জনগণের মাঝে সরকারের আস্তা ফিরে আনার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, বন্দর, সোনারগাঁ ও রূপগঞ্জ থানার নির্বাহী অফিসারের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ সাজা কামনা করছেন হাজী মনিরুল ইসলাম ও আব্দুল কুদ্দুছ এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ।

[social_share_button themes='theme1']

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *