Home » প্রথম পাতা » দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৩৬৪

করোনায় তোয়াক্কা নেই তাদের!

২০ জুলাই, ২০২১ | ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 37 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

করোনা পরিস্থিতিতে ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বিশেষ বিবেচনায় কঠোর লকডাউন শিথিল করার পর থেকে ঈদ কেনাটাকার ধুম পড়েছে নারায়ণগঞ্জ শহরে। করোনা ভাইরাসকে তোয়াক্কা না করে শপিংয়ে ব্যস্ত নগরবাসী। তবে এবার পশিংমলের চেয়ে ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। গতকাল সোমবার বঙ্গবন্ধু সড়কের দুই পাশে ফুটপাতে বসা দোকানে প্রচন্ড ভীড় দেখা গেছে।  ঈদুল আযহার কেনাকাটার মূল আকর্ষণ মূলত কোরবানির পশু কেনাকে ঘিরে। এই ঈদে পোশাকসহ অন্যান্য সামগ্রীর চাহিদা কম থাকলেও সামান্য কিছু বেচাকেনার প্রত্যাশা করেন ব্যবসায়ীরা। করোনার প্রভাব ও ঈদের পরে ফের লকডাউনের ঘোষণায় কাঙ্খিত ক্রেতা নেই মার্কেটগুলোতে। বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই কোরবানির ঈদ থেকেই সুবিধা করতে পারছেন না তারা। ঈদের পর লকডাউন থাকায় গ্রামে চলে গেছে বেশিরভাগ মানুষ। যারা নারায়ণগঞ্জে আছেন তাদের অধিকাংশই কিছু কিনতে হলে শপিংমল থেকে না কিনে ফুটপাতের ভাসমান দোকান থেকেই কিনছেন। সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের বেশ কয়েকটি শপিংমলগুলোতে ভিড় নেই একেবারেই। কিছু দোকানে ক্রেতা থাকলেও বেশিরভাগ দোকানই ছিল ফাঁকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই ঈদের মৌসুমে অন্য সময় যে স্বাভাবিক বিক্রি হয় এবার সেটুকুও হচ্ছে না। আড়ংয়ের বিক্রয়কর্মী বলেন, ‘ঈদে আড়ংয়ে বাড়তি চাপ থাকে। এবার সেটা নেই। যারা আসছেন তারা ঈদের কেনাকাটা নয়, রেগুলার কেনাকাটা করছেন। ডিআইটির এফ রহমান কমপ্লেক্সের ব্যাগ বিক্রেতা জহির বলেন, ‘বিক্রি খুব একটা ভালো নয়। সাধারণ সময়ের মতো বিক্রি হচ্ছে না। দোকান ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন দেয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।’ মার্ক টাওয়ার ঘুরে দেখা যায়, জুতা, জামা-কাপড়ের দোকানে তেমন ভিড় নেই। মোবাইল ফোনের দোকানে ক্রেতার আনাগোনা লক্ষ করা গেছে। কাপড়ের দোকানদার কাশেম বলেন, ‘এখন যারা আছে সব টুকটাক, শৌখিন কাস্টমার। সারাদিনে ১০ হাজার টাকাও বিক্রি হয় না। ঈদের আগে ছয় দিন দোকান খোলা রেখে খুব একটা লাভ হয় নাই। তারপরও দোকান তো খুলতেই হবে, যা হয় বেচাকেনা, না হওয়ার চেয়ে তো ভালো।’ ফুটপাতে ক্রেতা বেশি সম্পর্কে তিনি বলেন, ফুটপাতে ক্রেতা বেশি থাকে। যারা মার্কেট থেকে কেনে তারা ফুটপাতে যায় না। বঙ্গবন্ধু সড়কে ফুটপাতের দোকানগুলোতে কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। বিক্রি বাড়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বিক্রেতারা। কসমেটিকস বিক্রেতা রাসেল বলেন, ‘গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ বিক্রি ভালো। রোজার ঈদে যে মাল তুলেছিলাম সেগুলো তো বিক্রি করতে পারিনি। এবার কিছু বিক্রি হবে। ঈদের আগের রাত পর্যন্ত এমন বিক্রি থাকলে সব মাল বিক্রি হবে।’ এদিকে ফুটপাতে ক্রেতা বাড়ায় সেখান দিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাঁটাচলা করতে কষ্ট হচ্ছে। পথচারীদের বাধ্য হয়ে গাদাগাদি করে চলাচল করতে দেখা গেছে।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *