আজ: শুক্রবার | ২৯শে মে, ২০২০ ইং | ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | সকাল ৬:০০
শিরোনাম: স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১মে থেকে ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন চলবে     না’গঞ্জে ৩১মে থেকে বিপনীবিতানসহ সকল দোকানপাট স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলছে     আড়াইহাজারে ঝোপে যুবতির লাশ উদ্ধার     দেশে একদিনে করোনা শনাক্ত ছাড়ালো ২ হাজার২৯, মৃত্যু ১৫     গত ২৪ ঘন্টায় না’গঞ্জে করোনা আক্রান্ত ৬৫জন, মোট আক্রান্ত ২৪৯০     কাশিপুরে চিকিৎসার নামে মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ,ধর্ষক আটক     বিশেষ ব্যবস্থায় সীমিত আকারে পাসপোর্ট বিতরণ শুরু করেছে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস     যুক্তরাষ্ট্রে ৪৪ বছরের যুদ্ধের প্রাণহানীর রেকর্ড ভাঙ্গলো     কথা রাখল না নেপাল,খুলে দেওয়া হলো এভারেস্টের দরজা     আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের মধ্যে বিভেদ,কর না দিতে পারলে ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরে যাবে    

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

করোনায় ভয় নেই নারায়ণগঞ্জে!

ডান্ডিবার্তা | ২৩ মে, ২০২০ | ১২:০২

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
করোনা ভাইরাসের হটস্পট নারায়ণগঞ্জে লকডাউন শিথিল হওয়ার পর সাধারণ মানুষের কাছে যেন করোনা ভাইরাছেন ভয় উঠে গেছে। গত ১০ মে শহরের শপিংমহগুলো চালু করার পর ঈদ কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন নগরের অসচেতন বাসিন্দারা। সচেতন মহল বলছেন, আগামী সোমবার ঈদকে সামনে রেখে শহরের মার্কেটগুলোর চিত্র মনে হয় না নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে। অথচ নারায়ণগঞ্জে দিন দিন করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১৯১৭জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আর টেস্ট বাড়ানো হলে আক্রান্তের সংখ্যা গড়ে আরো বহুগুন বাড়বে। আর এমন পরিস্থিতিতে গণপরিবহ ছাড়া সব কিছুই এখন স্বাভাবিক অস্থায় রয়েছে। মার্কেট, কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে সড়কেও নিরাপত দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা স্বাস্থ্যবিধিও মানছেন না। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে শপিংমলগুলতে ভীড় দেখা যাচ্ছে যা করোনা ভাইরাস আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার জন্য যথেষ্ট। জানাগেছে, গত ১০ মে মার্কেটগুলো খোলার পর শহরের ফ্রেন্ডস মার্কেট, সমবায় মার্কেটের মত জনপ্রিয় মার্কেট ছাড়া এতদিন অধিকাংশ মার্কেট ছিল ফাঁকা। কিন্তু ২৫ রমজানের পরইথ জমে উঠতে শুরু করেছে ঈদ বাজার। ক্রেতা-বিক্রেতার হাকডাকে মার্কেটগুলোতে জমজমাট ভাব ফিরে আসছে। স্বাস্থ্যবিনি না মেনেই চলছে কেনাকাটা। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকি নিয়েই কেনাকাটা করতে মার্কেটে মার্কেটে ভীড় জমাচ্ছেন ছেলে বুড়ো শিশু সহ সব বয়সের মানুষ। গেল কয়েকদিনের তুলনায় গতকাল শুক্রবার ছিল মার্কেটগুলোতে ছিল প্রচন্ড ভীড়। তবে ঈদের কেনাকাটার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিতভাবে দোকানপাট খোলার কথা থাকলেও তা অমান্য করেই চলছে বেচাবিক্রি। প্রথম দিকে ক্রেতারা শঙ্কা ও ভয়ে মার্কেটে না আসলেও সেই ভয় কাটিয়ে এখন অনেকেই মার্কেটে আসছেন ঈদের কেনাকাটা করতে।’ কেনা কাটার চিত্র দেখে মনে হয় না এজেলাতে করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে। জুমুর নামে এক ক্রেতা জানান, ‘প্রথম দিকে ভেবেছিলাম করোনাভাইরাসের কারণে হয়তো মার্কেট বেশি জমবে না। তবে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। অপরদিকে সমবায় মার্কেটের একজন বিক্রেতা জানান, ক্রেতা সমাগম যেমন বেড়েছে আমাদের বিক্রিও বেড়েছে। অন্যান্য বছর ঈদের সময় যেমন বিক্রি হয় সেরকম বিক্রি না বাড়লেও সামনের দিনগুলোতে বিক্রি আরো বাড়বে আশা করি।’ তবে মার্কেট খুলে দেওয়ার প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে ছিল মার্কেটগুলোতে নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। এবং হাত ধোয়ার ব্যবস্থা এবং জীবাণুনাশক টানেল নির্মাণ করতে হবে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ মার্কেটে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ও জীবাণুনাশক টানেল নির্মাণ করলেও মার্কেটগুলোতে নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিত করতে দেখা যায়নি কোনো মার্কেটে। বিশেষ করে মধ্যবিত্তদের কাছে অধিক জনপ্রিয় মার্কেটগুলোতে এই সমস্যা গুরুতর অবস্থায় দেখা গেছে। যে কারণে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার বড় মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে বলে অভিমত সচেতন নাগরীকবৃন্দ। এক্ষেত্রে বিক্রেতাদের দাবি ক্রেতাদের অসচেতনতার জন্যই নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। অধিকাংশ মার্কেটে দোকনের সামনে ক্রেতাদের নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়ানোর জন্য দাগ দেওয়া থাকলেও সেগুলোর খেয়াল না করে অধিকাংশ ক্রেতা সোজা দোকানের ভিতরে চলে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *