আজ: সোমবার | ১লা জুন, ২০২০ ইং | ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৯ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | সকাল ৭:০২

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

করোনা পরীক্ষার জন্য ল্যাব চান নারায়ণগঞ্জবাসী

ডান্ডিবার্তা | ০৬ এপ্রিল, ২০২০ | ৯:৫৭

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
রাজধানী ঢাকার পর কোবিড ১৯ এ সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত এলাকা হচ্ছে শিল্প ও বন্দর নগরী নারায়ণগঞ্জ। সোমবার পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১২ ও মৃতের সংখ্যা ৪ জন। সিটিসহ তিনটি থানা এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। দিন দিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জের কোবিড ১৯ পরীক্ষার জন্য একটি ল্যাব চান নারায়ণগঞ্জবাসী। শহর ও বন্দর এলাকার বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের মানুষের মধ্যে সচেতনতার বড়ই অভাব। করোনা সতর্কতার উদাসীনতায় সিটি মেয়র নারায়ণগঞ্জকে লকডাউন এমনকি কারফিউ জারীর দাবি করেছেন। নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান লকডাউনের দাবী করেছেন। এতেই বুঝা যায় ব্যাপক করোনা সংক্রমন ঝুঁকিতে আছে নারায়ণগঞ্জ। এলাকাবাসী জানান, এরইমধ্যে নারায়ণগঞ্জকে লকডাউন করেছে প্রশাসন। অল্পসময়ের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে করোনায় মৃত্যু হার শঙ্কিত হওয়ার মতো। এখন থেকেই নমুনা সংগ্রহ এবং দ্রুত পরীক্ষা ও রিপোর্ট প্রদান নিশ্চিত করা না গেলে শুধু নারায়ণগঞ্জবাসীই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ক্ষতিগ্রস্ত হবে সমগ্র জাতি এবং দেশ। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ বলেন, বর্তমান অবস্থায় করোনা সনাক্তে নারায়ণগঞ্জে একটি ল্যাবের বড়ই প্রয়োজন। এর মাধ্যমে আরো দ্রুত করোনা সংক্রমিত লোকের তথ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের দুষ্টি আকর্ষণ করেন। বন্দর নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবির সোহেল জানান, শিল্পাঞ্চল এবং ঘনবসতির দিক থেকে নারায়ণগঞ্জের অবস্থান কোন অংশেই কম নয়। রাজধানীর পার্শ¦বর্তী জেলা হিসেবে নারায়ণগঞ্জে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর যে চিত্র দেখা যাচ্ছে তাতে প্রশাসনের এখনই উচিত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া। এ ব্যাপারে করোনা ফোকাল পার্সন ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, আইইডিসিআর টিম নারায়ণগঞ্জে এসে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। রিপোট তৈরী হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জে পাঠানো হলে তার উপর নির্ভর করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এই দীর্ঘ সময়ের জন্য নারায়ণগঞ্জের প্রকৃত করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নির্ণয় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই এখানে টিসিআর মেশিন এবং বায়োসেফ্টি থার্ড লেবেল ল্যাব থাকলে এই প্রক্রিয়া এখান থেকেই সম্পন্ন করা সম্ভব হত। জেলা সিভিল সার্জন ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, এই প্রক্রিয়ার জন্য যে দক্ষ জনবল, দক্ষ টেকনিশিয়ান, উপযুক্ত মেডিকেল বা মেশিনারিজের প্রয়োজন তা আমাদের এখানে নেই। এই অবস্থায় এখন নারায়ণগঞ্জে ল্যাব স্থাপন করার কোন সম্ভাবনা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *