আজ: মঙ্গলবার | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৬ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি | রাত ১১:৩৮

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

কর্মীদের চাঙ্গা করতে কার্যালয় জরুরী

২৯ নভেম্বর, ২০২০ | ৭:৪২ পূর্বাহ্ন | ডান্ডিবার্তা | 92 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
প্রায় দশ মাস আগে বিলুপ্ত করা হয়েছিল জেলা বিএনপির কমিটি। কমিটি বিলুপ্তের করার তিন মাসের মধ্যে নতুন কমিটি দেয়া হবে এমন গুঞ্জন থাকলেও তা বাস্তবে রূপ নিতে পারেনি। তবে গত কয়েকদিন ধরেই জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। গুঞ্জন উঠেছে, তৈমূর আলম খন্দকার ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হচ্ছে। যদিও এই গুঞ্জনের সত্যতা এখনো পাওয়া যায়নি। কেননা নারায়ণগঞ্জ বিএনপি ধ্বংসের নেপথ্যে তৈমূর আলম খন্দকারের নাম উঠেছে আসে। যে কারণে গত কমিটিতে নেতাকর্মীদের দাবীর প্রেক্ষিতে তৈমূরকে বাদ দিয়ে জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এদিকে, নতুন কমিটি গঠন না হওয়ায় নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে টিকে থাকাটাই চেলেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন যাবৎ কার্যালয়হীন, নেই কমিটি, নেতায় নেতায় বিভক্তি, আর প্রবনতা রয়েছে ফটো সেশনের। এমন রাজনীতির কারণে নারায়ণগঞ্জে এখন বিএনপি নামক দরটি যেন থেকেও নেই। আর দলের বর্তমান এ অবস্থার জন্য স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতি ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। কমিটি না থাকায় জেলা বিএনপির নেতারা মাঠে নেই গত ১০ মাস ধরে। তবে বেশ কয়েকজন নেতা শীর্ষ পদ দখল করতে নিজ বলয়কে শক্তিশালী করতে কাজ করছেন। আর মহানগর বিএনপি চলেছে নেতাদের ঘরোয়া বৈঠক ও ঘর থেকে নির্দেশনার মাধ্যমেই। আর কালিরবাজারে ফ্রেন্ডস মার্কেটে মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নিজের কার্যালয়কে অস্থায়ী কার্যালয় ঘোষণা করে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়াও অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, তৈমূর আলম খন্দকার, এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, আজহারুল ইসলাম মান্নানসহ শীর্ষ নেতারা নিজস্ব কার্যালয়ে দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। বিশাল দল ভিন্ন বলয় থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এ সব কার্যালয়ে শুধু মাত্র একটি গ্রুপের নেতারা অবস্থান করতে পারছে। পার্টি অফিস যেমন জাঁকজমক থাকার কথা, তেমনটি এখন আর নেই। তাই অনেকে মনে করেন কার্যালয় বিহীন- বিএনপির নেতৃত্ব শূন্যতার একটি বড় কারণ। গত সাড়ে তের বছর ধরে বিএনপি ক্ষমতার বাহিরে। এমন অবস্থাতেও দলে প্রভাব বিস্তার, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিমুখিতা, প্রাত্যহিক কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতাসহ নানা কারণে নেতায় নেতায় বিভক্তি দেখা গেছে। তাতে দলটির নারায়ণগঞ্জে রয়েছে আন্দোলনের শূন্যতা। তেমনই একটি গ্রুপ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান। জানাগেছে, ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপির আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্র। এর দু বছর পর জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। দুই বছর মেয়াদী এই কমিটি তিন বছর আট দিনের মাথায় গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্র থেকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। কিন্তু এরপর ১০ মাসের বেশি সময় চলে গেলেও কোন কমিটি দেওয়া হয়নি। সাবেক কমিটিতে জেলা বিএনপির সভাপতি দায়িত্বে থাকা কাজী মনিরকে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে না দেখা গেলেও বেশ কয়েকজন নেতা তৎপর রয়েছেন।



Comment Heare

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Top