Home » প্রথম পাতা » ফতুল্লার কাশিপুরে মোস্তফার অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারন মানুষ

কর্মীনির্ভর না’গঞ্জের রাজনীতি!

২৪ নভেম্বর, ২০২২ | ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 62 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের সাংগঠনিকভাবে মাঠের রাজনীতিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কর্মীবান্ধব নেতা এমপি শামীম ওসমান। এ জেলায় যেসব আওয়ামীলীগ নেতা রয়েছেন তাদের চেয়ে শামীম ওসমানের সবচেয়ে বেশি বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে। একইভাবে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতেও এখন পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে বহিষ্কিৃত বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের নিজস্ব যে পরিমান কর্মী বাহিনী রয়েছে তা বিএনপির অন্যান্য নেতাদের দেখা যাচ্ছেনা বলে মতামত নেতাকর্মীদের। যে কারনে অনেকেই মনে করছেন আওয়ামীলীগ ও বিএনপির রাজনীতিতে একদিকে শামীম ওসমানের যেমন বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে অপরদিকে বহিষ্কৃত বিএনপি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারেরও বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে। দলের বাহিরেও তাদের নিজস্ব কর্মী রয়েছে তারা ব্যক্তি শামীম ওসমানকে যেমন ভালবাসেন আবার বিএনপির মধ্যেও ব্যক্তিগত কর্মী রয়েছে যারা দলের বাহিরে গিয়ে ব্যক্তি তৈমূর আলম খন্দকারকেও ভালবাসেন। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের দাবিমতে- নারায়ণগঞ্জে এমপি শামীম ওসমানের বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে। যারা দলের বাহিরেও এমপি শামীম ওসমানের আদর্শ নীতি ও নৈতিকতাকে ভালবাসেন। এমপি শামীম ওসমানের আহ্বানে যেকোন বিশাল সমাবেশে এসব নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মত। নারায়ণগঞ্জে এই একজন মাত্র নেতা যিনি একদিনের আহ্বানেও বিশাল সমাবেশ সফল করতে পারেন। যা জেলায় আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতাদের মাঝে এই সক্ষমতা এখনও তৈরি হয়নি। এমপি শামীম ওসমান ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য। তিনি তৃতীয় মেয়াদে এখানে এমপি হয়েছেন। এর আগে তিনি ৯৬ সালে প্রথম তরুণ বয়সে এমপি নির্বাচিত হন। ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে। ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্টিত রাজনৈতিক। অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবিমতে- নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বেশকজন সাবেক এমপি এখনও রাজনীতিতে নাম রয়েছে। যদিও তাদের রাজনৈতিক কোন সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছেনা। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে যেসব বিএনপির নেতা রয়েছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তৈমূর আলম খন্দকারের ব্যক্তিগত কর্মীবাহিনী রয়েছে। যা তিনি তার ব্যক্তিগত কোন অনুষ্ঠানেও জমায়েত করে দেখিয়েছেন। দলের বাহিরেও তাকে ভালবাসেন এমন কর্মীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। তার যেসব কর্মী বাহিনী তিনি তৈরি করেছেন তা অন্যান্য কোন নেতার ব্যক্তিগত এত কর্মী এখনও তৈরি হয়নি এ জেলায়। দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় দল থেকে তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন। তবে, দ্বাদশ নির্বাচনের আগে তৈমুর আলমের বহিষ্কারদেশ তুলে নিবেন বলে ধারনা করছেন তার সমর্থকরা। এর আগে তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ছিলেন জেলা বিএনপির সেক্রেটারি, ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। সেই সঙ্গে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কও ছিলেন এক সময়। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এপিলেট ডিভিশনের একজন আইনজীবী তিনি। এর আগে তিনি এডিশনাল এ্যাটর্নী জেনারেল হয়েছিলেন। সেই দায়িত্ব ছেড়ে তিনি পরবর্তীতে দায়িত্ব পান বিআরটিসির চেয়ারম্যান হিসেবেও। নারায়ণগঞ্জে অসংখ্য বিদ্যালয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। একজন আম জনতার নেতাও তিনি। একেবারে নিম্ম শ্রেণি থেকে শুরু করে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে তিনি ওঠাবসা করতেও দ্বিধাবোধ করেন না।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *