Home » প্রথম পাতা » সামসুলের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ

কর্মী সম্মেলনে নেতারা দ্বিধাবিভক্ত

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 54 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

সাংসদ শামীম ওসমানের নির্দেশে আয়োজিত আওয়ামী লীগের কর্মীসভায় আবারও নেতা-কর্মীদের নগন্য উপস্থিতি দেখা গেছে। অনেকেই ওই সভাকে বলছেন, কর্মীশূণ্য কর্মীসভা। গতকাল রোববার রাতে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি এলাকায় আয়োজিত কর্মীসভায় এমন চিত্র দেখা যায়। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বন্দরের মদনগঞ্জে ১৯ নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত প্রথম কর্মীসভায় এই চিত্র দেখা গিয়েছিল। মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বিকেলে শুরু হয় জালকুড়ির ওই কর্মীসভা। শুরুর দিকে দলে দলে নেতা-কর্মীরা উপস্থিত হন। সভাস্থলে সাজানো চেয়ারগুলো ছিল অনেকাংশে ভরপুর। কিন্তু সন্ধ্যার পর থেকে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি কমতে থাকে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল বক্তব্য দিতে মঞ্চে উঠলে হাতে গোনা কয়েকজনকে সভাস্থলে পাওয়া যায়। সভাস্থলের চেয়ারগুলোও ছিল শূণ্য। পুরো কর্মীসভা তখন কর্মীশূণ্য হয়ে পড়ে। অবশ্য নেতাকর্মীদের দাবি এই সভা শেষে পার্শ্ববর্তী ১০ নং ওয়ার্ডেও আরেকটি কর্মীসভার আয়োজন করা হয়েছিল। অনেক নেতা বক্তব্য দেয়ার পর সেই সভার উদ্দেশ্য রওয়ানা দিলে তাদের সাথে সাথে কর্মীরাও সেই সভায় যোগদান করতে বের হয়ে যান। যার ফলে সিনিয়র নেতাদের বক্তব্যের সময় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। এই সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খোকন সাহা, যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম,  সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, নাসিক কাউন্সিলর ইস্রাফিল প্রধান, মহিলা কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইসরাত জাহান স্মৃতি, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ প্রমুখ। গত ৬ সেপ্টেম্বর ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান নেতা-কর্মীদের ডেকে নাসিকের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কর্মীসভার আয়োজন করার নির্দেশ দেন। সেই কর্মীসভায় তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭টা ওয়ার্ডে আগামী ৯ দিন কর্মীসভা হবে। তিনটা ওয়ার্ডে কর্মীসভা হবে একদিনে। জনসভা না কর্মীসভা। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতার কার পায়ের তলে কতটুকু মাটি আছে তা আমি নিজ চোখে দেখতে চাই। যার পায়ের তলে মাটি নাই, সে নেতাগিরি ছাড়েন। আমি কর্মী, আমি কর্মীরে চিনি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় এই কর্মীসভা। গত কয়েকদিনের সভায় ঘুরে ঘুরে বক্তব্য দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খোকন সাহাসহ শামীম ওসমানের অনুসারী নেতা-কর্মীরা। ওয়ার্ড পর্যায়ে এসব কর্মীসভার অধিকাংশই ছিল প্রায় কর্মীশূণ্য। সভার শুরুর দিকে নেতা-কর্মীর উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি থাকলেও সময়ের ব্যবধানে তা কমতে থাকে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *