News

কাঁচপুরের প্রকাশ্যে চলছে চাঁদাবাজি

ডান্ডিবার্তা | 23 February, 2020 | 11:21 am

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সোনারগাঁয়ে কাঁচপুর, হোমনা, দাউদকান্দী, বারদী রোডের পরিবহন আতংক চাঁদাবাজ নানা কু-কর্মের পরেও রহস্যজনক কারনে প্রশাসনের নজর থেকে এখনো অধরা রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। শীর্ষ চাঁদাবাজ হেলাল, বাচ্চু, রনি, মানিক, শরিফ, আজিম, সুজন, জহিরুল, শামীম এর বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরেও হেলাল বাহিনীর চাঁদাবাজদের মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক থাকে কিছু দিন। ঐ সময় অল্পের জন্য আটক করতে পারেনী শীর্ষ চাঁদাবাজ হেলালকে। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় হেলাল। এখন এই শীর্ষ চাঁদাবাজ হেলাল চাঁদাবাজীর স্থান পরিবর্তন ও নতুন কৌশলে চাঁদাবাজী করছে। তার নিয়ন্ত্রণাধীন চিহ্নিত চাঁদাবাজদের নাম বলতে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলে হেলাল কাঁচপুর ষ্ট্যান্ড ছেড়ে এখন চিটাগাংরোড, কখনো কাঁচপুর পশ্চিম ও পূর্ব ব্রীজের ঢালে আবার মদনপুর, কেওঢালা, মুগড়াপাড়া ও মেঘনাসহ চলন্ত গাড়িতে দাউদকান্দি, হোমনা, পরিবহনে চাঁদাবাজী করার অভিযোগ পাওয়া যায়। সূত্রে জানা যায় চাঁদাবাজদেরকে গ্রেফতার না করলে মালিক শ্রমিক আন্দোলনের ডাক দেয়ার ঘোষণা দেন দাউদকান্দি, মেঘনা ও গজারিয়া পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম নান্নু। এই শীর্ষ চাঁদাবাজকে অতি দ্রুত গ্রেফতার করে আইন আনুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। কাঁচপুরের চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও একাধিক মামলার আসামী হেলাল সম্প্রতি দাউদাকান্দী পরিবহনের নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্পটে পরিবহন শ্রমিকদের কাঁছ থেকে ব্যাপক হারে চাঁদাবাজী করে আসছে। সেই সাথে বিভিন্ন স্পটে দাড়িয়ে চাঁদাবাজী করছে। এই বিষয়ে নিয়ে ইতি পূর্বে কয়েক দফা বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করলেও রহস্যজনক কারনে প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করতে পারছেনা। এতে নিরীহ পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, চাঁদাবাজদের সাথে আমার কোন আপোষ নেই। চিহ্নিত চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিজান চালিয়ে যাচ্ছে।

[social_share_button themes='theme1']

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৩০
সুস্থ
৩৩
মৃত্যু
২১

বিশ্বে

আক্রান্ত
১,৬০৫,৬৯২
সুস্থ
৩৫৬,৯৬৯
মৃত্যু
৯৫,৭৬৫