আজ: মঙ্গলবার | ২রা জুন, ২০২০ ইং | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১০ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | দুপুর ১:৪৬

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

কাদের হাতে যাচ্ছে জেলা বিএনপি!

ডান্ডিবার্তা | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ১১:০২

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির বিগত দিনের ইতিহাসে এবারই প্রথম শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা না করে জেলা বিএনপির কমিটি তুলে দেয়া হচ্ছে এখন অশিক্ষিত নেতার হাতে। দলীয় বিভিন্ন সূত্রে জেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠনের যে আভাস সেই আভাসের সূত্রে এ সংবাদ জানা গেছে। আর জেলা বিএনপির মত একটি বিশাল অংশের নেতৃত্বে এখন অশিক্ষিত লোক কারোই কাম্য নয় বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান শিক্ষিত, সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ একজন অধ্যাপক, বিগত জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার যিনি সুপ্রিম কোর্টের এপিলেট ডিভিশনের আইনজীবী, এর আগের কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম ছিলেন একজন অধ্যাপক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী। রেজাউল করিম ও তৈমূর আলম খন্দকারের পর তৈমূর আলম খন্দকার ও কাজী মনিরুজ্জামান, তারপর কাজী মনিরুজ্জামান ও মামুন মাহমুদের নেতৃত্বেই জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন দলীয় কার্যক্রম করেছেন এবং এদের সকলেই শিক্ষিত যা বিএনপির মত একটি বৃহৎ দলের জন্য উপযুক্ত নেতৃত্ব। কিন্তু এবার জেলা বিএনপির কমিটি দেয়া হচ্ছে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও আজহারুল ইসলাম মান্নানকে এমনটাই দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এদের মধ্যে তৈমূর আলম খন্দকার শিক্ষিত হলেও মান্নান স্ব শিক্ষিত হিসেবেই নিজের নির্বাচনী এলাকা নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন যেটি সোনারগাঁ উপজেলা নিয়ে গঠিত সেখানে পরিচিত। এছাড়াও জেলা বিএনপির সকলেই এ ব্যাপারে অবগত যে তিনি স্বশিক্ষিত। তার এই ব্যাপারটি দলের শীর্ষ নেতারাও জানেন। তবুও তাকে নেতৃত্বে আনাটা দলের নেতাদের জন্য কতটা সঠিক এটি এখন সকলের প্রশ্ন। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, আজহারুল ইসলাম মান্নান বর্তমানে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন। তবে দলীয় কোন কর্মসূচীতেই তিনি তেমন বক্তব্য দিতে পারেন না, তার বক্তব্যও তেমন নেতাকর্মীদের কিংবা সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করেনা। এমন ব্যক্তিকে দলের নেতৃত্বে আনলে দলের জন্য সুখকর নাও হতে পারে। দলের বর্তমান একজন সহ সভাপতি জানান, মান্নান তো কখনোই তেমন বক্তব্য রাখতে পারেন না আর তার জন্য দলের নেতাকর্মীরাও তেমন মাঠে থাকেনা। সে তার অনুগত কিছু নেতাকর্মীকে নিয়ে দলীয় কিছু কর্মসুচী ঢাকায় পালন করে থাকেন। বিএনপির কারাবন্দি অসুস্থ চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মান্নান জেলায় কোন কর্মসূচী পালন করতে পারেননি এমনকি তিনি বিগত দিনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবির কেন্দ্রীয় কর্মসূচীগুলোতে রাজপথে ছিলেন না নারায়ণগঞ্জে। তবে ঢাকায় কিছু কর্মসূচী তিনি তার অনুগত নেতাকর্মীদের নিয়ে গিয়ে পালন করে ফটোসেশন করে কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসার চেষ্টা করেছেন। এদেরকে তাই বিবেচনা করেই পদ পদবি দেয়ার অনুরোধ রইলো দায়িত্বরত নেতাদের প্রতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *