আজ: শনিবার | ৮ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | ভোর ৫:৪২
শিরোনাম: সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই সহকারী উপ-পরিদর্শকসহ (এএসআই) চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার     গত ২৪ ঘন্টায় নারায়ণগঞ্জে নতুন করে আরও ১২ জন আক্রান্ত     করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭ জনের মৃত্যু,শনাক্ত ২৮৫১ জন     মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপসহ তিন আসামি সাতদিনের রিমান্ডে     আমি আপনাদের ভালবাসা আর দোয়ায় বেঁচে আছি: সেলিম ওসমান     আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য আড়াইহাজারে গ্রেপ্তার     ফতুল্লার কাশিপুরে ভবন ধস     আড়াইহাজারে ২ পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও টেটাবিদ্ধসহ ৫ জন আহত     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তার অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম     সৌদিতে আটকেপড়ারা আগামী শনিবার দেশে ফিরছেন    

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

কেন্দ্রীয় কর্মসূচি রেখে ঘরকুনো বিএনপি

ডান্ডিবার্তা | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ | ১১:১২

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সারাদেশ ব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করে দলটি। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেছে দলীয় নেতাকর্মীরা। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ জেলায় ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতেও ঘরকুনো পরিচয় দিয়েছে জেলার বিএনপির নেতারা। দলীয় সভানেত্রীর মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে জেলার কোথায়ও দেখা যায়নি বিএনপি নেতাদের। তবে মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী সকালে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে আসলে পুলিশী বাধায় কর্মসূচি পালন না করেই চায়ের দোকানে চা খেয়ে চলে যায়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের পর জেলাজুড়ে কোন কর্মসূচির আয়োজন করেনি বিএনপি। অনেকেই নির্বাচনের পূর্বের মামলাগুলো থেকে জামিন নিয়ে আদালতপাড়ায় দৌড়াদৌড়িতে ব্যস্ত ছিল। জেলার বিএনপির অধিকাংশ শীর্ষ নেতারই জামিন হয়েছে। তবুও কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে কোন অবস্থান ছিল না বিএনপির শীর্ষ নেতাদের। সারা দেশব্যাপী বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করলেও জেলা বিএনপি কোন কর্মসূচি ছিল না। এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, আমরা কোন কর্মসূচির আয়োজন করিনি। আমাদের অনেক নেতাকর্মী এখনো গায়েবি মামলায় জর্জরিত। এই মুহুর্তে কর্মসূচি পালন করে সেইসব মামলায় গ্রেপ্তার হতে চাই না। এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সকল নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মহানগর বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। সকালে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রেসক্লাব চত্বরে আসেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, সহ সভাপতি এড. জাকির হোসেন, ফখরুল ইসলাম মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু সহ দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চাইলে তাতে বাধা দেয় সদর থানা পুলিশ। প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ না করে পাশের গলিতে সমাবেশ করার পরামর্শ দেয় পুলিশ। কর্মসূচি ১০ মিনিটের মধ্যে শেষ করার জন্যও সময় বেঁধে দেয় পুলিশ। কিন্তু তাতে রাজি হয় না বিএনপি নেতারা। প্রেস ক্লাবের সামনেই সমাবেশ করার দাবি জানালে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। পরে বিক্ষোভ কর্মসূচি না করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পেছনের এক চায়ের দোকানে চা পান করে চলে যান বিএনপি নেতারা। এ সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো প্রেসক্লাব চত্বরের যেখানে তাদের কর্মসূচি পালন করে থাকে আমরা সেখানেই করবো। আর এটা আমাদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তারা আমাদেরকে গলিতে কর্মসূচি পালন করার নির্দেশ প্রদান করেছে যা আমাদের জন্য অসম্মানজনক। প্রেসক্লাব চত্বর এটি মুক্তাঙ্গন এখানে সকলের সমান অধিকার রয়েছে। কিন্তু বিএনপির ক্ষেত্রে কেন উল্টো হবে এটা মিডিয়ার মাধ্যমে জাতির কাছে আমাদের প্রশ্ন। আমরা কর্মসূচি সকল রাজনৈতিক দলের মত প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনের যথাস্থানে করতে চাই, গলিতে করে দলীয় কর্মসূচিকে হাস্যকর করতে চাই না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *