আজ: মঙ্গলবার | ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী | রাত ১২:০১

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

ক্রিকবাজের অনুষ্ঠানে সাকিব বিশ্বকাপে সাফল্যের গল্প শোনালেন

ডান্ডিবার্তা | ২৫ জুন, ২০২০ | ১২:৩৫

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট বাংলাদেশ দল তেমন ভালো করতে পারেনি, কিন্তু বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছিলেন সাকিব।ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অন্য এক সাকিব আল হাসানকে দেখেছিল পুরো বিশ্ব। ব্যাটে-বলের ছন্দে অনন্য উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে যান তিনি। ছিলেন টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার দৌড়েও। সাকিবের এই সফল্যের পেছনে ছিল তাঁর পরিশ্রম। মূলত বিশ্বকাপে ভালো করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তৈরি হয়েছেন তিনি। এর জন্য বেছে নিয়েছেন ভারতীয় লিগ আইপিএল। ২০১৯ সালে আইপিএল খেলতে গিয়েই নিজেকে পুরো দমে তৈরি করেছেন সাকিব। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের সফলতার গল্প বলেন সাকিব, ‘২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আমার মনে হয়, আমি তিনটি বিশ্বকাপ খেলে ফেলেছি। হ্যাঁ, আমি আমার মেধা দিয়ে খেলেছি, দেশের জন্য খেলছি। কিন্তু একটা সময় আমার মনে হয় যে, আমি এ সময়ের সেরাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা মূলক কিছু করতে চাই। সেই জন্য বিশ্বকাপকে বেছে নেই। এরপর সিদ্ধান্ত নেই আমি কিছু করব।’ বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা সম্পর্কে বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি যখ্ন আইপিএলে গেলাম এক ম্যাচ খেলার পর ড্রপ দেওয়া হলো, তখন আমি বুঝতে পারি নিজেকে তৈরি করার ভালো একটা সময় হতে পারে এই আসর। প্রথম তিন ম্যাচ পরেই আমি বিশ্বকাপের জন্য তৈরি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। ভাবলাম আইপিএলে না নিলে দেরি হয়ে যাবে। এরপর বিশ্বকাপে পারফর্ম করতে যা যা করতে হয় আমি সব করেছি। অনুশীলন, ট্রেনিং, স্কিলের উন্নতি থেকে শুরু করে সবকিছুই করেছি। আমি সবসময় কম্পিউটার এনালাইসিসদের সঙ্গে কথা বলি। কারণ আমি সবাইকে মোটামুটি চিনতাম। জানতে চাইতাম, যে বোলারকে ফেস করব সে কেমন হবে, না হবে সবকিছু নিয়ে আলোচনা করি। ’
আইপিএলে সে সময় নিজের শৈশব কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকেও ভারতে ডেকে নেন সাকিব। সে ব্যাপারে বলেন, ‘আমি আমার শৈশব কোচকে (সালাউদ্দিন) ভারতে নেই অতিরিক্ত ট্রেনিংয়ের জন্য। আমি টম মুডির কাছে অনুমতি নিয়ে এটি করি। এটার জন্য অবশ্যই তাদের ধন্যবাদ। টম আমাকে আমার কোচকে আনার অনুমতি দেন। তিনি আমার সঙ্গে ভারতে ১৪-১৫ দিন ছিলেন। আমাকে অনেক কিছুতে সাহায্য করেছেন। বিশেষ করে স্কিল উন্নতির বিষয়ে সেটা অনেক কাজে লেগেছে। এরপর বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে আয়ারল্যান্ড সফর থেকে সেসব প্রয়োগ করি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *