Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

ক্ষমতার স্বাদ নিতে আতাঁতা!

১৯ নভেম্বর, ২০২১ | ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 180 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি একক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ। মূলত টানা ১৩ বছর ধরে ক্ষমতার স্বাদ গ্রহন করে আসছে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগসহ তাদের শরীকদলগুলো। দীর্ঘদীন ক্ষমতায় থাকার পরও দলীয় কোন্দল নিরসন করতে পারেনি দলের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ। ফলে দলীয় বিভেদের কারনে নারায়ণগঞ্জ জেলায় আওয়ামী লীগের দ্বিধাবিভক্তি অনেক পুরনো। অন্যদিকে বিএনপিতে কোন্দল থাকলেও অস্তিত্ব ধরে রেখেছে। নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পাঁচশর বেশি মামলার খড়গ নিয়েও দলটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রাণভোমরা শামীম ওসমান। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক। জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই তার যথেষ্ট প্রভাব। দলের অপর নেতা সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী নিজস্ব বলয় নিয়ে আলাদাভাবে রাজনীতি করছেন। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন জেলা সভাপতি আবদুল হাই, সহসভাপতি সিটি মেয়র আইভী ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত বাদল। জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শামীম ও আইভী দ্বন্ধ থাকলেও শামীম ওসমান বলয়ের সঙ্গে রয়েছে সদর-বন্দর আসনের জাতীয় পার্টির এমপি সেলিম ওসমান ও সোনারগাঁ আসনের জাতীয় পার্টির অপর এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা। অপরদিকে সিটি মেয়র আইভী বা পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর সঙ্গে আছেন আড়াইহাজারের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু। এই দুই বলয় নিয়েই চলছে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের এই আমলে সৌভাগ্যবশত আওয়ামী লীগের অনেক নেতার চেয়ে বেশি প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন বিএনপির আলোচিত চার নেতা। এরা হলেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, বিএনপি নেতা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ বিশ্বাস, যুবদল নেতা সিটি কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু, বিএনপি নেতা বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলসহ অসংখ্য নেতা। এদের মধ্যে সেন্টু এবার নৌকা প্রতীক নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়ে তাক্ লাগিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও এছাড়াও মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর সাথে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ অনেক নেতার সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে। এমনকি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে মেয়র আইভীকে বিজয়ী করতে ভোটের আগের দিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার। তবে সরকারবিরোধী কর্মসূচিতে রাজপথে মিছিল মিটিংয়ে অংশ নিচ্ছে বিএনপি নেতা-কর্মীরা। বিএনপিতে রয়েছে নেতাভিত্তিক চরম কোন্দল। এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ ও বিএনপির রাজনীতিতে দলীয় কোন্দল দ্রুত নিরসন করা না হলে এর প্রভাব দলে পড়বে বলেও মনে করছেন দলের তৃনমূল নেতৃবৃন্দ। জানাগেছে, প্রায় দেড় যুগ ধরে ক্ষমতার বাহিরে রয়েছে বিএনপি। হামলা-মামলায় জর্জরিত হয়ে অনেক নেতা রাজনীতিও ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু কোন কোন নেতা ক্ষমতার স্বাদ গ্রহন করতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সাথে আতাঁত করে রাজনীতি করছেন।

Comment Heare

৩ responses to “ক্ষমতার স্বাদ নিতে আতাঁতা!”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *