আজ: শুক্রবার | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ৯:৪০

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

খাগড়াছড়ি তুয়ারি মাইরাং ঝরনা পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা

ডান্ডিবার্তা | ২৮ আগস্ট, ২০২০ | ১১:২৫

সোহেল রানা
ভূপ্রাকৃতিক গঠনের ফলে স্বতন্ত্র এলাকা হিসেবে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।পাহাড়ের পর পাহাড়ে সাজানো সবুজ অরণ্য দেশের যেকোনো অঞ্চল থেকে এ জনপদকে করেছে আলাদা। পাহাড়ি অঞ্চল পর্যটকদের কাছে বরাবরই দারুণ আকর্ষণীয়। এ জনপদ পর্যটকদের কাছে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি স্থানীয়দের কাছে ‘ভূস্বর্গ’।
খাগড়াছড়িতে দিন দিন যখন বাড়ছে পর্যটকদের সংখ্যা; তখন তৈদুছড়া ঝরনা ও বাদুড় গুহার পরে দীঘিনালার সীমানা পাড়ায় সন্ধান মিলেছে প্রায় শত ফুট উঁচু ‘তুয়ারি মাইরাং ঝরনা’। যা ইতোমধ্যে পাহাড়ের পর্যটকদের কাছে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে। অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ নিতে নতুন সন্ধান পাওয়া শত ফুট উঁচু এ ঝরনা দেখতে স্থানীয় পর্যটনপিপাসু ছাড়াও বাইরে থেকে অনেকেই আসছেন। এসব পর্যটকদের নিরাপত্তা ও গাইড সুবিধা দিচ্ছে স্থানীয়রা।
লোকালয় থেকে হেঁটে দীঘিনালার সীমানা পাড়ার নতুন ঝরনায় পৌঁছতে সময় লাগে মাত্র ১ ঘণ্টা। প্রাকৃতিক লতা বেয়ে নামতে হয় পাহাড় থেকে। কয়েকটি পাথুরে জায়গা পারাপারে একমাত্র ভরসা সেই লতা। তবে এসব জায়গায় মোটা দড়ি ব্যবহার করা ঝুঁকিমুক্ত। পাহাড় থেকে লতা বেয়ে নেমে হাঁটতে হয় পাহাড়ি ঝিরিতে। পাহাড়ি ঝিরিতে গা ছমছম অনুভূতি। ঝিরিতে শত বছর ধরে আটকে আছে বড় বড় পাথর খণ্ড। পাথর ও ক্যাসকেড বেয়ে নামছে পানির স্রোতধারা। উঁচু পাহাড় আর গভীর অরণ্যের কারণে ঝিরি পর্যন্ত পৌঁছে না সূর্যের আলো। ঝিরিপথে হাঁটার পরপরই দেখা মিলবে সুবিশাল ঝরনার। এতো উঁচু ঝরনা দেখে চোখ আটকে যাবে যে কারো। ঝরনার উল্টো দিকে পাথুরে পাহাড়। এমন ঝরনা দেখে মুগ্ধ হবেন পর্যটকরা। দীঘিনালার এ ঝরনা দেখতে আসা পর্যটক মারিয়া, নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের নতুন স্বাদ দেবে এ ঝরনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *