আজ: সোমবার | ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী | রাত ১০:০৫

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

খাল পুনঃখনন চলছে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি

ডান্ডিবার্তা | ৩০ জুন, ২০২০ | ৬:১৩

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে উত্তর চাষাড়া মাঊরাপট্টি থেকে তল্লা বড় মসজিদ এলাকা পর্যন্ত গঞ্জে আলী খাল পুনঃখনন কাজ চলমান রয়েছে। খালটি যে পর্যন্ত সচল না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত পুনঃখনন কাজ চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু। এদিকে খালটি উদ্ধার ও পুনঃখনন কাজে সহযোগিতা করায় এমপি সেলিম ওসমান, এমপি শামীম ওসমান ও নাসিক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন কাউন্সিলর ও ওয়ার্ডবাসী। গতকাল সোমবার কাজের তদারকি শেষে এসব কথা জানান শকু। এসময় তিনি জানান, এখানে সকলেই সহযোগিতা করছেন। এলাকাবাসী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া যারা এখনো দোকান বা স্থাপনা সরাতে পারেননি তারা দ্রুতই সরিয়ে নিতে সময় নিয়েছেন এবং সরিয়ে নিচ্ছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, গঞ্জের আলী খালের তল্লা রেললাইনের এলাকায় পলিথিন ও জুটের জট দেখা গেছে। ৩টি ভেকু দিয়ে পরিস্কার কাজ শুরু করলে এলাকাবাসী উচ্ছেদ ও খাল পুনঃখননের জন্য নাসিক কর্তৃপক্ষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন জানায়। এ সময় খালটি পুনঃখনন পর যেন পুনরায় দখলে না যেতে পারে, সে দিকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। তল্লা বাসিন্দা শফিউদ্দিন জানান, গঞ্জের আলী উপর দিয়ে হাজারো দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলোতে জুটের গোডাউন, হোটেল, রিক্সা-অটো গ্যারেজ ও ক্লাবের আড্ডা খানা। প্রতিদিন এসব দোকানগুলো বসে মাদকের হাট ও সেবন জমজমাট ছিল। অনেক সময় বাধা দিলে, নিজের উপর হুমকি আসত। যাক মহান আল্লাহ কাছে শুকরিয়া, জলাবদ্ধতা কারণে গঞ্জে আলী খালটি পুনঃখননের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে এসব দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। এদিকে খানপুরের জামাল জানান, খালটি পুনঃখনন করে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে কাজ শুরু করেছে, তাতে আমরা সাধুবাদ জানায়। ঐতিহ্যবাহী গঞ্জে আলীটি ছোট থেকে দেখতাম পানি স্রোতের মত ছুটতো। এখন যত বছর বৃদ্ধি হচ্ছে, ততই স্লোত কমে যাচ্ছে। এ নিয়ে অনেক সময় প্রতিবাদেও করেছি কিন্তু মূল্যায়িত হয়নি। কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু জানান, দীঘদিন যাবৎ কৃত্রিম জলাবদ্ধতা কারণে জনজীবনের অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। রাতে বেলায় অনেকে ভালো ঘুমিয়ে ছিল, সকালে উঠে দেখে ঘরে খাটে নিচে পানি জমে উঠেছে। এর কারণে ঘরে ও বাহিরে মানুষ বের হতে পারে না। উত্তর চাষাড়া থেকে সরদারপাড়া পর্যন্ত জলাবদ্ধতা হয়ে থাকতো। সব অবৈধ দখলদের দখলে কারণে এসব পানি সৃষ্টি হত। এখন নাসিকের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও এমপিদের সহযোগিতা কারণে আজ খাল পুনঃ খননের কাজ শুরু করা হল। ইতিমধ্যে অনেক খাল খননের জন্য দখলদাররা তাদের মালামাল সরিয়ে নিচ্ছে। যে পর্যন্ত গঞ্জে আলী খাল সচল না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পুনঃখনন কাজ চলমান থাকবে। আবারো আমি এ কাজের জন্য মেয়র ও এমপি মহোদরদের ধন্যবাদ জানাই, এলাকাবাসীও তাদেরকে প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *