Home » প্রথম পাতা » বন্দরে নাসিম ওসমান স্বরণে যুব সংহতির দোয়া

খেলা হবে শ্লোগানই কাল হলো!

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ | ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 143 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

খেলা হবে শ্লোগানটি বাংলাদেশর মধ্যে প্রভাবশালী ৫ জন সাংসদের মধো একজন শামীম ওসমান। ওসমান পরিবারের রাজনীতি মানে নারায়ণগঞ্জের আওয়ামীলীগের সূতি। শামীম ওসমান এমপির “খেলা হবে” শ্লোগানটি দেশ ছাড়িয়ে পশ্চিমভঙ্গের নির্বাচনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। যে নেতার শ্লোগান নিয়ে সর্বত্র আলোড়ন, সেই নেতার জেলায় নির্বাচনে কতটুকু আলোড়ন হয়েছে তা গত ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখা মিলেছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ( নাসিক) নির্বাচনে শ্লোগানটি সম্পন্নরুপে ব্যবহার করেছে। বিভিন্ন সাউন্ডস্টেম, মাইক দিয়ে নাসিক মেয়র, কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচারনায় সোভা পায়। ফ্যাক্ট হলো” খেলা হবে” এর যথাযথ ভোটের মাঠে প্রয়োগ করেছে আওয়ামীলীগের একটি পক্ষ। শামীম ওসমান এমপির বক্তব্যেটি কাল হয়েছে তাদের পরিবার(ওসমান পরিবারের) বিশ্বস্ত ভ্যানগাটদের। প্রতিপক্ষ চক্রটি (সরকারী দল)সহ বিএনপি, জামায়াত ইসলামী, সুশীল ও বহুরুপী নেতারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওসমান পরিবারের বাহু বলকে ক্রমশ দূর্বল করার মিশন চালাচ্ছে। ওসমান পরিবারের বিশস্ত নেতাদের টার্গেট পূর্বক খেলা আরো ৭/৮ বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছে। টার্গেট পূর্বক খেলার ১ম আক্রান্ত খান মাসুদকে দিয়ে শুরু করেন। টার্গেট পূর্বক খেলার মিশনে নানা কৌশল, আর্থিক সার্পোটসহ সার্বিক সহযোগিতার হাতছানি হয় সরকার দলের শীর্ষ পর্যায়ের কিছু নেতা, বিএনপি, জামায়াত ইসলামীসহ সুশীল-কুশীলদের। শামীম ওসমান এমপি মানে লক্ষ লোকের জমায়েত করা ১ ঘন্টার কাজ। সেই মিছিলে বন্দরের উদীয়মান নেতাদের মধ্যে খান মাসুদ ও দুলাল প্রধান  বিশাল মিছিলের বহর নিয়ে নেতার সভা সফল করেন। খান মাসুদ ও দুলাল প্রধান পৃথকভাবে মিছিল নিয়ে প্রায় ২০/ ২৫ হাজার লোকজন যোগদান করেন। দীর্ঘ ৭/৮ বছরের নানা কৌশলে যেখানে ব্যার্থ হয়েছেন চক্রটি। গত ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া এনসিসি নির্বাচনে চক্রটি অনেকাংশে সফল হয়েছেন বলে রাজনৈতিক বোদ্ধাদের অভিমত। দুইবারের কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান ও খান মাসুদ সংগঠনের পাশাপাশি করোনাকালীন ১৮ মাস যে পরিমাণ সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু ভোটের মাঠে চক্রটির নাম কৌশলের সাথে আর্থিক সহায়তা করেছেন। জনগন তাদের ভোট দিতে চাইলেও চক্রটির কালো টাকার দাবানলে কাউন্সিলর পদে দুলাল প্রধান ও খান মাসুদ পরাজিত হয়। যে পরাজয় সাধারণ জনগন মানতে নারাজ আবার অনেকে বলে দূরসময়ে তাদের মত কেউ আসেনি। কিন্তু ভোটের মাঠ এমন কিভাবে হলো। চক্রটির কালো টাকার দাবানলে ১৮ মাসের সহায়তাও পুড়ে যায়। শামীম ওসমানের ডাইলক খেলা হবে তা ওই চক্রটি ভোটের মাঠে প্রয়োগ করেছে। চক্রটির দাবা খেলার ঘোড়ার চাল(আড়াই প্যাছে) পড়েন দুলাল প্রধান ও খান মাসুদ। যাদের মিছিল না গেলে সভা সফল করা কষ্ট হয়ে যায়। তাদের মধ্যে দুলাল প্রধান ও খান মাসুদের মত নেতা এক দিনে হয়নি। চক্রটিকে চিহ্নিত করে সরকার দলীয়দের তালিকা করে কেন্দ্রে ( হাইকমান্ডে) দেয়ার জন্য গোয়েন্দা সংস্থাদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা তৃনমুল নেতাকর্মীদের।  তাদের মধ্যে দুলাল প্রধান ও খান মাসুদের মত নেতা এক দিনে হয়নি। তারা ভোটে হারেনি, হেরেছেন একনিষ্ঠ ভাবে ওসমান পরিবারের দুই বাহু। তাদের অপরাধ বহুরূপী হতে পারেনি। খেলা হবে শ্লোগানটি দুলাল, খানের জন্য কি কাল হলো?

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *