আজ: শুক্রবার | ২৯শে মে, ২০২০ ইং | ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | সকাল ৭:৫৪
শিরোনাম: স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১মে থেকে ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন চলবে     না’গঞ্জে ৩১মে থেকে বিপনীবিতানসহ সকল দোকানপাট স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলছে     আড়াইহাজারে ঝোপে যুবতির লাশ উদ্ধার     দেশে একদিনে করোনা শনাক্ত ছাড়ালো ২ হাজার২৯, মৃত্যু ১৫     গত ২৪ ঘন্টায় না’গঞ্জে করোনা আক্রান্ত ৬৫জন, মোট আক্রান্ত ২৪৯০     কাশিপুরে চিকিৎসার নামে মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ,ধর্ষক আটক     বিশেষ ব্যবস্থায় সীমিত আকারে পাসপোর্ট বিতরণ শুরু করেছে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস     যুক্তরাষ্ট্রে ৪৪ বছরের যুদ্ধের প্রাণহানীর রেকর্ড ভাঙ্গলো     কথা রাখল না নেপাল,খুলে দেওয়া হলো এভারেস্টের দরজা     আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের মধ্যে বিভেদ,কর না দিতে পারলে ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরে যাবে    

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

গার্মেন্ট সেক্টরে সহযোগিতার আশ^াস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের

ডান্ডিবার্তা | ২৮ এপ্রিল, ২০২০ | ১১:১০

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
দীর্ঘ ১ মাস বন্ধ থাকার পর ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করেছে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের গার্মেন্টস গুলো। তাই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করোনা সংকটকালে গার্মেন্টস সেক্টরকে সকল ধরনের সহযোগীতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এম.পি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে করোনা সংকটকালীন সময়ে গার্মেন্টস শিল্পের সুরক্ষা বিষয়ে সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে এক জরুরী সভায় তিনি এমন আশ্বাস প্রদান করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি এর সভাপতিত্বে সভায় বিকেএমইএ’র প্রতিনিধিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি ও সদর-বন্দর আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম সেলিম ওসমান। বিকেএমইএ সভাপতি এ.কে.এম সেলিম ওসমান সভায় সিদ্ধান্ত গৃহিত হওয়ার পূর্বে বলেন, চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি পুনরায় চালু হওয়ায় পোশাক শিল্প স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে এই সংকটকালীন সময়ে দেশের অর্থনীতি ও পোশাক শিল্পের অবস্থা ধরে রাখার জন্য তিনি সকল প্রশাসন, মিডিয়া তথা সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সঠিক তথ্যপূর্ণ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে এই শিল্পকে সুরক্ষার অনুরোধ জানান। উল্লেখ্য যে, সামনের মে’২০ মাস থেকে যে সমস্ত কারখানাগুলো পুরোপুরি চালু হতে যাচ্ছে, সেগুলোতে করোনা সংকটের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই সব পক্ষের সহযোগিতা ছাড়া এই কঠিন সময় অতিক্রম করা সম্ভব না। পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। সভায় করোনা সংকটকালে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতার কথা উল্লেখ করে এ থেকে উত্তরণে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপের কথা আলোচিত হয়। একইসাথে দেশের প্রধানতম রপ্তানিখাত পোশাক শিল্পের উপর বাংলাদেশের অর্থনীতির নির্ভরতা এবং এর প্রেক্ষিতে পোশাক শিল্পকে সুরক্ষা প্রদানের বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে আসে। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশ এক ক্রান্তিকালীন সময় অতিক্রম করছে। এই সময়ে আমাদের সকলকে ধৈর্য ধারণ করে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর গার্মেন্টস কারখানাগুলো খুলতে শুরু করেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সে অর্থে কমেনি। যেহেতু গার্মেন্টস শিল্প একটি শ্রমঘন শিল্প, সেহেতু এই শিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিকদের তথা উদ্যোক্তা ও কর্মচারীদের জীবনের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একারণেই সাম্প্রতিক কালে খোলা কারখানা গুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদানের জন্য বিকেএমইএ, বিজিএমইএ ও বিটিএমএ’র পাশাপাশি সরকারের প্রশাসন, পুলিশ-প্রশাসন ও শিল্প-পুলিশ প্রশাসন প্রয়োজনে সবধরনের সহযোগিতা ও তদারকি করবে। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এমপি, বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক, বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন, পুলিশের আইজিপি বেনজীর আহমেদ, শিল্প পুলিশের মহাপরিচালক আব্দুস্ সালাম, পিপিএম, বিকেএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *